elektronik sigara

হযরতওয়ালা দা.বা. কর্তৃক সংকলিত চিরস্থায়ী ক্যালেন্ডার ডাউনলোড করতে চাইলে এ্যাপের “সর্বশেষ সংবাদ” এ ভিজিট করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা এর লিখিত সকল কিতাব পাওয়ার জন্য এ্যাপের “সর্বশেষ সংবাদ” থেকে তথ্য সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর সমস্ত কিতাব, বয়ান, প্রবন্ধ, মালফুযাত পেতে ইসলামী যিন্দেগী  App টি সংগ্রহ করুন।

প্রতিদিন আমল করার জন্য “দৈনন্দিন আমল ও দু‘আসমূহ” নামক একটি গুরত্বপূর্ণ কিতাব আপলোড করা হয়েছে।

ইনশাআল্লাহ জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় দাওয়াতুল হকের মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২১শে  ফেব্রুয়ারী, ২০২০ ঈসায়ী।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা

তারিখ : ১৪ - ফেব্রুয়ারী - ২০১৮  

জিজ্ঞাসাঃ

শরী‘আতের দৃষ্টিতে মৃত্যুবার্ষিকী পালন কতটুকু জায়িয? মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মৃতের আত্মার শান্তির উদ্দেশ্য ফকির-মিসকীনদের খাওয়ানো কতটুকু শরী‘আত সম্মত? এ দিনে কি আমাল করলে মৃতের আত্মা শান্তি পাবে? অনুগ্রহ করে জানাবেন।

 


জবাবঃ


শরী‘আতে মৃত্যুবার্ষিকী পালনের কোন ভিত্তি নেই। সলফে সালেহীন তথা সাহাবায়ে কেরাম, তাবেঈন ও তাবে তাবেঈনদের যুগে এর প্রচলন ছিল না। সুতরাং মৃত্যুবার্ষিকী রীতি পালন নিছক মনগড়া ও বিজাতীয় একটি কুসংস্কার। তাই মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে মিসকীন খাওয়ানো বা অন্য যে কোন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা ঠিক নয়। বরং শরী‘আত পরিপন্থী কাজ।


উল্লেখ থাকে যে, মৃতের রূহের মাগফিরাতের জন্য দিন-তারিখ নির্দিষ্ট না রেখে বৎসরের যে কোন সময় অবস্থা, সুযোগ ও সামর্থ অনুযায়ী দান, সদকা ও নফল ইবাদত ইত্যাদির মাধ্যমে সাওয়াব রিসানী করা যায়। হাদীস শরীফের বর্ণনানুযায়ী মৃত ব্যক্তি সব সময়ই অপেক্ষায় থাকে তার কোন সন্তান বা আত্মীয় তার জন্যে কোন সাওযাব পাঠায় কি-না? তাই যখনই সুযোগ হয় তখনই যথা সম্ভব যে কোন আমলের মাধ্যমে ঈসালে সাওয়াব করা উচিৎ।


[ইমদাদুল মুফ্‌তীন ১:১৫৮ # মাজমু‘আতুল ফাতাওয়া ১:৩৪১ # ইমদাদুল আহকাম ১:৯০ # ফাতাওয়া রশীদিয়া ১৬৬ # শামী ২:২৪০-৪১]