elektronik sigara

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর সমস্ত কিতাব, বয়ান, প্রবন্ধ, মালফুযাত পেতে   ইসলামী যিন্দেগী  App টি সংগ্রহ করুন।

প্রতিদিন আমল করার জন্য “দৈনন্দিন আমল ও দু‘আসমূহ” নামক একটি গুরত্বপূর্ণ কিতাব আপলোড করা হয়েছে।

ইনশাআল্লাহ জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় দাওয়াতুল হকের মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ঈসায়ী।

সুখবর! সুখবর!! সুখবর!!! হযরতওয়ালা দা.বা. এর গুরত্বপূর্ণ ২ টি নতুন কিতাব বেরিয়েছে। “নবীজীর (সা.) নামায” এবং “খ্রিষ্টধর্ম কিছু জিজ্ঞাসা ও পর্যালোচনা”।  আজই সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

বিনিময়ের মাধ্যমে অন্যের দ্বারা সাওয়াব রিসানী

তারিখ : ১৪ - ফেব্রুয়ারী - ২০১৮  

জিজ্ঞাসাঃ

আমাদের দেশে প্রচলিত আছে যে, মৃত ব্যক্তির পরিবার-পরিজন মৃত ব্যক্তির মাগফিরাত কামনার্থে উলামায়ে কিরামদের দ্বারা কুরআন খতম বা বিভিন্ন ইবাদতের মাধ্যমে দু’আ করায়ে থাকে এবং এতে তাদের জন্য খানাপিনার ব্যবস্থা ও টাকা পয়সার লেনদেন করে। শরী‘আতের দৃষ্টিতে এর হুকুম কি?


জবাবঃ


কোন মানুষের ইন্তেকালের পর তার সাওয়াব রিসানীর উদ্দেশ্যে কুরআন শরীফ পড়িয়ে টাকা দেয়া-নেয়া, খানা খাওয়া সবই নাজায়িয। আর যেহেতু টাকা বা কোনরূপ বিনিময় নিয়ে কুরআন তিলাওয়াত করলে স্বয়ং তিলাওয়াতকারীই উক্ত তিলাওয়াতের কোন সাওয়াব পায় না। তাহলে তিনি মৃত ব্যক্তির রূহে কি পৌঁছাবেন? কেননা-মৃতের রূহে সাওযাব পৌঁছাতে হলে প্রথমতঃ তিলাওয়াতকারীর সাওয়াব পেতে হবে। তারপর তিনি সে সাওয়াব মৃতকে বখ্‌শিয়ে দিবেন। কিন্তু তিনি বিনিময় গ্রহণ করার কারণে (যা শরী‘আতে হারাম) সাওয়াব থেকে মাহরূম হচ্ছেন, তাই অন্যের জন্য সাওয়াব রিসানীর প্রশ্নই উঠে না। তাই ঈসালে সাওয়াবের জন্য খতম পড়ার বিনিময়ে টাকা পয়সার লেন-দেন ও দাওয়াত খাওয়া সবই নাজায়িয। সুতরাং খতম নিজেরা পড়বে এবং এমন লোক দ্বারা পড়াবে, যাদের সাথে আগে থেকে মুহাব্বত আছে। যাতে করে তারা বিনিময় ছাড়া কুরআন শরীফ পড়ে দেন। [প্রমাণঃ ফাতাওয়া শামী, ৫/৩৯ # ইমদাদুল ফাতাওয়া, ৩/৩৮৫]