elektronik sigara

সুখবর! সুখবর!! সুখবর!!! হযরতওয়ালা দা.বা. এর গুরত্বপূর্ণ ২ টি নতুন কিতাব বেড়িয়েছে। “নবীজীর (সা.) নামায” এবং “খ্রিষ্টধর্ম কিছু জিজ্ঞাসা ও পর্যালোচনা”।  আজই সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা দা.বা. এর কিতাব অনলাইনের মাধ্যমে কিনতে চাইলে ভিজিট করুনঃ www.maktabatunnoor.com

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. এর সমস্ত কিতাব, বয়ান, প্রবন্ধ, মালফুযাত পেতে   ইসলামী যিন্দেগী  App টি সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

নবাগত মুক্তাদী রুকূতে যাওয়ার সাথে সাথেই ইমাম রুকূ হতে উঠে গেলে

তারিখ : ১৪ - ফেব্রুয়ারী - ২০১৮  

জিজ্ঞাসাঃ

নামাযের জামা’আত শুরু হয়ে যাওয়ার পর এক ব্যক্তি গিয়ে দেখল যে, ইমাম রুকুতে গেছেন। তিনিও তাড়াতাড়ি তাকবীরে তাহরীমা বেঁধে রুকূতে গেলেন। কিন্তু একবারও তাসবীহ্ পড়েননি- এর পূর্বেই ইমাম রুকূ থেকে ‍উঠে গেছেন এবং রুকূ থেকে উঠে সিজদায় গেছেন। এমতাবস্থায় তার নামায হয়েছে কি?

 


জবাবঃ


উক্ত ব্যক্তি যদি দাঁড়ানো অবস্থায় তাকবীরে তাহরীমা বলে রুকূতে গিয়ে থাকেন, তাহলে তার নামায সহীহ্ হয়েছে। কেননা, তিনি রুকূতে যাওয়ার তাকবীর তরক করেছেন যা ওয়াজিব নয়, বরং সুন্নাত। তাছাড়া ইমামের সাথে রুকূতে পৌঁছে এক তাসবীহ্ পরিমাণ দেরী করা জরুরী নয়। বরং রুকূতে শুধু শরীক হলেই ঐ রাকা’আত পেয়েছে বলে গণ্য হবে।


এমনকি কেউ যদি এমন সময় রুকূর জন্য ঝুঁকে, যখন ইমাম সাহেব রুকূ থেকে মাথা উঠাতে থাকেন, কিন্তু এখনো এতটুকু সোজা হতে পারেননি যে, তার হাত হাঁটু পর্যন্ত পৌছে না। ইতিমধ্যে মুক্তাদী এতটুকু পরিমান ঝুঁকে গেছে যে, তার হাত হাঁটু পর্যন্ত পৌছে যায়। তাহলে সোজা এতে এক তাসবীহ্ পরিমাণ সময় নাও হয়, তবুও উক্ত মুক্তাদী এই রাকা’আত পেয়েছে বলে গণ্য হবে।


তবে তার জন্য ঐ রুকূতে একাকীভাবে এক তাসবীহ্ পরিমাণ দেরী করা ওয়াজিব। অতঃপর অবশিষ্ট তাসবীহ্ না পড়ে দাড়িয়ে ইমামের অনুসরণ করা ওয়াজিব। উল্লেখ্য যে, তাকবীরে তাহরীমা সোজা দাঁড়ানো অবস্থায় শেষ করতে হবে। সোজা তাকবীরে তাহরীমা বলতে বলতেই রুকূর জন্য ঝুঁকে পড়ে, তাহলে নামায সহীহ্ হবে না।


[প্রমাণঃ আলমগীরী, ১:১২০ # আল-বাহরুর রায়িক, ১:২৯৩ # শামী, ১:৪৪২ # আহসানুল ফাতওয়া, ৩:২৮৮]