elektronik sigara

প্রতিদিন আমল করার জন্য “দৈনন্দিন আমল ও দু‘আসমূহ” নামক একটি গুরত্বপূর্ণ কিতাব আপলোড করা হয়েছে।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা এর সৌদি আরবের নাম্বার 05 77 58 56 34

ইনশাআল্লাহ জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় দাওয়াতুল হকের মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৯ শে জুলাই, ২০১৯ ঈসায়ী।

সুখবর! সুখবর!! সুখবর!!! হযরতওয়ালা দা.বা. এর গুরত্বপূর্ণ ২ টি নতুন কিতাব বেড়িয়েছে। “নবীজীর (সা.) নামায” এবং “খ্রিষ্টধর্ম কিছু জিজ্ঞাসা ও পর্যালোচনা”।  আজই সংগ্রহ করুন।

হাজী সাহেবানদের জন্য এক নজরে হজের ৭ দিনের করণীয় ডাউনলোড করুন

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর সমস্ত কিতাব, বয়ান, প্রবন্ধ, মালফুযাত পেতে   ইসলামী যিন্দেগী  App টি সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

সিজদায় যাওয়ার সঠিক পদ্ধতি

তারিখ : ১৪ - ফেব্রুয়ারী - ২০১৮  

জিজ্ঞাসাঃ

সিজদায় যাওয়ার সঠিক পদ্ধতি কি ? অনেকে বলেন, হাঁটুতে ভর করে সিজাদাতে যাওয়ায় দু’টো রুকু হয়ে যায়। এ কথাটি কি ঠিক ?


জবাবঃ


সিজদায় যাওয়ার সঠিক পদ্ধতি হল নিজের সিনা সম্পূর্ণ সোজা রেখে প্রথমে দু’হাঁটু জমিনের উপর রাখবে। দু’হাঁটু জমিনে রাখার পর সীনা ঝুকিয়ে দুই হাতের তালু জমিনে রাখবে। অতঃপর নাক, এরপরে কপাল রাখবে। হাঁটুতে ভর করতে গিয়ে যদি বিনা ওযরে সীনা সামনের দিকে ঝুঁকে যায়, তাহলে তার দ্বারা দ্বিতীয় আরেকটি রুকু হয়ে যায়, যদ্বারা নামায মাকরূহে তাহরীমী হয়ে যায়। অতএব আপনি যা শুনেছেন, তা ঠিক। এজন্য অনেকে বলেছেন যে, হাঁটুতে হাত না রেখে যাওয়া ভাল। কারণ, তাতে এক রাকা‘আতে দুই রুকূ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। তবে কেউ যদি হাঁটুতে হাত দিয়ে সীনা না ঝুঁকিয়ে সিজদায় যায়, তাহলে কোন অসুবিধা নেই। মোদ্দাকথা, সিজদায় যাওয়ার সময় হাত কোথায় থাকবে, তার স্পষ্ট কোন বর্ণনা হাদীসে নেই। সুতরাং হাঁটুতে হাত ‍দিয়ে বা না দিয়ে উভয় ভাবে সিজদায় যেতে পারবে। কিন্তু সীনা সোজা রেখে যাবে। [প্রমাণঃ ফাতাওয়া শামী, ১ : ৪৯৭ # আহসানুল ফাতাওয়া, ৩ : ৩৩]