elektronik sigara

হযরতওয়ালা দা.বা. কর্তৃক সংকলিত চিরস্থায়ী ক্যালেন্ডার ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা এর লিখিত সকল কিতাব পাওয়ার জন্য ক্লিক করুন

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর সমস্ত কিতাব, বয়ান, প্রবন্ধ, মালফুযাত পেতে   ইসলামী যিন্দেগী  App টি সংগ্রহ করুন।

প্রতিদিন আমল করার জন্য “দৈনন্দিন আমল ও দু‘আসমূহ” নামক একটি গুরত্বপূর্ণ কিতাব আপলোড করা হয়েছে।

ইনশাআল্লাহ জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় দাওয়াতুল হকের মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ ঈসায়ী।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

রোযা অবস্থায় ইনজেশন নিলে রোযা ভঙ্গ না হওয়ার কারণ

তারিখ : ১৪ - ফেব্রুয়ারী - ২০১৮  

জিজ্ঞাসাঃ

ইনজেকশনের দ্বারা শরীরে ঔষধ পৌঁছানোর কারণে শরীরের শক্তি বৃদ্ধি পায়, হ্মুধা নিবারণ হয় তাই রোযা অবস্থায় ইনজেকশন নিলে রোযা ভঙ্গ হবে কি-না জানতে চাই।


জবাবঃ


রোযা অবস্থায় পেটে বা মস্তিষ্কে স্বাভাবিক রাস্তা দিয়ে অর্থাৎ, নাক, কান, গলা বা পেশাব-পায়খানার রাস্তা দিয়ে ইচ্ছাপূর্বক কোন কিছু প্রবেশ করলে বা দাখিল হলে রোযা ভঙ্গ হয়ে যায়। এটাই শরীয়তের বিধান। ইনজেকশন দ্বারা যেহেতু স্বাভাবিক রাস্তা দিয়ে পেটে বা দেমাগ কিছু পৌঁছে না। সুতরাং, তার দ্বারা রোযা ভঙ্গ হবে না। আর শুধু শরীরে কোন কিছু প্রবেশ করলে বা করালেই রোযা ভঙ্গ হয় না। যেমন উযু বা গোসল করলে অথবা শরীরে তৈল মালিশ করলে, পানি ও তৈল শরীরে কিছু কিছু প্রবেশ করে। যার ফলে গরমের সময় গোসল করলে শরীর ঠাণ্ডা হয়ে যায়। অনেক সময় ক্ষুধাও নিবারণ হয়ে যায়। এমন কি হুযূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজেও অধিক গরমের সময় রোযা অবস্থায় শরীর ঠাণ্ডা করার জন্য ভিজা কাপড় মাথায় দিয়ে রেখেছেন। মাথার শিরার সাথে যেহেতু শরীরের সমস্ত শিরার সম্পর্ক রয়েছে, তাই মাথা ঠাণ্ডা হওয়ার কারণে সমস্ত শরীরও ঠাণ্ডা হয়ে যায়। কিন্তু এগুলো যেহেতু মস্তিষ্কে বা পেটে স্বাভাবিক রাস্তা দিয়ে পৌঁছে না, তাই এর দ্বারা রোযা ভঙ্গ হয় না।


এমনিভাবে ইনজেকশনের ঔষধ দ্বারা যদিও অনেক সময় ক্ষুধা নিবারণ হয় এবং শরীর ঠাণ্ডা হয়, কিন্তু ইনজেকশনের ঔষধ স্বাভাবিক রাস্তা দিয়ে পেটে বা মস্তিষ্কে পৌঁছে না। অতএব, ইনজেকশনের দ্বারা রোযা ভঙ্গ হবে না এবং রোযার কোন প্রকার ক্ষতিও হবে না।[প্রমাণঃ বাদায়েউস সানায়ে ২:৯৩# ফাতাওয়া দারুল উলূম ৬:৪০৮# আহসানুল ফাতাওয়া ৪:৪২২]