elektronik sigara

জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসা থেকে প্রকাশিত একাডেমিক ক্যালেন্ডার পেতে ক্লিক করুন

হযরতওয়ালা দা.বা. কর্তৃক সংকলিত চিরস্থায়ী ক্যালেন্ডার ডাউনলোড করতে চাইলে এ্যাপের “সর্বশেষ সংবাদ” এ ভিজিট করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা এর লিখিত সকল কিতাব পাওয়ার জন্য এ্যাপের “সর্বশেষ সংবাদ” থেকে তথ্য সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা দা.বা. এর কিতাব অনলাইনের মাধ্যমে কিনতে চাইলে ভিজিট করুনঃ www.maktabatunnoor.com

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

টিভিতে হজ্জ দেখা

তারিখ : ১৪ - ফেব্রুয়ারী - ২০১৮  

জিজ্ঞাসাঃ

টিভিতে প্রচারিত হজ্জের কার্যসমূহ দেখার ব্যাপারে শরী‘আতের দৃষ্টিতে কোন নিষেধ আছে কি-না? যদি নিষেধ থাকে, তাহলে কেন? আর সরাসরি সম্প্রচার করা বা পূর্বে ভিডিও করে সম্প্রচার করার মাঝে কোন পার্থক্য আছি কি-না? বিস্তারিত জানতে ইচ্ছুক।


জবাবঃ


বর্তমানে প্রচলিত টিভিতে কোন অনুষ্ঠান দেখা বা দেখানোর অনুমতি শরী‘আতে নেই। বরং সকল প্রকার অনুষ্ঠান দেখাই কবীরা গুনাহ ও হারাম। যদিও সেটা ইসলামী অনুষ্ঠান হয়। সুতরাং হজ্জের কার্যাবলীও টিভিতে দেখা জায়িয হবে না। সরাসরি সম্প্রচার করা হোক-অথবা পূর্বে উক্ত দৃশ্য যন্ত্রের সাহায্যে ধারণ করে পরে সম্প্রচার করা হোক। এতদুভয়ের মাঝে কোন তফাৎ নেই। কেননা, ফিল্ম কোম্পানী এ কাজ করতে যে সকল যন্ত্র ব্যবহার করে থাকে, সবই খেল-তামাশার বস্তু। আর এমন বস্তুকে দ্বীনের মৌলিক ইবাদতের মধ্যে প্রবেশ করানো দ্বীনের অবমাননা  ও দ্বীনকে তামাশার বস্তুতে পরিণত করার নামান্তর। আর এতদ সম্পর্কে পরিত্র কুরআনে ভয়াবহ আযাবের কথা ঘোষণা দেয়া হয়েছে।


তাছাড়া হজ্জের অধিকাংশ কার্যক্রমই হল আমলে তা’আব্বুদী তথা শরী‘আত কর্তৃক অবধারিত হুকুম। যার মাঝে যুক্তির বিন্দুমাত্র অবকাশও নেই। সুতরাং ইসলাম বিরোধীরা যখন এ ধরনের বিষয় টিভিতে দেখবে, তখন তারা অহেতুক যুক্তির পেছনে পড়ে নিজেদের শরী‘আত বিরোধী দাবীসমূহ প্রমাণের অপপ্রয়াস চালাবে। আর দ্বীনের এসব বিষয় নিয়ে উপহাস করতে থাকবে।


শুধু তাই নয়; বরং হজ্জের অনুষ্ঠান দেখার সময় বেগানা মহিলাদের চেহারা থেকে মুক্ত থাকাও সম্ভব নয়। যেমন, অনুষ্ঠান আরম্ভ হওয়ার ঘোষণা সাধারণতঃ মেয়েরাই দিয়ে থাকে। অতঃপর মাঝেমাঝে বিভিন্ন জিনিসের নাজায়িয বিজ্ঞাপন প্রচার করা হয়ে থাকে। যেগুলো দর্শন করা শরী‘আত সম্মত নয়।


প্রকাশ থাকে যে, টিভির অনুষ্ঠানমালা যদি পুর্বে ধারণ করে সম্প্রচার করা হয়, তাহলে সেটা ফটো ও ছবি ব্যবহার করার হুকুমে পড়বে-যা সম্পূর্ণ হারাম। পক্ষান্তরে যদি পূর্বে ধারণ না করে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়, তাহলে দ্বীন ও ইবাদতকে তামাশার বস্তুতে রুপান্তরিত করার কারণে তা নাজায়িয হবে।


(প্রমাণঃ সূরা লুকমান, আয়াত ৬# সূরা নূর, আয়াত ৩০-৩১# মিশকাত খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ২৭০# ইমদাদুল মুফতীনঃ খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ৯৯১# জাওয়াহিরুল ফিকহঃ খণ্ড ৪, পৃষ্ঠা ৮৫-৮৬# ফাতাওয়া মাহমূদিয়াঃ খণ্ড ৯, পৃষ্ঠা ৪১৮-৪১৯# নিযামুল ফাতাওয়াঃ খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ৯৯-১০১# ফাতাওয়া রহীমিয়াঃ খণ্ড ৬, পৃষ্ঠা ২৯২-৩০০)