elektronik sigara

জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসা থেকে প্রকাশিত একাডেমিক ক্যালেন্ডার পেতে ক্লিক করুন

হযরতওয়ালা দা.বা. কর্তৃক সংকলিত চিরস্থায়ী ক্যালেন্ডার ডাউনলোড করতে চাইলে এ্যাপের “সর্বশেষ সংবাদ” এ ভিজিট করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা এর লিখিত সকল কিতাব পাওয়ার জন্য এ্যাপের “সর্বশেষ সংবাদ” থেকে তথ্য সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা দা.বা. এর কিতাব অনলাইনের মাধ্যমে কিনতে চাইলে ভিজিট করুনঃ www.maktabatunnoor.com

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

চাকুরীস্থল থেকে নিজ বাড়ীতে গেলে জামা‘আতের সহিত কসর আদায়ের নিয়ম

তারিখ : ১৪ - ফেব্রুয়ারী - ২০১৮  

জিজ্ঞাসাঃ

চাকুরীস্থল বর্তমানে আমার স্থায়ী ঠিকানা। চাকুরীস্থল থেকে যদি নিজ গ্রামের বাড়ীতে ২/৪ দিনের জন্য বেড়াতে যাই, তাহলে কি নামায কসর পড়তে হবে? আমার গ্রামের বাড়ী চাকুরীস্থল থেকে ৪৮ মাইল দূরে।

জামা‘আতের সহিত কসর নামায পড়তে হলে, কি নিয়মে পড়তে হবে? যেমন- ইমাম সাহেব ৪ রাকা‘আত যুহরের ফরয নামাযের নিয়্যত করলেন। আমি ‍দুই রাকা‘আত কিভাবে পড়বো? আর ইমাম সাহেব মুসাফির হলে, মুক্তাদী মুকীম হলে, নামায কিভাবে পড়বে?


জবাবঃ


আপনার নিজ গ্রামের বাড়ীতে যদি আপনার ঘর-বাড়ী থাকে এবং সেখানে আপনার পরিবার-পরিজন বসবাস করে এবং আপনি সেখানেই পরিবার-পরিজন রেখে হায়াত কাটানোর ইচ্ছা রাখেন, তাহলে সেক্ষেত্রে আপনার নিজ গ্রামের বাড়ীটি ওয়াতনে আসলী (আসল বাড়ী) গণ্য হবে এবং চাকুরীস্থলটি ওয়াতনে ইকামত (অবস্থান বাড়ী) গণ্য হবে। এ ক্ষেত্রে চাকুরী স্থলে ১৫ দিন থাকার নিয়ত করলে, সেক্ষেত্রে আপনি মুকীম হবেন এবং পূর্ণ নামায পড়বেন। আর যদি সেখানে ১৫ দিন থাকার নিয়ত না করেন, তাহলে মুসাফির সাব্যস্ত হবেন। সেক্ষেত্রে ৪ রাকা‘আতওয়ালা ফরয নামায একা পড়লে বা শুধু মুসাফিরগণ মিলে জামা‘আত করলে, ফরয নামায ২ রাকা‘আত পড়বেন।


গ্রামের বাড়ী ওয়াতনে আসলী হওয়ায় ২/৪ দিনের জন্য বেড়াতে গেলেও আপনাকে পুরা নামায পড়তে হবে।


আর যদি আপনি নিজ বাড়ী ছেড়ে দিয়ে চাকুরীস্থলকে স্থায়ী বাড়ী বানিয়ে ফেলেন। আপনার পরিবার পরিজনকে চাকুরীস্থলের বাড়ীতে রাখেন এবং সেখানেই অবশিষ্ট হায়াত কাটানোর নিয়্যত রাখেন, তাহলে সেটাই আপনার জন্য ওয়াতনে আসলী গণ্য হবে এবং সেক্ষেত্রে নিজ গ্রামের বাড়ীতে ২/৪ দিনের জন্য বেড়াতে গেলে কসর পড়তে হবে।


ইমাম সাহেব যদি মুকীম হন, আর মুক্তাদী মুসাফির হয়, তাহলে ‍মুকীম ইমামের পিছনে ইক্তিদা করার কারণে মুসাফির মুক্তদীকেও চার রাকা‘আত পুরা পড়তে হবে। আর যদি ইমাম সাহেব মুসাফির হন মুক্তাদীগণও মুসাফির, তাহলে চার রাকা‘আত ফরয নামায সকলেই দুরাকা‘আত পড়বেন। আর যদি ইমাম মুসাফির হন, আর মুক্তাদীগণ মুকীম হয়, তাহলে মুসাফির ইমাম সাহেব দুই রাকা‘আত পড়ে সালাম ফিরিয়ে দিবেন। আর মুকীম মুক্তাদীগণ বাকী দু’রাকা‘আত কিরা‘আত ছাড়া নিজে নিজে পড়ে নিবেন। (শামী ২:১২৯-৩০-৩২ পৃ:)


وصح اقتداء المقيم بالمسافر في الوقت وبعده وندب للامام ان يقول بعد التسليمتين في الاصح اتموا صلاتكم فاني مسافر لدفع توهم انه سها و اما اقتداء المسافر بالمقيم فيصح في الوقت و يتم لا بعده فيما يتغير - الخ