elektronik sigara

আগামী ইজতেমা ২০শে জুমাদাল উখরা, ১৪৪৪ হিজরী ‍মুতাবেক ১৩ই জানুয়ারী, ২০২৩ ঈসায়ী তারিখ শুক্রবার থেকে ২২শে জুমাদাল উখরা, ১৪৪৪ হিজরী মুতাবেক ১৫ই জানুয়ারী, ২০২৩ ঈসায়ী তারিখ রবিবার পর্যন্ত চলবে। অর্থাৎ ১৩,১৪,১৫ জানুয়ারী, ২০২৩। ইজতেমার ময়দানের ম্যাপ ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন

 

ইনশাআল্লাহ জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় দাওয়াতুল হকের মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৬শে জুমাদাল উখরা, ১৪৪৪ হিজরী, ২০ই জানুয়ারী, ২০২৩ ঈসা‘য়ী, শুক্রবার (সকাল ৭-৮টা থেকে শুরু হবে ইনশাআল্লাহ)

হযরতওয়ালা দা.বা. কর্তৃক সংকলিত চিরস্থায়ী ক্যালেন্ডার ডাউনলোড করতে চাইলে এ্যাপের “সর্বশেষ সংবাদ” এ ভিজিট করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা এর লিখিত সকল কিতাব পাওয়ার জন্য এ্যাপের “সর্বশেষ সংবাদ” থেকে তথ্য সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা দা.বা. এর কিতাব অনলাইনের মাধ্যমে কিনতে চাইলে ভিজিট করুনঃ www.maktabatunnoor.com

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

নামাযরত অবস্থায় মহিলাদের সতর ঢেকে রাখা

তারিখ : ১৪ - ফেব্রুয়ারী - ২০১৮  

জিজ্ঞাসা:

নামাযরত অবস্থায় মেয়েলোকের সতরের কতটুকু অংশ এবং কতক্ষণের জন্য খোলা থাকলে নামায নষ্ট হয়ে যাবে?


জবাবঃ


নামাযের মধ্যে মহিলাদের মুখমন্ডল, দু’হাত কব্জি পর্যন্ত ও দু’পায়ের পাতা ও আঙ্গুলগুলো খুলে গেলে কোন অসুবিধা হবে না। এসব ব্যতীত সমস্ত শরীর সতরের মধ্যে গণ্য। সুতরাং তা ঢেকে রাখা ফরজ। আর ফরজ তরক হলে নামায নষ্ট হয়ে যাবে। তবে ফরজ তরকের ব্যাপারে বিস্তারিত ইলম থাকা দরকার। বিবরণ অনুযায়ী সতরের অন্তর্ভুক্ত কোন অঙ্গের এক চতুর্থাশেংর কম যদি অনিচ্ছাপূর্বক বা ভুলে খুলে যায় এবং তিন তাসবীহ্ বা তার চেয়ে বেশীক্ষণ খুলে থাকে, তাতেও নামায নষ্ট হবে না। কিন্তু যদি ইচ্ছাপূর্বক এক চতুর্থাংশ সতর সামান্য সময়ের জন্য কেউ খুলে রাখে, তাহলে নামায নষ্ট হয়ে যাবে এবং সেই নামায পুনরায় পড়তে হবে। আর অনিচ্ছাকৃত ভুলে সতরের যে কোন অঙ্গের এক চতুর্থাংশ বা তার চেয়ে বেশী খুলে গেলে, তত্ক্ষণাৎ ঢেকে না দিলে যদি সতর খোলা অবস্থায় নামাযের রুকনসমূহ হতে কোন একটি রুকন আদায় করে অথবা সতর খোলা অবস্থায় এতটুকু সময় নামাযে রত থাকে, যে সময়ে নামাযের কোন একটি সংক্ষিপ্ত একটি রুকন আদায় করা যায়, তাহলে নামায ফাসিদ হয়ে যাবে এবং সে নামায পুনরায় পড়া জরুরী।  [প্রমাণঃ ফাতাওয়া আলমগীরী, ১:৫৮-৫৯ # আহসানুল ফাতাওয়া ৩:৪০২]