elektronik sigara

ইনশাআল্লাহ জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় দাওয়াতুল হকের মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২১শে জুমাদাল উলা, ১৪৪৪ হিজরী, ১৬ই ডিসেম্বর, ২০২২ ঈসা‘য়ী, শুক্রবার (সকাল ৭-৮টা থেকে শুরু হবে ইনশাআল্লাহ)

জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসা থেকে প্রকাশিত একাডেমিক ক্যালেন্ডার পেতে ক্লিক করুন

হযরতওয়ালা দা.বা. কর্তৃক সংকলিত চিরস্থায়ী ক্যালেন্ডার ডাউনলোড করতে চাইলে এ্যাপের “সর্বশেষ সংবাদ” এ ভিজিট করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা এর লিখিত সকল কিতাব পাওয়ার জন্য এ্যাপের “সর্বশেষ সংবাদ” থেকে তথ্য সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা দা.বা. এর কিতাব অনলাইনের মাধ্যমে কিনতে চাইলে ভিজিট করুনঃ www.maktabatunnoor.com

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

মসজিদের ওয়াকফকৃত স্থানে ঈদগাহ নির্মাণ করা

তারিখ : ১৪ - ফেব্রুয়ারী - ২০১৮  

জিজ্ঞাসাঃ

গ্রাম্য জামে মসজিদের সামনে উক্ত মসজিদের ওয়াকফকৃত স্থানে ঈদগাহ নির্মাণ করা শরী‘আত সম্মত কি-না? ঈদগাহের জন্য বড় মাঠের প্রয়োজন আছে কি? কয়েকটি জামে মসজিদের মুসল্লীরা এক ঈদগাহে নামায আদায় করবে? না প্রত্যেক জামে মসজিদের মুসল্লীরা পৃথক ঈদগাহ কায়িম করবে?


জবাবঃ


শরী‘আতের দৃষ্টিতে মসজিদের ওয়াকফকৃত স্থানে স্থায়ীভাবে ঈদগাহ স্থাপন করা জায়িয নয়। তবে বিশেষ অসুবিধা ক্ষেত্রে উক্ত মসজিদের ওয়াকফকৃত স্থানে ঈদের নামায আদায় করা যাবে।


উল্লেখ্য যে, ঈদ ইসলামের একটি শি’আর বা প্রতীক। তাই মুসলমানদের শান-শওকত, শৌর্য-বীর্য ও সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রদর্শনের লক্ষ্যে ঈদের নামায মসজিদে আদায় না করে সম্মিলিভাবে বড় ময়দান তথা ঈদগাহে পড়তে শরী‘আতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সেজন্য গ্রামের সকলের উচিৎ বড় একটি মাঠ ওয়াকফ করে নেয়া। প্রত্যেক মসজিদের জন্য পৃথক ঈদগাহ নির্মাণ জরুরী নয়। (প্রমাণঃ রাদ্দুলমুহতার ২:১৬৯ # কাওয়ায়িদুল ৮৫ # আহসানুল ফাতাওয়া ৪:১১৯)