elektronik sigara

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর সমস্ত কিতাব, বয়ান, প্রবন্ধ, মালফুযাত পেতে   ইসলামী যিন্দেগী  App টি সংগ্রহ করুন।

প্রতিদিন আমল করার জন্য “দৈনন্দিন আমল ও দু‘আসমূহ” নামক একটি গুরত্বপূর্ণ কিতাব আপলোড করা হয়েছে।

ইনশাআল্লাহ জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় দাওয়াতুল হকের মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ঈসায়ী।

সুখবর! সুখবর!! সুখবর!!! হযরতওয়ালা দা.বা. এর গুরত্বপূর্ণ ২ টি নতুন কিতাব বেরিয়েছে। “নবীজীর (সা.) নামায” এবং “খ্রিষ্টধর্ম কিছু জিজ্ঞাসা ও পর্যালোচনা”।  আজই সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

বাংলা কুরআন শরীফ তিলাওয়াত সম্পর্কে

তারিখ : ১৪ - ফেব্রুয়ারী - ২০১৮  

জিজ্ঞাসাঃ

আমাদের গ্রামে বাংলা কুরআন শরীফ তিলাওয়াত করা সম্পর্কে মতবিরোধ হয়েছে। কেউ বলেন, বাংলা কুরআন শরীফ পড়লে সওয়াব হবে। কেউ বলে, বাংলা উচ্চারণ সহীহ্ হয় না। কাজেই সওয়াব হবে না। উক্ত সমস্যার সঠিক সমাধান কি? তাছাড়া বাংলা কুরআন শরীফ মতে সূরা পড়লে নামায সহীহ্ হবে কি-না? এবং প্রতি হরফে ১০টি করে নেকী হবে কি-না?


জবাবঃ


বাংলা উচ্চারণে কুরআন শরীফ লেখা এবং পড়া কোনটাই ঠিক নয়। যেহেতু এর দ্বারা সহীহভাবে আরবী হরফের উচ্চারণ সম্ভব নয়, কারণ- আরবী কয়েকটি হরফের বাংলা উচ্চারণ এক রকম। সেক্ষেত্রে বাংলায় আরবী হরফগুলো পার্থক্য করা এবং সহীহ্ মাখরাজ থেকে উচ্চারণ করা কঠিন। তাছাড়া এটা এক প্রকার কুরআন বিকৃতির মধ্যে শামিল এবং অনেক হরফ আছে যেগুলো বাংলাতে উচ্চারণ করাও মুশকিল। শুধু বাংলা কুরআন শরীফ দেখে পড়লে যেহেতু কুরআন শুদ্ধ হয় না, তাই এর দ্বারা নামাযও শুদ্ধ হবে না। এবং ভুল পড়ে প্রতি হরফে ১০ নেকীর আশা করা যায় না। সুতরাং এভাবে পড়ার অনুমতি নেই। কাজেই যারা সহীহভাবে কুরআন পড়তে জানে না তাদের উচিত কোন সহীহ পড়নেওয়ালা কারী সাহেব থেকে সরাসরি শিখে নেয়া। আজকাল নূরানী পদ্ধতিতে অল্প সময়ে সহজে কুরআন শরীফ শিক্ষা করা সম্ভব। সুতরাং এসব ভুল পদ্ধতির আশ্রয় নেয়ার কোন অর্থ হয় না।[প্রমাণঃ ইমদাদুল ফাতাওয়া ৪:৪৫-৪৭, # জাওয়াহিরুল ফিকহ্ ১:৭৭]