elektronik sigara

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর সমস্ত কিতাব, বয়ান, প্রবন্ধ, মালফুযাত পেতে   ইসলামী যিন্দেগী  App টি সংগ্রহ করুন।

প্রতিদিন আমল করার জন্য “দৈনন্দিন আমল ও দু‘আসমূহ” নামক একটি গুরত্বপূর্ণ কিতাব আপলোড করা হয়েছে।

ইনশাআল্লাহ জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় দাওয়াতুল হকের মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ঈসায়ী।

সুখবর! সুখবর!! সুখবর!!! হযরতওয়ালা দা.বা. এর গুরত্বপূর্ণ ২ টি নতুন কিতাব বেরিয়েছে। “নবীজীর (সা.) নামায” এবং “খ্রিষ্টধর্ম কিছু জিজ্ঞাসা ও পর্যালোচনা”।  আজই সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

পেট হতে অতিমাত্রায় গ্যাস বের হলে করণীয়

তারিখ : ১৪ - ফেব্রুয়ারী - ২০১৮  

জিজ্ঞাসাঃ

আমি ইস্তিঞ্জা করার পর উযু করে নামায পড়তে দাড়াই কিন্তু বারবার গ্যাস বের হওয়ায় আমি বারবার উযু করতে বাধ্য হই । কিন্তু সবসময় উযু করা সম্ভব হয় না । একবার উযু করার পর বারবার গ্যাস বের হয় । এতে আমার করণীয় ?


জবাবঃ


যদি নামাযের ওয়াক্ত হওয়ার পর পূর্ণ এক ওয়াক্তই আপনার এই অবস্থা থাকে এবং এতটুকু সময় না পাওয়া যায়, যে সময়ে আপনি উক্ত ওয়াক্তের ফরজ ও ওয়াজিব নামায আদায় করতে পারেন, তখন আপনাকে শরী‘আতের ভাষায় মাযূর বলা হবে । আর মাযূরের হুকুম হল, প্রত্যেক নামাযের ওয়াক্ত হওয়ার পর নতুনভাবে উযু করে নামায আদায় করতে হবে এবং যতক্ষণ ঐ ওয়াক্ত থাকে, গ্যাস বের হওয়ার কারণে উযু নষ্ট হবে না । সুতরাং ওয়াক্তের মধ্যে ঐ উযু দিয়ে সব ধরনের নামায পড়তে পারবেন এবং এক ওয়াক্ত চলে গেলে ঐ ওয়াক্তের উযু দ্বারা অন্য ওয়াক্তের কোন নামায আদায় করা যাবে না । উল্লেখ্য যে, উপরোক্ত মাসআলা তখন প্রযোজ্য হবে, যখন সঠিকভাবে জানা যায় বা দৃঢ় বিশ্বাস হয় যে, সত্যিই তার গ্যাস বের হয়ে থাকে । আর তা জানার পদ্ধতি হল আওয়াজ শুনতে পাওয়া বা দূর্গন্ধ পাওয়া বা অন্য কোনভাবে তার দৃ্ঢ় ‍বিশ্বাস হওয়া যে, ঠিকই তার গ্যাস বের হয় । অন্যথায় ‍যদি শুধু বাতাস বের হওয়ার মত মনে হয় এবং সন্দেহ হয় তাহলে শুধু সন্দেহের ভিত্তিতে এদিকে ভ্রুক্ষেপ না করা উচিত । বরং এই অবস্থায় সময় মত শান্তভাবে নামায পড়ে নিবেন । কেননা এ ধরনের অবস্থা কোন কোন সময় শয়তানের পক্ষ থেকে হয়ে থাকে যা ‍নিছক ওয়াসওয়াসা বা কুমন্ত্রণা ছাড়া কিছুই নয় । কেননা, শয়তান মানুষকে আল্লাহ তা‘আলা থেকে দূরে সরানোর জন্য এ ধরনের অনেক কিছু করে থাকে । এখন আপনি আপনার অবস্থা অনুযায়ী মাযূর কিনা তা ঠিক করে নিন । বাস্তবে যে অবস্থা হয়, সে অনুযায়ী আমল করতে পারেন ।  [প্রমাণঃ মিশকাত শরীফ, ১ : ৪০ # আদ্দুরুল মুখতার,১ : ৩০৬,  হিদায়া, ১ : ৬৭-৬৯ ]