elektronik sigara

ইনশাআল্লাহ জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় দাওয়াতুল হকের মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২১শে রবীউস সানী, ১৪৪৪ হিজরী, ১৮ই নভেম্বর, ২০২২ ঈসা‘য়ী, শুক্রবার (সকাল ৭-৮টা থেকে শুরু হবে ইনশাআল্লাহ)

ইনশাআল্লাহ জামি‘আ ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদানিয়া যাত্রাবাড়ী মাদরাসায় বার্ষিক দাওয়াতুল হকের মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে আগামী  ৫ই নভেম্বর, ২০২২ ঈসায়ী, শনিবার।

জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসা থেকে প্রকাশিত একাডেমিক ক্যালেন্ডার পেতে ক্লিক করুন

হযরতওয়ালা দা.বা. কর্তৃক সংকলিত চিরস্থায়ী ক্যালেন্ডার ডাউনলোড করতে চাইলে এ্যাপের “সর্বশেষ সংবাদ” এ ভিজিট করুন।

জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসার বার্ষিক মাহফিল, জামি‘আ রাহমানিয়া মাদরাসা সাত মসজিদ প্রাঙ্গন মুহাম্মাদপুরে অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৯শে অক্টোবর, ২০২২ শনিবার (বাদ থেকে শুরু হবে ইনশাআল্লাহ)

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা এর লিখিত সকল কিতাব পাওয়ার জন্য এ্যাপের “সর্বশেষ সংবাদ” থেকে তথ্য সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা দা.বা. এর কিতাব অনলাইনের মাধ্যমে কিনতে চাইলে ভিজিট করুনঃ www.maktabatunnoor.com

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

শবে-বরাতে প্রচলিত প্রথা

তারিখ : ১৪ - ফেব্রুয়ারী - ২০১৮  

জিজ্ঞাসাঃ

আমাদের এলাকায় প্রায় সর্বত্র শবে-বরাত উপলক্ষে হালুয়া, রুটি ও খিচুড়ী বিতরণ এবং মসজিদ আলোকসজ্জা করা হয়। খুব আতশবাজি করা হয়। ইসলামী শরী‘আত মতে তা কতটুকু সঠিক।

 


জবাবঃ


শবে-বরাতের ফযীলত “হাসান” হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। কিন্তু দীনী যে কোন বিষয় পালন করতে হলে তা অবশ্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া-সাল্লাম ও সাহাবায়ে কিরামের নির্দেশিত পদ্ধতিতে হতে হবে। মনগড়া ও ভিত্তিহীন পদ্ধতিতে দীনী কোন বিষয়ের উপর আমল করা বিদ‘আত, গোমরাহী ও গোনাহের কাজ। শবে-বরাতে নামায, তিলাওয়াত, যিকির, দু’আ-ইস্তিগফার এবং দিনের বেলায় রোযা রাখা হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। সুতরাং শবে-বরাতের করণীয় কাজগুলোর মধ্যে আমাদের আমল সীমিত রাখা জরুরী।


শবে-বরাতের হালুয়া, রুটি বা খিচুড়ী বিতরণ এসব কিছুই প্রমাণিত নেই। সুতরাং এসব কাজকে শবে-বরাতের করণীয় এবং সাওয়াবের কাজ মনে করলে গোনাহ হবে। তেমনিভাবে আলোকসজ্জা অগ্নিপুজকদের ধর্মীয় নির্দশন। সুতরাং তা পালন করা মুসলমানদের জন্য নাজায়িয। আর আতশবাজি তো অনেকগুলো গোনাহের সমষ্টি। যেমন- (ক) অপচয় (খ) আতংক সৃষ্টি (গ) লোকদের জান-মালের ক্ষতি (ঘ) নিজে বরকতের রাত্রে ইবাদত থেকে বঞ্চিত থাকা (ঙ) অন্যদের ইবাদত-বন্দেগীতে বাধা সৃষ্টি করা ইত্যাদি। এগুলোর প্রত্যেকটা হারাম এবং গোনাহে কাবীরা। সুতরাং মুসলমানদের জন্য এগুলো থেকে বিরত থাকা এবং সন্তানকে বিরত রাখা অপরিহার্য কর্তব্য।


[প্রমাণঃ মুসলিম শরীফ, ১:৩৬১ # ফাতাওয়া বায্‌যাযিয়া, ৩:৩২৬ # তাতারখানিয়া, ১:২৩৪ # আহসানুল ফাতাওয়া, ১:৩৯১ # ইমদাদুল মুফ্‌তীন, ১৭৪ # ফাতাওয়া মাহমূদিয়া ১:৩০৬]