elektronik sigara

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর সমস্ত কিতাব, বয়ান, প্রবন্ধ, মালফুযাত পেতে   ইসলামী যিন্দেগী  App টি সংগ্রহ করুন।

প্রতিদিন আমল করার জন্য “দৈনন্দিন আমল ও দু‘আসমূহ” নামক একটি গুরত্বপূর্ণ কিতাব আপলোড করা হয়েছে।

ইনশাআল্লাহ জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় দাওয়াতুল হকের মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ঈসায়ী।

সুখবর! সুখবর!! সুখবর!!! হযরতওয়ালা দা.বা. এর গুরত্বপূর্ণ ২ টি নতুন কিতাব বেরিয়েছে। “নবীজীর (সা.) নামায” এবং “খ্রিষ্টধর্ম কিছু জিজ্ঞাসা ও পর্যালোচনা”।  আজই সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

মিনারা তৈরি

তারিখ : ১৪ - ফেব্রুয়ারী - ২০১৮  

জিজ্ঞাসাঃ

আযানের জন্য সর্বপ্রথম মিনারা কে তৈরি করেন ? শরী‘আতে মিনারের মূল্যায়ন কি ? মিনারা নির্মাণে মসজিদ ফান্ড ব্যবহার করা যাবে কি ?


জবাবঃ


আযানের ধ্বনি যাতে মহল্লার প্রতিটি লোকের কর্ণকুহরে পৌছে যায়, সে জন্য উঁচু স্থানে আযান দেয়া হয়। এতদ উদ্দেশ্যে ইসলামের সর্বপ্রথম মিনারা তৈরি হয় সালামা কর্তৃক হযরত মু‘আবিয়া রা.-এর নির্দেশক্রমে। [প্রমাণ: ফাতাওয়া আলমগীরী ৫:৩২২]


ইসলামের প্রাথমিক পর্যায়ে যদিও মিনারা ছিল না কিন্তু তখনও এমন উঁচু স্হানে আযান দেয়া হতো, যাতে আযানের ধ্বনি সবাই শুনতে পারে। (আবূ দাঊদ শরীফ) সুতরাং যদি মহল্লায় মিনারা ব্যতীত আওয়াজ পৌঁছানোর বিকল্প ব্যবস্হা না থাকে, তবে মসজিদের আয় দ্বারাই মিনারা তৈরী করা যাবে। তবে প্রয়োজনের অতিরিক্ত উঁচু না হতে হবে এবং রিয়া ও তাকাব্বুরের জন্য না হতে হবে। আর যদি আওয়াজ পৌঁছানোর অন্য ব্যবস্হা থাকে, তাহলে মিনারা তৈরী করার জন্য আলাদা চাঁদা কালেকশন করতে হবে। মসজিদের মূল টাকা এতে খরচ করা যাবে না। [প্রমাণ: ফাতাওয়া আলমগীরী ৫ : ৩২২ # ফাতাওয়ায়ে রহীমিয়া ৬:১১৯]