elektronik sigara

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর সমস্ত কিতাব, বয়ান, প্রবন্ধ, মালফুযাত পেতে   ইসলামী যিন্দেগী  App টি সংগ্রহ করুন।

প্রতিদিন আমল করার জন্য “দৈনন্দিন আমল ও দু‘আসমূহ” নামক একটি গুরত্বপূর্ণ কিতাব আপলোড করা হয়েছে।

ইনশাআল্লাহ জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় দাওয়াতুল হকের মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ঈসায়ী।

সুখবর! সুখবর!! সুখবর!!! হযরতওয়ালা দা.বা. এর গুরত্বপূর্ণ ২ টি নতুন কিতাব বেরিয়েছে। “নবীজীর (সা.) নামায” এবং “খ্রিষ্টধর্ম কিছু জিজ্ঞাসা ও পর্যালোচনা”।  আজই সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

ফাসেক ও বিদ‘আতী ইমামের পিছনে ইক্তিদা

তারিখ : ১৪ - ফেব্রুয়ারী - ২০১৮  

জিজ্ঞাসাঃ

আমরা প্রতিমাসে আল্লাহর রাস্তায় তিনদিন সময় দেই। এক মসজিদে গিয়ে দেখি সেখানকার ইমাম সাহেব হাঁটুর উপর কাপড় তুলে পেশাব করেন। আযানের পর হাত তুলে মুনাজাত করেন। মীলাদে দাঁড়িয়ে কিয়াম করেন। তাবলীগ পছন্দ করেন না। বড়পীর (রহঃ)-এর খুব ভক্ত। আমরা সেখানকার কয়েকজনের সঙ্গে এ ব্যাপারে আলাপ করে জানতে পারলাম যে, ঐ মসজিদের ইমাম সাহেবের প্রভাব এত বেশী যে কমিটির সদস্যরা পর্যন্ত তার শিষ্যের মতো। যেহেতু তাবলীগ সারা জীবনই করব (ইনশাআল্লাহ) সেহেতু প্রশ্ন জাগে, যেসব মসজিদে এমন ইমামের সাক্ষাৎ মিলবে, তাদের পিছনে নামায আদায় করব কি-না ? এমন ইমামদেরকে শোধরাবার উপায় কি ? মেহেরবানী করে উত্তর দিলে উপকৃত হব।

 


জবাবঃ


মানুষের সামনে হাঁটুর উপর কাপড় তোলা নাজায়িয। আযানের পর হাত না তুলে দু‘আ করার নিয়ম। তবে কেউ হাত তুলে মুনাজাত করলে তার সাথে ঝগড়া করবে না। শরী‘আতে প্রচলিত মিলাদের কোন অস্তিত্ব নেই। সুতরাং দাঁড়িয়ে কিয়াম করার তো প্রশ্নই উঠে না। এগুলোকে শরী‘আতের বিধান মনে করা বিদ‘আত ও নাজায়িয। বড়পীর (রহঃ) ও অন্যান্য বুযুর্গদের ভক্ত হওয়া ভাল। কিন্তু বড়পীরের নামে বা খাজা মুঈনুদ্দীন চিশতীর নামে শিরক-বিদ‘আতের কোন অবকাশ নেই। কারণ, তাঁরা কথনোও এগুলোর তা‘লীম দেন নাই। যে সব মসজিদে ফাসেক ও বিদ‘আতী ইমামের সাক্ষাৎ ‍মিলবে এবং অন্যত্র গিয়ে অন্য ইমামের পিছনে নামায আদায় করাও অসুবিধা হয়, এমতাবস্থায় এই ইমামের পিছনেই নামায পড়লে নামায আদায় হবে। জামা‘আতে নামায পড়ার সাওয়াবও পাওয়া যাবে। সুতরাং জামা‘আত ছেড়ে একা একা নামায পড়া যাবে না। ইমামের ত্রুটির কারণে অসুবিধা হলে তার জন্য ইমাম সাহেব ও কমিটি দায়ী থাকবে। এমন ইমামকে বিভিন্ন হেকমতের মাধ্যমে সহীহ কিতাব-পত্র হাদিয়া দিয়ে এবং হক্কানী উলামাদের কারগুযারী শুনিয়ে তাকওয়া-পরহেযগারীর দিকে দাওয়াত দিতে হবে। এতে যদি শোধরানো যায় তাহলে ভাল। আর যদি না শোধরায় তাহলে আল্লাহ তা‘আলার হাওলা করতে হবে। কার‌ণ, আল্লাহ যাকে না শোধরায় মানুষের পক্ষে তাকে শোধরানো সম্ভব নয়। তবে কমিটির উচিত হল, এমন ইমামকে অপসারণ করে দীনদার মুত্তাকী ইমাম নিয়োগ করা। [প্রমাণঃ সূরা নাহল ১২৫ # শামী : ১ : ৫৬২ # কাযীখান ১ : ৯২ # আহসানুল ফাতাওয়া ৩ : ২৯০]


صلى خلف فاسق او مبتدع نال فضل الجماعة (قوله: نال فضل الجماعة) افاد ان الصلوة خلفهما اولى من الانفراد. (الدر المختار:1/562)