elektronik sigara

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর সমস্ত কিতাব, বয়ান, প্রবন্ধ, মালফুযাত পেতে   ইসলামী যিন্দেগী  App টি সংগ্রহ করুন।

প্রতিদিন আমল করার জন্য “দৈনন্দিন আমল ও দু‘আসমূহ” নামক একটি গুরত্বপূর্ণ কিতাব আপলোড করা হয়েছে।

ইনশাআল্লাহ জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় দাওয়াতুল হকের মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ঈসায়ী।

সুখবর! সুখবর!! সুখবর!!! হযরতওয়ালা দা.বা. এর গুরত্বপূর্ণ ২ টি নতুন কিতাব বেরিয়েছে। “নবীজীর (সা.) নামায” এবং “খ্রিষ্টধর্ম কিছু জিজ্ঞাসা ও পর্যালোচনা”।  আজই সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

ফাসিকের ইমামতী

তারিখ : ১৪ - ফেব্রুয়ারী - ২০১৮  

জিজ্ঞাসাঃ

জনৈক ইমাম সাহেবের মাঝে এমন কিছু ত্রুটি দৃষ্টিগোচর হয়, যার কারণে, তার পিছনে নামায পড়তে নামাযের বিশুদ্ধতা সম্বন্ধে সন্দেহ হয়। যেমনঃ তিনি তার বাবা-মায়ের মনে কষ্ট দেন। বড় ভাই-বোনদের সাথে মিথ্যা মামলা করে তাদের অপমান করেন। ৫/৬ টা বিয়ে করেছেন, বিবি-বাচ্চাদের খবর রাখেন না। বেপর্দা মেয়েলোকদের সাথে মেলামেশা করেন। এ ধরনের শরী‘আত পরিপন্থী অনেক কাজ করেন। এমতাবস্থায় উক্ত লোককে ইমাম হিসেবে বহাল রাখা বৈধ হবে কি ? বা তার সম্পর্কে শরী‘আতের ফায়সালা কি ?

 


জবাবঃ


শরী‘আতের দৃষ্টিতে ছেলা রেহেমী তথা আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা জরুরী। মিথ্যা মামলা করে কাউকে জেলে পাঠানো কবীরা গুনাহ। একসাথে চারটার বেশী বিবাহ করাও হারাম।


মিথ্যা বলা কবীরা গুনাহ ও মহাপাপ। বেগানা মহিলাদের থেকে পর্দা করা ফরয। তাদের সাথে দেখা সাক্ষাৎ করা ও অনর্থক কথাবার্তা বলা কবীরা গুণাহ। মোটকথা, এসব ঘটনা সহীহ হলে, উক্ত ইমাম ফাসিক। আর তার পিছনে নামায পড়া মাকরূহে তাহরীমী। কর্তৃপক্ষের উচিত, উক্ত ইমামকে সরিয়ে অন্য একজন নেককার, পরহেযগার ও হক্কানী আলিমকে ইমাম নিয়োগ করা। আর যদি উক্ত ইমামকে বরখাস্ত করলে ফিতনা সৃষ্টি হওয়ার আশংকা থাকে, তাহলে ঐ ইমামের পিছনে নামায পড়ে নিবে। তবে গুনাহের দায়-দায়িত্ব ঐ ইমাম ও তার সহযোগীদের উপর বর্তাবে। আর যদি আশে-পাশে ভাল ইমাম থাকে তাহলে সেখানে গিয়ে নামায পড়া ভাল। [প্রমাণ: সূরা আলে ইমরান: ৬১ # সূরা হজ্জ: ৩০ # বুখারী শরীফ, ১ : ১০ # মিশকাত শরীফ ২ : ২৭০ # ফাতাওয়া শামী ১ : ৫৫৯ # ফাতাওয়া দারুল উলুম ৩ : ৩০৪]