elektronik sigara

আগামী ইজতেমা ২০শে জুমাদাল উখরা, ১৪৪৪ হিজরী ‍মুতাবেক ১৩ই জানুয়ারী, ২০২৩ ঈসায়ী তারিখ শুক্রবার থেকে ২২শে জুমাদাল উখরা, ১৪৪৪ হিজরী মুতাবেক ১৫ই জানুয়ারী, ২০২৩ ঈসায়ী তারিখ রবিবার পর্যন্ত চলবে। অর্থাৎ ১৩,১৪,১৫ জানুয়ারী, ২০২৩। ইজতেমার ময়দানের ম্যাপ ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন

 

ইনশাআল্লাহ জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় দাওয়াতুল হকের মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৬শে জুমাদাল উখরা, ১৪৪৪ হিজরী, ২০ই জানুয়ারী, ২০২৩ ঈসা‘য়ী, শুক্রবার (সকাল ৭-৮টা থেকে শুরু হবে ইনশাআল্লাহ)

হযরতওয়ালা দা.বা. কর্তৃক সংকলিত চিরস্থায়ী ক্যালেন্ডার ডাউনলোড করতে চাইলে এ্যাপের “সর্বশেষ সংবাদ” এ ভিজিট করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা এর লিখিত সকল কিতাব পাওয়ার জন্য এ্যাপের “সর্বশেষ সংবাদ” থেকে তথ্য সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা দা.বা. এর কিতাব অনলাইনের মাধ্যমে কিনতে চাইলে ভিজিট করুনঃ www.maktabatunnoor.com

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

মীরাস বন্টন না হওয়া অবস্থায় কুরবানী পদ্ধতি

তারিখ : ১৪ - ফেব্রুয়ারী - ২০১৮  

জিজ্ঞাসাঃ

পিতা মারা যাওয়ার পর সাহেবে নেসাব (অর্থাৎ যাকাতের নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক) কয়েকজন ভাই একত্রে বাস করে। তারা তাদের মীরাস এখনোও বন্টন করেনি। এখন প্রশ্ন হল- তাদের সকলের পক্ষ থেকে একটি কুরবানী দিলেই চলবে কিনা? জানতে ইচ্ছুক।

 


জবাবঃ


বর্ণনা অনুযায়ী তাদের প্রত্যেকের পক্ষ থেকে পৃথক কুরবানী অর্থাৎ একটি করে বকরী বা গরু, উটের সাত ভাগের এক ভাগ কুরবানী দেওয়া ওয়াজিব। সুতরাং একটি বকরী বা সাত ভাগের এক ভাগের মধ্যে সকলে শরীক হয়ে কুরবানী দিলে তাদের জন্য সহীহ হবে না


উল্লেখ্য, মীরাস বন্টন দেরী করা অন্যায়। ইন্তিকালের দিনই বা  ‍দু’এক দিনের মধ্যেই মীরাস বন্টন করে নেয়া জরুরী। তারপর তারা একত্রেও থাকতে পারে বা পৃথক-পৃথকও থাকতে পারে। তবে পর্দা রক্ষার জন্য পৃথক হয়ে বসবাস করা উত্তম। আমাদের দেশে সকলে মিলে একত্রে থাকাকে ভাল মনে করা হয়, এটা মূলত উত্তম নয়। [প্রমাণঃ আহসানুল ফাতাওয়া ৭:৪৮৬# আদ্দুররুল মুখতার ৬:৩১৬]


ولو لاحدهم اقل من سبع لم يجز عن احد.   (الدر المختار:6/315)