elektronik sigara

জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসা থেকে প্রকাশিত একাডেমিক ক্যালেন্ডার পেতে ক্লিক করুন

হযরতওয়ালা দা.বা. কর্তৃক সংকলিত চিরস্থায়ী ক্যালেন্ডার ডাউনলোড করতে চাইলে এ্যাপের “সর্বশেষ সংবাদ” এ ভিজিট করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা এর লিখিত সকল কিতাব পাওয়ার জন্য এ্যাপের “সর্বশেষ সংবাদ” থেকে তথ্য সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা দা.বা. এর কিতাব অনলাইনের মাধ্যমে কিনতে চাইলে ভিজিট করুনঃ www.maktabatunnoor.com

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

গান বাজনাকারী ইমামের পিছনে ইক্তিদা

তারিখ : ১৪ - ফেব্রুয়ারী - ২০১৮  

জিজ্ঞাসাঃ

আমাদের এলাকায় একটি মসজিদে ইমাম সাহেব যৌবন বয়সে দোতারা বাজিয়ে গান-বাজনা করতেন। এরপর কোন এক পীরের মুরীদ হয়ে ভাল হয়ে গিয়েছিলেন। এখন দেখা যাচ্ছে যে, মাঝে-মাঝে গোপনে কয়েক জনকে গান-বাজনা শিখাচ্ছেন। এখন ঐ ইমামের পিছনে নামায হবে কি-না ? দলীলসহ জানালে উপকৃত হবো।

 


জবাবঃ


শরী‘আতে গান-বাজনা সম্পূর্ণ হারাম ও কবীরা গুনাহ। গান-বাদ্য শিক্ষা করা এবং শিক্ষা দেয়া উভয়টাই কবীরা গুনাহ। আর যে ব্যক্তি কবীরা গুনাহে লিপ্ত থাকে সে ফাসিক। আর ফাসিকের পিছনে নামায পড়া এবং তার জন্য ইমামতী করা দুইটিই মাকরূহে তাহরীমী।


সুতরাং প্রশ্নে বর্ণিত ইমাম সাহেব পূর্বে যৌবন বয়সের গান-বাজনা করা থেকে তাওবা করে অতঃপর তাওবার আলামত প্রকাশ হওয়ার পর অর্থাৎ আমল আখলাক দুরস্ত হয়ে যাওয়ার পর তার পিছনে ইকতেদা এবং ইমামের জন্য নামায পড়ানো জায়িয হয়েছিল।


কিন্তু বর্ণনা অনুযায়ী বর্তমানে সত্যিই যদি গোপনে বা প্রকাশ্যে গান-বাজনা শিখায় তাহলে তিনি আবারও কবীরা গুণাহে লিপ্ত হওয়ার কারণে তার পিছনে নামায মাকরূহে তাহরীমী হবে। তবে যদি কেউ না জানার কারণে বা কাছে-ধারে অন্য মসজিদ না থাকার কারণে বা অন্য কোন শর‘ই উযরের দরুন তার পিছনে ইকতেদা করে তার নামায মাকরূহ হবে না।