elektronik sigara

আগামী ইজতেমা ২০শে জুমাদাল উখরা, ১৪৪৪ হিজরী ‍মুতাবেক ১৩ই জানুয়ারী, ২০২৩ ঈসায়ী তারিখ শুক্রবার থেকে ২২শে জুমাদাল উখরা, ১৪৪৪ হিজরী মুতাবেক ১৫ই জানুয়ারী, ২০২৩ ঈসায়ী তারিখ রবিবার পর্যন্ত চলবে। অর্থাৎ ১৩,১৪,১৫ জানুয়ারী, ২০২৩। ইজতেমার ময়দানের ম্যাপ ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন

 

ইনশাআল্লাহ জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় দাওয়াতুল হকের মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৬শে জুমাদাল উখরা, ১৪৪৪ হিজরী, ২০ই জানুয়ারী, ২০২৩ ঈসা‘য়ী, শুক্রবার (সকাল ৭-৮টা থেকে শুরু হবে ইনশাআল্লাহ)

হযরতওয়ালা দা.বা. কর্তৃক সংকলিত চিরস্থায়ী ক্যালেন্ডার ডাউনলোড করতে চাইলে এ্যাপের “সর্বশেষ সংবাদ” এ ভিজিট করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা এর লিখিত সকল কিতাব পাওয়ার জন্য এ্যাপের “সর্বশেষ সংবাদ” থেকে তথ্য সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা দা.বা. এর কিতাব অনলাইনের মাধ্যমে কিনতে চাইলে ভিজিট করুনঃ www.maktabatunnoor.com

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

আত্মহত্যাকারীর জানাযার নামায ও তার পরিণাম

তারিখ : ১৪ - ফেব্রুয়ারী - ২০১৮  

জিজ্ঞাসাঃ

কোন মুসলমান যদি কীটনাশক ঔষধ পান করে অথবা গলায় ফাঁসি দিয়ে আত্মহত্যা করে, তাহলে তার জানাযা পড়া যাবে কি? এবং এর পরিণতিতে তাকে কিরুপ শাস্তি ভোগ করতে হবে?


জবাবঃ


আত্মহত্যা মহাপাপ- এতে বিন্দুমাত্রও সন্দেহের অবকাশ নেই, তবে ইসলামী শরী‘আতে সকল মুসলমানের জানাযা পড়ার নির্দেশ রয়েছে। তাই এমন ব্যক্তিরও জানাযা পড়তে হবে। তবে সমাজের বরেণ্য ও অনুসরণীয় আলিমগণ মানুষকে এ অন্যায়ের জঘন্যতা বুঝানোর জন্য এরুপ ব্যক্তির জানাযায় অংশগ্রহণ করা থেকে যদি বিরত থাকেন, তাহলে এরও অবকাশ আছে। তবে তার আত্মীয়-স্বজন ও সাধারণ লোকেরা অবশ্যই তার জানাযার নামাযের ব্যবস্থা করবে। জানাযার নামায না পড়ে দাফন করবে না।


আর আত্মহত্যার শাস্তির ভয়াবহতা সম্পর্কে একটি হাদীসে ইরশাদ হয়েছে- “যে ব্যক্তি যেভাবে আত্মহত্যা করবে, সে সেভাবেই জাহান্নামে শাস্তি ভোগ করতে থাকবে।” উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়, যে ব্যক্তি কীটনাশক ঔষধ পান করে আত্মহত্যা করবে, সে জাহান্নামেও তাই পান করতে থাকবে এবং উক্ত কীটনাশক পান করার দরুন যন্ত্রণা ভোগ করতে থাকবে। অন্য হাদীসে ইরশাদ হয়েছে- “আত্মহত্যাকারী চিরকাল জাহান্নামে থাকবে। অথাৎ তার শাস্তি খুব কঠিন ও দীর্ঘায়িত হবে। (প্রমাণঃ আদু-দুররুল মুখতার ২:২১১# ফাতাওয়া শামী ২:২১১# মিশকাত শরীফ ৫২-৫৪)