elektronik sigara

সুখবর! সুখবর!! সুখবর!!! হযরতওয়ালা দা.বা. এর গুরত্বপূর্ণ ২ টি নতুন কিতাব বেড়িয়েছে। “নবীজীর (সা.) নামায” এবং “খ্রিষ্টধর্ম কিছু জিজ্ঞাসা ও পর্যালোচনা”।  আজই সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা দা.বা. এর কিতাব অনলাইনের মাধ্যমে কিনতে চাইলে ভিজিট করুনঃ www.maktabatunnoor.com

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. এর সমস্ত কিতাব, বয়ান, প্রবন্ধ, মালফুযাত পেতে   ইসলামী যিন্দেগী  App টি সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

রবিউল আউয়ালের রোযা রাখা

তারিখ : ১৪ - ফেব্রুয়ারী - ২০১৮  

জিজ্ঞাসাঃ

(ক) রবিউল আউয়াল মাসে আমাদের বিশেষ কি করণীয়?

(খ) ১২ই রবিউল আউয়ালে রোযা রাখার বিধান শরী‘আতে আছে কি?

 


জবাবঃ


মাহে রবিউল আওয়াল নিঃসন্দেহে ফযীলতের মাস, এ মাসের ফযীলতের জন্য এটাই যথেষ্ট যে, এ মাসে দু’জাহানের সরদার, সায়্যিদুল মুরসালীন, রাহমাতুল্লীল আলামীন, খাতামুন নাবিয়্যীন মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া-সাল্লাম-এর এই পৃথিবীতে আগমন হয়েছে- যে সময় বা কাল যত বেশী ফযীলতপূর্ণ হয়, সে মাসের ইবাদত আল্লাহ তা‘আলার নিকট তত বেশী পছন্দনীয় হয়, আর ঐ সময় বা কালে শরী‘আত ও সুন্নাত বিরোধী কাজ ততবেশী অপছন্দীয়। এখন জানার বিষয় যে, ‘ইবাদত’ কাকে বলে? আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া-সাল্লাম যে কাজ বা আমল করা স্বীকৃতি দিয়েছেন বা যা করা পছন্দ করেন সেটাকে আল্লাহ পাকের নির্দেশিত ও রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া-সাল্লাম-এর অনুসৃত পন্থায় করার নামই ‘ইবাদত’। এর ব্যতিক্রম যে কাজ তা সবই বিদ‘আত ও বর্জনীয়।


(ক) রবিউল আউয়াল মাসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া-সাল্লাম-এর জন্ম ও ওফাতকে কেন্দ্র করে তেমন কোন ব্যতিক্রমধর্মী আমল কুরআন, হাদীস বা মুজতাহিদীনে উম্মত থেকে বর্ণিত আছে বলে জানা যায় নি।


(খ) ১২ই রবিউল আউয়ালে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া-সাল্লাম এর জন্ম বা ওফাতকে কেন্দ্র কের রোযা রাখার কোন বিধান শরী‘আতে নেই।