elektronik sigara

সুখবর! সুখবর!! সুখবর!!! হযরতওয়ালা দা.বা. এর গুরত্বপূর্ণ ২ টি নতুন কিতাব বেড়িয়েছে। “নবীজীর (সা.) নামায” এবং “খ্রিষ্টধর্ম কিছু জিজ্ঞাসা ও পর্যালোচনা”।  আজই সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা দা.বা. এর কিতাব অনলাইনের মাধ্যমে কিনতে চাইলে ভিজিট করুনঃ www.maktabatunnoor.com

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. এর সমস্ত কিতাব, বয়ান, প্রবন্ধ, মালফুযাত পেতে   ইসলামী যিন্দেগী  App টি সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

রোযার কাফফারা

তারিখ : ১৪ - ফেব্রুয়ারী - ২০১৮  

জিজ্ঞাসাঃ

রোযার যে তিন রকমের কাফফারা অর্থাৎ, গোলাম আযাদ করা, ষাট দিন বিরতিহীনভাবে রোযা রাখা বা ষাটজন মিসকীনকে খাবার খাওয়ানোর কথা কিতাবে উল্লেখিত আছে, এ তিনটির মধ্যে হতে কোনটি উত্তম?


জবাবঃ


উপরোক্ত তিন রকমের কাফফারা প্রত্যেকটি পর্যায়ক্রমে ওয়াজিব হয়। অর্থাৎ প্রথমতঃ গোলাম আযাদ করা। এটা যদি সম্ভভ না হয়, তাহলে দ্বিতীয় পর্যায়ে ওয়াজিব হচ্ছে-দুই মাস বিরতিহীনভাবে রোযা রাখা। আর যদি তাও সম্ভব না হয়, তাহলে তৃতীয় পর্যায় ষাটজন মিসকীনকে দু’বেলা পেট ভরে আহার করানো।


সুতরাং কেঊ যদি গোলাম আযাদ করতে সক্ষম হয়, তাহলে দুই মাস রোযা রাখার দ্বারা তার কাফফারা আদায় হবে না। তেমনিভাবে কেউ যদি দুই মাস রোযা রাখতে সক্ষম হয় তাহলে তার জন্য ষাটজন মিসকীনকে আহার করানোর দ্বারা কাফফারা আদায় হবে না।[প্রমাণঃ সূরা মুজাদালাহ ৩-৪# ফাতাওয়া শামী ২:৩১২# ফাতাওয়া দারুল উলূম ৬:৪৪৭]


বর্তমানে গোলামের প্রথা চালু না থাকায় গোলাম আযাদ করার মাধ্যমে কাফফারা আদায় করা সম্ভব নয়।