elektronik sigara

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর সমস্ত কিতাব, বয়ান, প্রবন্ধ, মালফুযাত পেতে   ইসলামী যিন্দেগী  App টি সংগ্রহ করুন।

প্রতিদিন আমল করার জন্য “দৈনন্দিন আমল ও দু‘আসমূহ” নামক একটি গুরত্বপূর্ণ কিতাব আপলোড করা হয়েছে।

ইনশাআল্লাহ জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় দাওয়াতুল হকের মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ঈসায়ী।

সুখবর! সুখবর!! সুখবর!!! হযরতওয়ালা দা.বা. এর গুরত্বপূর্ণ ২ টি নতুন কিতাব বেরিয়েছে। “নবীজীর (সা.) নামায” এবং “খ্রিষ্টধর্ম কিছু জিজ্ঞাসা ও পর্যালোচনা”।  আজই সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

হাযির-নাযির

তারিখ : ১৪ - ফেব্রুয়ারী - ২০১৮  

জিজ্ঞাসাঃ

জনৈক মাওলানা সাহেব বলেছেন এবং ফাতওয়াও দিয়েছেন যে, নবী করীম ﷺ হাযির-নাযির।  এটাই তিনি বিশ্বাস করেন। এ ফাতওয়াটা কতটুকু সত্য? হানাফী মাযহাব অনুযায়ী বিস্তারিতভাবে জানালে অত্র এলাকাবাসী উপকৃত হবে।


জবাবঃ


সর্বত্র হাযির-নাযির থাকা একমাত্র আল্লাহ তা‘আলার ছিফাত। কোন নবী বা ওলী সব জায়গায় হাযির-নাযির হতে পারেন না। আল্লাহ তা‘আলার ছিফাতের সঙ্গে বান্দাকে মিলানো কুফর ও শিরক। এ ধরনের বিশ্বাস দ্বারা ঈমান চলে যায়। হাদীস শরীফে এসেছে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, তোমরা আমার উপর দরূদ শরীফ পড়লে ফিরিস্তাদের মাধ্যমে তোমাদের নাম ও গোত্রসহ তা আমার নিকট পৌঁছানো হয়।


[নাসাঈ শরীফ ১:১৪৩]


নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাযির-নাযির কুরআন ও হাদীসে এর কোন প্রমাণ নেই। যারা এ রকম বিশ্বাস রাখে, তারা গোমরাহ এবং বিদ’আতী। এটা শুধু হানাফী মাযহাবেরই নয় বরং সকল আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের আকীদা। তাদের পিছনে নামায মাকরূহ তাহরীমী হবে। এ ব্যাপারে আরো বিস্তারিত জানতে হলে দেখুনঃ [(১) শরীয়ত ইয়া জাহালাত ৩৮০ পৃঃ। # মিশকাত শরীফ ১:৮৬২, # জাওয়াহিরুল ফিকহ ১:২১৭, # দারিমী শরীফ ৪১৬, # আহসানুল ফাতাওয়া ১:৩৪৭, # মাহমূদিয়া ১:১৮৮, # কিফায়াতুল মুফতী ১:১৫০]


তবে একথা ঠিক যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বীয় কবরে জীবিত আছেন এবং প্রতি সপ্তাহে দুদিন তাঁর সামনে ফিরিশতাদের মাধ্যমে উম্মতের আমল পেশ করা হয়।  [বাযযাযীয়া ৩:৩২৬]