elektronik sigara

সুখবর! সুখবর!! সুখবর!!! হযরতওয়ালা দা.বা. এর গুরত্বপূর্ণ ২ টি নতুন কিতাব বেড়িয়েছে। “নবীজীর (সা.) নামায” এবং “খ্রিষ্টধর্ম কিছু জিজ্ঞাসা ও পর্যালোচনা”।  আজই সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা দা.বা. এর কিতাব অনলাইনের মাধ্যমে কিনতে চাইলে ভিজিট করুনঃ www.maktabatunnoor.com

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. এর সমস্ত কিতাব, বয়ান, প্রবন্ধ, মালফুযাত পেতে   ইসলামী যিন্দেগী  App টি সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

বিভিন্ন মেলায় যাওয়া ও জিনিস খরিদ করা

তারিখ : ১৪ - ফেব্রুয়ারী - ২০১৮  

জিজ্ঞাসাঃ

আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরণের মেলা বসে থাকে। যেমন- বৈশাখী মেলা ও পৌষী মেলা ইত্যাদি। ঐসব মেলায় যাওয়া জায়িয হবে কি ? ওখান থেকে আসবাব পত্র কেনা জায়িয হবে কি-না ?

 


জবাবঃ


বর্তমানে আমাদের দেশে যে মেলা বসে থাকে, তা আমাদের জানা মতে বিভিন্ন ধরনের নোংরা, অশ্লীল ও অবৈধ কার্যকলাপের উপর ভিত্তি করেই হয়ে থাকে। মুসলমানদের মেলা হোক, কিংবা বিধর্মীদের মেলা হোক, বর্তমানে কোন মেলাতে অংশগ্রহণের কিংবা তথায় ক্রয়-বিক্রয় কোনটার জন্য উপস্থিত হওয়া জায়িয হবে না। কেননা, ঐ সমস্ত মেলাতে আপনার উপস্থিতি মেলার সৌন্দর্য ও জাঁকজমক বৃদ্ধির সহায়ক হবে। যা প্রকারান্তরে তাদের অশ্লীলতা ও অবৈধ কার্যকলাপের ব্যাপারে উৎসাহ যোগাবে। আল্লাহ পাক ইরশাদ করেনঃ “ভাল ও তাকওয়ার কাজে তোমরা সহায়তা করো, গুণাহ ও সীমা লংঘনের ব্যাপারে সহায়তা করো না।” [প্রমাণঃ সূরা মায়িদা, ২ # ফাতাওয়া রশীদিয়া, ২৪৯]


তদুপরি গুনাহ হওয়া সত্ত্বেও যদি কেউ উপস্থিত হয়ে কোন বস্তু সঠিক পদ্ধতিতে ক্রয় করে, তাহলে তার বেচা-কেনা শুদ্ধ হয়ে যাবে। [ফাতাওয়া রশীদিয়া, ৪৫৫]


সারকথা, এ সব মেলায় মুসলমানদের জন্য অংশগ্রহণ না করা এবং না যাওয়া নৈতিক ও ঈমানী কর্তব্য।