elektronik sigara

ইনশাআল্লাহ জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় দাওয়াতুল হকের মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২১শে রবীউস সানী, ১৪৪৪ হিজরী, ১৮ই নভেম্বর, ২০২২ ঈসা‘য়ী, শুক্রবার (সকাল ৭-৮টা থেকে শুরু হবে ইনশাআল্লাহ)

ইনশাআল্লাহ জামি‘আ ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদানিয়া যাত্রাবাড়ী মাদরাসায় বার্ষিক দাওয়াতুল হকের মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে আগামী  ৫ই নভেম্বর, ২০২২ ঈসায়ী, শনিবার।

জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসা থেকে প্রকাশিত একাডেমিক ক্যালেন্ডার পেতে ক্লিক করুন

হযরতওয়ালা দা.বা. কর্তৃক সংকলিত চিরস্থায়ী ক্যালেন্ডার ডাউনলোড করতে চাইলে এ্যাপের “সর্বশেষ সংবাদ” এ ভিজিট করুন।

জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসার বার্ষিক মাহফিল, জামি‘আ রাহমানিয়া মাদরাসা সাত মসজিদ প্রাঙ্গন মুহাম্মাদপুরে অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৯শে অক্টোবর, ২০২২ শনিবার (বাদ থেকে শুরু হবে ইনশাআল্লাহ)

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা এর লিখিত সকল কিতাব পাওয়ার জন্য এ্যাপের “সর্বশেষ সংবাদ” থেকে তথ্য সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা দা.বা. এর কিতাব অনলাইনের মাধ্যমে কিনতে চাইলে ভিজিট করুনঃ www.maktabatunnoor.com

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

নাবালেগ হাফেযের পিছনে তারাবীহ নামায আদায়

তারিখ : ১৪ - ফেব্রুয়ারী - ২০১৮  

জিজ্ঞাসাঃ

রাহমানী পয়গাম “৯৯ জানুয়ারী সংখায় ২৬১ নং প্রশ্নের উত্তরে লেখা রয়েছে-নাবালেগ হাফেজদের পিছনে বালেগ মুসল্লীদের তারাবীহ নামায হবে না। কিন্তু আমাদের এলাকায় এক মুহাদ্দিস সাহেব বলেন যে, নাবালেগ হাফেযজর তারাবীহ নামায পড়ানোর ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে। অর্থাৎ কোন ইমাম বলেছেন, এভাবে তারাবীহ পড়ানো যায়। আবার কোন ইমাম বলেছেন-পড়া যায় না। সেই হিসেবে নাকি মাঝে-মাঝে নাবালেগ হাফেজের পিছনে নামায পড়া যায়। এখন প্রশ্ন হচ্ছে- এই মুহাদ্দিস সাহেবের কথা ঠিক; না রাহমানী পায়গামের বর্ণনা ঠিক?


জবাবঃ


নির্ভরযোগ্য মত অনুযায়ী, নাবালেগ হাফেযের পিছনে তারাবীহ নামায পড়া নাজায়িয। সুতরাং রাহমানী পায়গামের বর্ণনা সঠিক। আর আপনাদের মুহাদ্দিস সাহেবের বর্ণনা দ্বারাও একথা প্রমাণিত হয়। কেননা, তিনি বলেছেন-এর মাঝে মতভেদ আছে। আর যখন কোন মাসআলায় জায়িয-নাজায়িয নিয়ে মতবিরোধ হয়, তখন তা পরিত্যাগ করা উচিত। যাতে মতবিরোধের অবসান হয়। তবে মুহাদ্দিস সাহেবের উচিত ছিল যে, “মতভেদ –এর মধ্যে কোন মতের উপর ফাতওয়া সেটা বলে দেয়া”। যাতে নতুন সমস্যায় পড়তে না হয়। এ ধরনের আরো অনেক মাসআলা রয়েছে, যেগুলোতে মতবিরোধ রয়েছে-কিন্তু সকল ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য মতের উপর আমল করা জরুরি। অনির্ভরযোগ্য মতটির উপর আমল করা জায়িয নয়। সুতরাং মুহাদ্দিস সাহেব ‍মাঝে-মধ্যে আমল করার যে কথা বলেছেন তা সঠিক নয়। উক্ত মুহাদ্দিস সাহেব যদি মুফতী না হয়ে থাকেন তাহলে তার ফাতওয়া না দেওয়া উচিত।