elektronik sigara

জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসা থেকে প্রকাশিত একাডেমিক ক্যালেন্ডার পেতে ক্লিক করুন

হযরতওয়ালা দা.বা. কর্তৃক সংকলিত চিরস্থায়ী ক্যালেন্ডার ডাউনলোড করতে চাইলে এ্যাপের “সর্বশেষ সংবাদ” এ ভিজিট করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা এর লিখিত সকল কিতাব পাওয়ার জন্য এ্যাপের “সর্বশেষ সংবাদ” থেকে তথ্য সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা দা.বা. এর কিতাব অনলাইনের মাধ্যমে কিনতে চাইলে ভিজিট করুনঃ www.maktabatunnoor.com

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

বদলী হজ্জের জন্য উপযুক্ত ব্যক্তি

তারিখ : ১৪ - ফেব্রুয়ারী - ২০১৮  

জিজ্ঞাসাঃ

যদি কেউ দুরারোগ্য ব্যধির কারণে তার ফরয় হজ্জ আদায় করতে সক্ষম না হয়, তাহলে সে কোন্ ধরনের লোককে দিয়ে তার বদলী হজ্জ করাবে? বিস্তারিত জানাবেন?


জবাবঃ


ফরয় হজ্জের বদলী এমন ব্যক্তির দিয়ে করানো উত্তম, যিনি পূর্বে নিজে ফরয হজ্জ আদায় করে নিয়েছেন। আর যদি এমন ব্যক্তি দিয়ে করানো হয়, যিনি পূর্বে নিজে ফরয হজ্জ করেনি, তবে তার মাসাইল সম্পর্কে ভাল জ্ঞান আছে, তাহলেও যে পাঠাবে তার বদলী হজ্জ আদায় হবে। তবে যিনি পূর্বে হজ্জ করেছেন তাকে দিয়েই করানোই উত্তম। অবশ্য নফল হজ্জের বদলী যে কোন ব্যক্তিকে দিয়েই করানো যায়। যদি সে সজ্ঞান, সাবালক মুসলমান হয় এবং হজ্জের মাসায়িল সর্ম্পকে ওয়াকিফহাল হয়, তবে এমন ব্যক্তির জন্য বদলী হজ্জে যাওয়া জায়িয নয় যার উপর হজ্জ ফরয এবং সে ব্যক্তি এখনো সেই ফরয হজ্জ আদায় করেননি। কেননা যার উপর হজ্জ ফরয হয়েছে। তবুও সে তা আদায় করলো না। বরং সে তার ফরয হজ্জ আদায়ে অবহেলা করলো। এমন ব্যক্তির দ্বারা অন্যের বদলী হজ্জের হক কতটুকুই বা পালন হতে পারে?


উল্লেখ্য যে, যিনি বদলী ফরয হজ্জ আদায় করবেন, তার হজ্জে ইফরাদের নিয়্যত করা উত্তম। তবে হজ্জে ক্বিরানের অনুমতি পাওয়া গেলে তাও করতে পারেন। তবে কুরবানী নিজের পক্ষ থেকে করতে হবে। প্রেরণকারীর দেওয়া জরুরী নয়। কিন্তু কোন ক্রমেই হজ্জে‍‍‍ ‘তামাত্তু’-এর নিয়্যত করবেন না। আর যেহেতু হিসাব রেখে অবশিষ্ট টাকা ফেরত দেয়ার অনেক ঝামেলা হয়, এ জন্য প্রেরণকারীর নিকট থেকে প্রদত্ত টাকা খরচের সাধারণ অনুমতি নেয়া উত্তম।    (প্রমাণঃআলমগীরী ১:২৫৭)


وَالْأَفْضَلُ لِلْإِنْسَانِ إذَا أَرَادَ أَنْ يُحِجَّ رَجُلًا عَنْ نَفْسِهِ أَنْ يُحِجَّ رَجُلًا قَدْ حَجَّ عَنْ نَفْسِهِ ، وَمَعَ هَذَا لَوْ أَحَجَّ رَجُلًا لَمْ يَحُجَّ عَنْ نَفْسِهِ حَجَّةَ الْإِسْلَامِ يَجُوزُ عِنْدَنَا وَسَقَطَ الْحَجُّ عَنْ الْآمِرِ ، كَذَا فِي الْمُحِيطِ وَفِي الْكَرْمَانِيِّ الْأَفْضَلُ أَنْ يَكُونَ عَالِمًا بِطَرِيقِ الْحَجِّ وَأَفْعَالِهِ ، وَيَكُونَ حُرًّا عَاقِلًا بَالِغًا.    (الفتاوى الهندية:1/257)