elektronik sigara

জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসা থেকে প্রকাশিত একাডেমিক ক্যালেন্ডার পেতে ক্লিক করুন

হযরতওয়ালা দা.বা. কর্তৃক সংকলিত চিরস্থায়ী ক্যালেন্ডার ডাউনলোড করতে চাইলে এ্যাপের “সর্বশেষ সংবাদ” এ ভিজিট করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা এর লিখিত সকল কিতাব পাওয়ার জন্য এ্যাপের “সর্বশেষ সংবাদ” থেকে তথ্য সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর সমস্ত কিতাব, বয়ান, প্রবন্ধ, মালফুযাত পেতে ইসলামী যিন্দেগী  App টি সংগ্রহ করুন।

প্রতিদিন আমল করার জন্য “দৈনন্দিন আমল ও দু‘আসমূহ” নামক একটি গুরত্বপূর্ণ কিতাব আপলোড করা হয়েছে।

হযরতওয়ালা দা.বা. এর কিতাব অনলাইনের মাধ্যমে কিনতে চাইলে ভিজিট করুনঃ www.maktabatunnoor.com

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

নবী করীম ﷺ হাযির-নাযির কি না

তারিখ : ১৪ - ফেব্রুয়ারী - ২০১৮  

জিজ্ঞাসাঃ

জনৈক মাওলানা সাহেব বলেছেন এবং ফাতওয়াও দিয়েছেন যে, নবী করীম ﷺ হাযির-নাযির।  এটাই তিনি বিশ্বাস করেন। এ ফাতওয়াটা কতটুকু সত্য? হানাফী মাযহাব অনুযায়ী বিস্তারিতভাবে জানালে অত্র এলাকাবাসী উপকৃত হবে।


জবাবঃ


সর্বত্র হাযির-নাযির থাকা একমাত্র আল্লাহ তা‘আলার ছিফাত। কোন নবী বা ওলী সব জায়গায় হাযির-নাযির হতে পারেন না। আল্লাহ তা‘আলার ছিফাতের সঙ্গে বান্দাকে মিলানো কুফর ও শিরক। এ ধরনের বিশ্বাস দ্বারা ঈমান চলে যায়। হাদীস শরীফে এসেছে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, তোমরা আমার উপর দরূদ শরীফ পড়লে ফিরিস্তাদের মাধ্যমে তোমাদের নাম ও গোত্রসহ তা আমার নিকট পৌঁছানো হয়। [নাসাঈ শরীফ ১:১৪৩]


নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাযির-নাযির কুরআন ও হাদীসে এর কোন প্রমাণ নেই। যারা এ রকম বিশ্বাস রাখে, তারা গোমরাহ এবং বিদ’আতী। এটা শুধু হানাফী মাযহাবেরই নয় বরং সকল আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের আকীদা। তাদের পিছনে নামায মাকরূহ তাহরীমী হবে। এ ব্যাপারে আরো বিস্তারিত জানতে হলে দেখুনঃ [(১) শরীয়ত ইয়া জাহালাত ৩৮০ পৃঃ। # মিশকাত শরীফ ১:৮৬২, # জাওয়াহিরুল ফিকহ ১:২১৭, # দারিমী শরীফ ৪১৬, # আহসানুল ফাতাওয়া ১:৩৪৭, # মাহমূদিয়া ১:১৮৮, # কিফায়াতুল মুফতী ১:১৫০]


তবে একথা ঠিক যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বীয় কবরে জীবিত আছেন এবং প্রতি সপ্তাহে দুদিন তাঁর সামনে ফিরিশতাদের মাধ্যমে উম্মতের আমল পেশ করা হয়।  [বাযযাযীয়া ৩:৩২৬]