elektronik sigara

আগামী ইজতেমা ২০শে জুমাদাল উখরা, ১৪৪৪ হিজরী ‍মুতাবেক ১৩ই জানুয়ারী, ২০২৩ ঈসায়ী তারিখ শুক্রবার থেকে ২২শে জুমাদাল উখরা, ১৪৪৪ হিজরী মুতাবেক ১৫ই জানুয়ারী, ২০২৩ ঈসায়ী তারিখ রবিবার পর্যন্ত চলবে। অর্থাৎ ১৩,১৪,১৫ জানুয়ারী, ২০২৩। ইজতেমার ময়দানের ম্যাপ ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন

 

ইনশাআল্লাহ জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় দাওয়াতুল হকের মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৬শে জুমাদাল উখরা, ১৪৪৪ হিজরী, ২০ই জানুয়ারী, ২০২৩ ঈসা‘য়ী, শুক্রবার (সকাল ৭-৮টা থেকে শুরু হবে ইনশাআল্লাহ)

হযরতওয়ালা দা.বা. কর্তৃক সংকলিত চিরস্থায়ী ক্যালেন্ডার ডাউনলোড করতে চাইলে এ্যাপের “সর্বশেষ সংবাদ” এ ভিজিট করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা এর লিখিত সকল কিতাব পাওয়ার জন্য এ্যাপের “সর্বশেষ সংবাদ” থেকে তথ্য সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা দা.বা. এর কিতাব অনলাইনের মাধ্যমে কিনতে চাইলে ভিজিট করুনঃ www.maktabatunnoor.com

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

নামাযে চোখ বন্ধ করা

তারিখ : ১৪ - ফেব্রুয়ারী - ২০১৮  

জিজ্ঞাসা:

আমি নামাযের মধ্যে অধিকাংশ সময় দাঁড়ানো এবং বসা অবস্থায় চোখ বন্ধ রাখি। কারণ-এর দ্বারা আমার নামাযে একাগ্রতা সৃষ্টি হয় এবং খুশু-খুজুর ব্যাপারে আমি নিশ্চিত থাকি। ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে এতে আমার নামাযের কোন ক্ষতি হবে কি?


জবাবঃ


সম্পূর্ণ নামাযে চক্ষু বন্ধ করে নামায পড়া মাকরূহে তানযীহী। তবে হ্যাঁ, যদি কেউ নামাযে একাগ্রতা সৃষ্টি করার জন্য মাঝে মধ্যে চক্ষু বন্ধ করে এবং মাঝে মাঝে খোলে, তাহলে নামায মাকরূহ হবে না। যেমন চক্ষু বন্ধ করে কিরা‘আত পড়ে এবং রুকূতে যাওয়ার সময় চোখ খোলে, তাহলে তা জায়িয আছে। তবে সমগ্র নামাযে চক্ষু বন্ধ রাখা যাবে না। মাঝে মধ্যে খুলতে হবে। নতুবা সুন্নাতের পরিপন্থী হওয়ার দরুন মাকরূহ হবে। [প্রমাণ: ফাতাওয়া দারুল উলূম, ৪:১০৯]


وتكره تغميض عينيه للنهي الا لكمال الخشوع- [الدر المختار 1/645 ]


الا لكمال الخشوع بان خاف فوت الخشوع بسبب رؤية مايفرق الخاطر فلا يكره بل قال بعض العلماء انه الاولي- [ رد المحتار 1/645]