elektronik sigara

সুখবর! সুখবর!! সুখবর!!! হযরতওয়ালা দা.বা. এর গুরত্বপূর্ণ ২ টি নতুন কিতাব বেড়িয়েছে। “নবীজীর (সা.) নামায” এবং “খ্রিষ্টধর্ম কিছু জিজ্ঞাসা ও পর্যালোচনা”।  আজই সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা দা.বা. এর কিতাব অনলাইনের মাধ্যমে কিনতে চাইলে ভিজিট করুনঃ www.maktabatunnoor.com

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. এর সমস্ত কিতাব, বয়ান, প্রবন্ধ, মালফুযাত পেতে   ইসলামী যিন্দেগী  App টি সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

উমরী কাযা নামায

তারিখ : ২৫ - মার্চ - ২০১৮  

প্রশ্নঃ

উমরী কাযা নামাযের পদ্ধতী কী?


জবাবঃ ওয়াক্তিয়া নামায ও উমরী কাযার নিয়ম-কানুনে তেমন কোন পার্থক্য নেই । তবে নিয়্যাতের বেলায় এভাবে বলবে যে আমার যিন্দেগীর প্রথম ফযর/ যোহর / আসর-এর কাযা আদায় করছি । প্রত্যেক ওয়াক্তে এভাবে নিয়ত করতে থাকবে । কত দিনের উমরী কাযা পড়বে তার হিসাব করার নিয়ম হচ্ছে প্রথমে গভীর ভাবে চিন্তা করবে । চিন্তা করে নিজের প্রবল ধারণা অনুযায়ী কত বছর কতমাস হয় তার সিদ্ধান্ত করে নিবে । এরপর ‍উক্ত হিসাবটা নোট করে নিবে এবং এ হিসাবকেই চূড়ান্ত হিসেবে ধরে নিতে হবে । অতঃপর নিজের সুবিধা মত যখন যে নামাযের কাযা পড়ার সুযোগ হয় তাই পড়বে । তবে প্রত্যেক ওয়াক্তের সাথে ঐ ওয়াক্তের উমরী কাযা পড়া হিসাব রাখার জন্য সুবিধাজনক । কোন ওয়াক্ত ছুটে গেলে রাত্রে তা পুরা করে নিবে । এভাবে এক দিনে কমপক্ষে এক দিনের উমরী কাযা করে নিবে । এভাবে যা পড়া হবে তা থেকে বাদ দিবে । এভাবে সব নামায হয়ে গেলে ভাল । নতূবা যিন্দেগীর শেষ মুহুর্তে অবশিষ্ট নামাযের ফিদয়া দেয়ার ওসীয়ত করে যাবে । উল্লেখ্য যে, সুন্নাত নামাযের কাযা নেই । শুধু ফরয ও বিতরের কাযা করতে হবে । [প্রমাণঃ মারাকিল ফালাহ, ৩৬২-৩৬৩ # হিদায়া, ১ : ১৫৫, # হালবী কাবীর, ৫২৯ # ফাতাওয়া শামী, ২ : ৬৮ # দারুল উলূম, ৪ : ৩৩২, # ইমদাদুল ফাতাওয়া, ১ : ৩৩৭ # কিফায়াতুল মুফতী, ৩ : ৩৩৭]


واذا كثرت الفوائت يحتاج لتعيين كل صلاة يقضيها لتزاحم الفروض والاوقات...... فاذا اراج تسهيل الامر عليه نوى اول ظهر عليه ادرك وقته ولم يصله فاذا نواه كذلك فيما يصليه يصير اولا فيصح بمثل ذلك.  (مراقي الفلاح:362)