elektronik sigara

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা এর লিখিত সকল কিতাব পাওয়ার জন্য ক্লিক করুন

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর সমস্ত কিতাব, বয়ান, প্রবন্ধ, মালফুযাত পেতে   ইসলামী যিন্দেগী  App টি সংগ্রহ করুন।

প্রতিদিন আমল করার জন্য “দৈনন্দিন আমল ও দু‘আসমূহ” নামক একটি গুরত্বপূর্ণ কিতাব আপলোড করা হয়েছে।

ইনশাআল্লাহ জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় দাওয়াতুল হকের মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ ঈসায়ী।

সুখবর! সুখবর!! সুখবর!!! হযরতওয়ালা দা.বা. এর গুরত্বপূর্ণ ২ টি নতুন কিতাব বেরিয়েছে। “নবীজীর (সা.) নামায” এবং “খ্রিষ্টধর্ম কিছু জিজ্ঞাসা ও পর্যালোচনা”।  আজই সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

নামাযে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কিরা‘আত

তারিখ : ১৪ - ফেব্রুয়ারী - ২০১৮  

জিজ্ঞাসাঃ

সাইয়্যিদুল মুরসালিন সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম -এর নামাযে কোন কোন সূরা পড়েছেন বলে উল্লেখ পাওয়া যায়?

 


জবাবঃ


মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফজরের ফরজ নামাযে যে সমস্ত সূরা পড়েছেন, তা নিম্নে প্রদত্ত হলোঃ (ক) সূরা ক্বাফ, সূরা আত-তাকভীর, সূরা কাফিরূন, সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক ও সূরা নাস। শুক্রবার ফজরের নামাযের ১ম রাক’আতে সূরা ‘সিজদাহ্’, ২য় রাকা’আতে সূরা ‘আদ-দাহর’ পড়েছেন। কখনো সূরা জুমু’আ ও সূরা মুনাফিকূন পড়তেন।


রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক যোহরের ফরয নামাযে পঠিত সূরা সমূহ নিরুরূপঃ যথা- সূরা আ’লা, সূরা আল-লাইল।


মাগরীবের ফরজ নামাযে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে সকল সূরা পড়েছেন বলে পাওয়া যায়, তাহলো- সূরা আত-তূর, সূরা আল মুরসালাত, সূরা ‘আরাফকে দু’ভাগে ভাগ করে দু’রাকা’আতে। শুক্রবার মাগরিবের নামাযে ১ম রাকা’আতে সূরা কাফিরূন, ২য় রাকা’আতে সূরা ইখলাসও পড়েছেন। উক্ত সূরাদ্বয় কখনো মাগরিবের সুন্নাতেও পড়তেন।


ইশার ফরজে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কখনো সূরা ত্বীন পড়েছেন বলে এক হাদীসে উদ্ধৃতি রয়েছে। অন্য এক হাদীসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হযরত মু’আয রাযি.-কে ইশাতে সূরা ওয়াশ্ শামস্, সূরা ওয়ায্ যুহা, সূরা ওয়াল্ লাইল ও সূরা ‘আলা পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন।


বিতরের ১ম রাকা’আতে সূরা ‘আলা, দ্বিতীয় রাকা’আতে সূরা কাফিরূন ও তৃতীয় রাকা’আতে সূরা ইখলাস পড়ার কথাও অন্য এক হাদীসে উল্লেখ রয়েছে।


জুমু’আ ও দুই ঈদে সাইয়্যিদুল মুরসালিন সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সূরা আল-ক্বামার ও সূরা ক্বাফ পড়েছেন বলে জানা যায়। অন্য এক রিওয়ায়াত মুতাবিক বুঝা যায় যে, তিনি সাধারণতঃ দুই ঈদ ও জুমু’আতে সূরা ‘আলা ও গাশিয়াহ্ পড়তেন। কখনো ঈদ ও জুমু’আ একই দিনে হলে উভয় নামাযে উক্ত দুই সূরাই পড়তেন।


আমাদেরকে মনে রাখতে হবে যে, মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহ তা‘আলার পক্ষ হতে শরী‘আতের বিধান বর্ণনাকারী। সে হিসেবে তাঁর জন্য মাসনূন কিরা‘আতের পরিমাণের কম বা বেশী করার অবকাশ রয়েছে এবং তাতে কোন অসুবিধা নেই। তাই তিনি পরিমাণ কম বা বেশী করেছেন উম্মতকে তালীম দেয়ার লক্ষ্যে যে, এমন করাও জায়িয আছে। তবে সাধারণতঃ মাসনূন কিরা‘আতের তরতীবের অনুসরণ করবে।[প্রমাণঃ মুসলিম শরীফ ১:১৮৬-৮৭, নাসায়ী শরীফ, বুখারী শরীফ]