elektronik sigara

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা এর লিখিত সকল কিতাব পাওয়ার জন্য ক্লিক করুন

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর সমস্ত কিতাব, বয়ান, প্রবন্ধ, মালফুযাত পেতে   ইসলামী যিন্দেগী  App টি সংগ্রহ করুন।

প্রতিদিন আমল করার জন্য “দৈনন্দিন আমল ও দু‘আসমূহ” নামক একটি গুরত্বপূর্ণ কিতাব আপলোড করা হয়েছে।

ইনশাআল্লাহ জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় দাওয়াতুল হকের মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ ঈসায়ী।

সুখবর! সুখবর!! সুখবর!!! হযরতওয়ালা দা.বা. এর গুরত্বপূর্ণ ২ টি নতুন কিতাব বেরিয়েছে। “নবীজীর (সা.) নামায” এবং “খ্রিষ্টধর্ম কিছু জিজ্ঞাসা ও পর্যালোচনা”।  আজই সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

মক্কা-মদীনার সফরে মহিলাদের মসজিদে নামায আদায়

তারিখ : ১৪ - ফেব্রুয়ারী - ২০১৮  

জিজ্ঞাসা:

মহিলারা মক্কা মদীনার সফরে মসজিদে হারাম, মসজিদে নববীতে নামায পড়বে, না নিজ আবাসস্থলে? কোনটিতে সওয়াব বেশী হবে?


জবাবঃ


হাদীস শরীফের স্পষ্ট বক্তব্য দ্বারা মহিলাদের মসজিদে হারাম, মসজিদে নববীরে চেয়ে স্বীয় আবাসস্থলে বা তাঁবুতে নামায পড়া অধিক সওয়াবের কথা প্রমাণিত। তাই মহিলারা মসজিদে হারাম, মসজিদে নববীতে নামায আদায়ের জন্য না গিয়ে তাঁবুতে বা নিজ আবাসস্থলে নামায আদায় করবে, তাহলে তারা উক্ত অবস্থায় ঐ মসজিদদ্বয়ের সওয়াব থেকে বেশী সওয়াব পাবে। আর সওয়াব হাসিল করাই মুসলমানের কাম্য হওয়া উচিত। মসজিদে নববীতে নির্দিষ্ট সময়ে যিয়ারতের জন্য যাবে আর বাইতুল্লাহতে শুধু তাওয়াফের জন্য যাবে। তাওয়াফে পুরুষদের সাথে ধাক্কাধাক্কি বৈধ নয়। পুরুষদের থেকে এড়িয়ে মাতাফের কিনারা দিয়ে তাওয়াফ করবে। এবং মদীনা অবস্থানকালে শুধু রওযায়ে আত্বহার যিয়ারতের উদ্দেশ্যে মসজিদে নববীতে যাবে। এটাই শরী‘আতের বিধান। এর দ্বারা নসীহত হাসিল করা উচিত যে, দেশে থাকা অবস্থায় মহিলাদের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামায, জুমু’আ ও ঈদের জামা’আতে যাওয়া নিষেধ এবং গুনাহের কাজ। ঘরের মধ্যে তাদের জন্য মসজিদের জামা’আত থেকে বেশী সওয়াব, তারপরেও মসজিদে যাওয়ার কি যুক্তি থাকতে পারে? এটা অত্যন্ত দুঃখজনক যে, একদিকে এনজিওরা মুসলিম মা বোনদেরকে নারী স্বাধীনতার নামে ঘর থেকে টেনে বাইরে আনছে ঠিক সেই মুহূর্তে ইসলামের নামে কতিপয় ভ্রান্ত দল দ্বীনের নামে মা বোনদের ঘরছাড়া করে নিজেদের স্বার্থ সিদ্ধিতে লিপ্ত আছে। এ ফিতনা থেকে দূরে থাকা দ্বীন ও ঈমানের হেফাজতের জন্য জরুরী।[প্রমাণ: বুখারী শরীফ ১:১২০ # দুররে মুখতার ১:৮৩ # ফাতাওয়া আলমগীরী,   ৮৯ # আহসানুল ফাতাওয়া ৪:৫৬৭]