elektronik sigara

সুখবর! সুখবর!! সুখবর!!! হযরতওয়ালা দা.বা. এর গুরত্বপূর্ণ ২ টি নতুন কিতাব বেড়িয়েছে। “নবীজীর (সা.) নামায” এবং “খ্রিষ্টধর্ম কিছু জিজ্ঞাসা ও পর্যালোচনা”।  আজই সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা দা.বা. এর কিতাব অনলাইনের মাধ্যমে কিনতে চাইলে ভিজিট করুনঃ www.maktabatunnoor.com

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. এর সমস্ত কিতাব, বয়ান, প্রবন্ধ, মালফুযাত পেতে   ইসলামী যিন্দেগী  App টি সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা

তারিখ : ১৪ - ফেব্রুয়ারী - ২০১৮  

জিজ্ঞাসাঃ

শরী‘আতের দৃষ্টিতে মৃত্যুবার্ষিকী পালন কতটুকু জায়িয? মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মৃতের আত্মার শান্তির উদ্দেশ্য ফকির-মিসকীনদের খাওয়ানো কতটুকু শরী‘আত সম্মত? এ দিনে কি আমাল করলে মৃতের আত্মা শান্তি পাবে? অনুগ্রহ করে জানাবেন।

 


জবাবঃ


শরী‘আতে মৃত্যুবার্ষিকী পালনের কোন ভিত্তি নেই। সলফে সালেহীন তথা সাহাবায়ে কেরাম, তাবেঈন ও তাবে তাবেঈনদের যুগে এর প্রচলন ছিল না। সুতরাং মৃত্যুবার্ষিকী রীতি পালন নিছক মনগড়া ও বিজাতীয় একটি কুসংস্কার। তাই মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে মিসকীন খাওয়ানো বা অন্য যে কোন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা ঠিক নয়। বরং শরী‘আত পরিপন্থী কাজ।


উল্লেখ থাকে যে, মৃতের রূহের মাগফিরাতের জন্য দিন-তারিখ নির্দিষ্ট না রেখে বৎসরের যে কোন সময় অবস্থা, সুযোগ ও সামর্থ অনুযায়ী দান, সদকা ও নফল ইবাদত ইত্যাদির মাধ্যমে সাওয়াব রিসানী করা যায়। হাদীস শরীফের বর্ণনানুযায়ী মৃত ব্যক্তি সব সময়ই অপেক্ষায় থাকে তার কোন সন্তান বা আত্মীয় তার জন্যে কোন সাওযাব পাঠায় কি-না? তাই যখনই সুযোগ হয় তখনই যথা সম্ভব যে কোন আমলের মাধ্যমে ঈসালে সাওয়াব করা উচিৎ।


[ইমদাদুল মুফ্‌তীন ১:১৫৮ # মাজমু‘আতুল ফাতাওয়া ১:৩৪১ # ইমদাদুল আহকাম ১:৯০ # ফাতাওয়া রশীদিয়া ১৬৬ # শামী ২:২৪০-৪১]