elektronik sigara

সুখবর! সুখবর!! সুখবর!!! হযরতওয়ালা দা.বা. এর গুরত্বপূর্ণ ২ টি নতুন কিতাব বেড়িয়েছে। “নবীজীর (সা.) নামায” এবং “খ্রিষ্টধর্ম কিছু জিজ্ঞাসা ও পর্যালোচনা”।  আজই সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা দা.বা. এর কিতাব অনলাইনের মাধ্যমে কিনতে চাইলে ভিজিট করুনঃ www.maktabatunnoor.com

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. এর সমস্ত কিতাব, বয়ান, প্রবন্ধ, মালফুযাত পেতে   ইসলামী যিন্দেগী  App টি সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

মাযূরের সংজ্ঞা ও হুকুম

তারিখ : ১৪ - ফেব্রুয়ারী - ২০১৮  

জিজ্ঞাসাঃ

(ক) আমি একজন পাইলসের রোগী । মাঝে মাঝে আমার এরূপ হয় যে উযু করার পর পায়খানার রাস্তা দিয়ে সামান্য হাওয়া বের হয়ে যায় । এমতাবস্থায় আমি মাযূর হিসেবে গণ্য হব কি-না ? এবং উক্ত উযু দ্বারা নামায আদায় করা জায়িয হবে কি-না ?

(খ) আর যদি আমি মাযূর হিসেবে গণ্য হই, তাহলে ফজরের উযু দ্বারা ইশরাকের নামায ও কুরআন তিলাওয়াত জায়িয হবে কি-না ? শরী‘আতের দৃষ্টিতে মাযূরের সংজ্ঞা কি ?


জবাবঃ


(ক) উযু করার পর মাঝে মাঝে পায়খানার রাস্তা দিয়ে সামান্য হাওয়া বের হলে সে মাযূর হিসেবে গণ্য হবে না এবং একবার উযু করার পর হাওয়া বের হলে উযু দ্বারা তার পক্ষে পুরো ওয়াক্তের নামায পড়া সহীহ হবে না । বরং বায়ু ‍নির্গত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নতুনভাবে উযু করে নামায আদায় করতে হবে ।


(খ) মাযূর ব্যক্তি ফজরের উযু দ্বারা ইশরাকের নামায ও কুরআন তিলাওয়াত করতে পারবে না । তবে সে একবার উযু করে ওয়াক্তের মধ্যে সবরকমের নামায পড়তে ও তিলাওয়াত করতে পারবে ।


মাযূর হওয়ার জন্য শর্ত হল, যে কোন ফরজ নামাজের পূর্ণ সময়ের মধ্যে এতটুকু সময় পবিত্র হওয়ার সুযোগ না পাওয়া, যাতে উযু করে ফরয নামায আদায় করা যায়, তাহলে এমন ব্যক্তিকে মাযূর হিসেবে গণ্য করা হবে এবং এমন ব্যক্তি এক উযু দ্বারা ওয়াক্তের মধ্যে ফরজ ও নফল নামায ও তিলাওয়াত যত ইচ্ছা আদায় করতে পারবে । তবে যখন ওয়াক্ত শেষ হয়ে যাবে অথবা ওয়াক্তের মধ্যে নির্দিষ্ট ওজর ছাড়া উযু ভঙ্গের অন্য কোন কারণ পাওয়া যাবে, তখন তার উযু নষ্ট হয়ে যাবে । উল্লেখ্য যে, একবার মাযূর হওয়ার পর উক্ত ওযর পরবর্তী ওয়াক্তে কেবলমাত্র একবার দেখা দেওয়াই যথেষ্ট । পূর্ণ সময় দেখা দেয়া জরুরী নয় । তবে উক্ত ওজর যদি পূর্ণ ওয়াক্তের মধ্যে একবারও দেখা না দেয় তাহলে তখন থেকেই সে আর মাযূর ‍থাকবে না ।[প্রমাণঃ দুররে মুখতার,১ : ৩০৫,  হিদায়া ১ : ৬৭, আহসানুল ফাতাওয়া ১ : ৭৫, ]


 و صاحب عذر من به سلس البول إن استوعب عذره تمام وقت صلاة مفروضة بان لايجد في جميع وقتها زمانا يتوضأ ويصلي فيه خاليا عن الحدث-  (الدر المختار 1/305)


والمستحاضة ومن به سلس البول و الرعاف الدائم و الجرح الذي لا يرقأ يتوضؤن لوقت كل صلاة فيصلون بذالك الوضوء في الوقت ماشاؤا من الفرائض و النوافل-  (الهداية 1/67)