elektronik sigara

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা এর লিখিত সকল কিতাব পাওয়ার জন্য ক্লিক করুন

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর সমস্ত কিতাব, বয়ান, প্রবন্ধ, মালফুযাত পেতে   ইসলামী যিন্দেগী  App টি সংগ্রহ করুন।

প্রতিদিন আমল করার জন্য “দৈনন্দিন আমল ও দু‘আসমূহ” নামক একটি গুরত্বপূর্ণ কিতাব আপলোড করা হয়েছে।

ইনশাআল্লাহ জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় দাওয়াতুল হকের মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ ঈসায়ী।

সুখবর! সুখবর!! সুখবর!!! হযরতওয়ালা দা.বা. এর গুরত্বপূর্ণ ২ টি নতুন কিতাব বেরিয়েছে। “নবীজীর (সা.) নামায” এবং “খ্রিষ্টধর্ম কিছু জিজ্ঞাসা ও পর্যালোচনা”।  আজই সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

শবে-বরাতে প্রচলিত প্রথা

তারিখ : ১৪ - ফেব্রুয়ারী - ২০১৮  

জিজ্ঞাসাঃ

আমাদের এলাকায় প্রায় সর্বত্র শবে-বরাত উপলক্ষে হালুয়া, রুটি ও খিচুড়ী বিতরণ এবং মসজিদ আলোকসজ্জা করা হয়। খুব আতশবাজি করা হয়। ইসলামী শরী‘আত মতে তা কতটুকু সঠিক।

 


জবাবঃ


শবে-বরাতের ফযীলত “হাসান” হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। কিন্তু দীনী যে কোন বিষয় পালন করতে হলে তা অবশ্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া-সাল্লাম ও সাহাবায়ে কিরামের নির্দেশিত পদ্ধতিতে হতে হবে। মনগড়া ও ভিত্তিহীন পদ্ধতিতে দীনী কোন বিষয়ের উপর আমল করা বিদ‘আত, গোমরাহী ও গোনাহের কাজ। শবে-বরাতে নামায, তিলাওয়াত, যিকির, দু’আ-ইস্তিগফার এবং দিনের বেলায় রোযা রাখা হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। সুতরাং শবে-বরাতের করণীয় কাজগুলোর মধ্যে আমাদের আমল সীমিত রাখা জরুরী।


শবে-বরাতের হালুয়া, রুটি বা খিচুড়ী বিতরণ এসব কিছুই প্রমাণিত নেই। সুতরাং এসব কাজকে শবে-বরাতের করণীয় এবং সাওয়াবের কাজ মনে করলে গোনাহ হবে। তেমনিভাবে আলোকসজ্জা অগ্নিপুজকদের ধর্মীয় নির্দশন। সুতরাং তা পালন করা মুসলমানদের জন্য নাজায়িয। আর আতশবাজি তো অনেকগুলো গোনাহের সমষ্টি। যেমন- (ক) অপচয় (খ) আতংক সৃষ্টি (গ) লোকদের জান-মালের ক্ষতি (ঘ) নিজে বরকতের রাত্রে ইবাদত থেকে বঞ্চিত থাকা (ঙ) অন্যদের ইবাদত-বন্দেগীতে বাধা সৃষ্টি করা ইত্যাদি। এগুলোর প্রত্যেকটা হারাম এবং গোনাহে কাবীরা। সুতরাং মুসলমানদের জন্য এগুলো থেকে বিরত থাকা এবং সন্তানকে বিরত রাখা অপরিহার্য কর্তব্য।


[প্রমাণঃ মুসলিম শরীফ, ১:৩৬১ # ফাতাওয়া বায্‌যাযিয়া, ৩:৩২৬ # তাতারখানিয়া, ১:২৩৪ # আহসানুল ফাতাওয়া, ১:৩৯১ # ইমদাদুল মুফ্‌তীন, ১৭৪ # ফাতাওয়া মাহমূদিয়া ১:৩০৬]