elektronik sigara

জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসার ২ দিন ব্যাপী বার্ষিক মাহফিল, জামি‘আতুল আবরার মসজিদ প্রঙ্গন বসিলাতে অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৩০শে নভেম্বর, ২০১৯ শনিবার এবং ১লা ডিসেম্বর, ২০১৯ রবিবার

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা এর লিখিত সকল কিতাব পাওয়ার জন্য ক্লিক করুন

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর সমস্ত কিতাব, বয়ান, প্রবন্ধ, মালফুযাত পেতে   ইসলামী যিন্দেগী  App টি সংগ্রহ করুন।

প্রতিদিন আমল করার জন্য “দৈনন্দিন আমল ও দু‘আসমূহ” নামক একটি গুরত্বপূর্ণ কিতাব আপলোড করা হয়েছে।

ইনশাআল্লাহ জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় দাওয়াতুল হকের মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ ঈসায়ী।

সুখবর! সুখবর!! সুখবর!!! হযরতওয়ালা দা.বা. এর গুরত্বপূর্ণ ২ টি নতুন কিতাব বেরিয়েছে। “নবীজীর (সা.) নামায” এবং “খ্রিষ্টধর্ম কিছু জিজ্ঞাসা ও পর্যালোচনা”।  আজই সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

দাঁড়িবিহীন সাবালকের ইমামতী

তারিখ : ১৪ - ফেব্রুয়ারী - ২০১৮  

জিজ্ঞাসাঃ

আমি এক মসজিদের মুয়াযযিন। আমার বয়স ১৮ বৎসর। ইমাম সাহেব মাঝে মধ্যে অনুপস্থিত থাকলে আমাকে নামায পড়াতে হয়। কিন্তু কিছু সংখ্যক মুসল্লী আমার পিছনে নামায পড়তে রাযী নন। তাদের অভিযোগ হল আমি ছোট, আমার দাড়ী উঠে নাই। আর ইমামের জন্য ১২ হাজার হাদীস জানা থাকা জরুরী, আমার তা নেই। এখন প্রশ্ন হল, এমতাবস্থায় আমার পিছনে নামায হবে কি-না এবং তাদের বক্তব্য সঠিক কি-না ?

 


জবাবঃ


শরী‘আতের দৃষ্টিতে পুরুষ ছেলে ১২ বৎসরের পর যখনই তার স্বপ্নদোষ হবে সে বালেগ গণ্য হয়ে যাবে। শরী‘আতের সমস্ত হুকুম তার উপর অর্পিত হবে। তখন সূরা-কিরাআত ও মাসআলা-মাসাইল জানা থাকলে সে ইমামতী করতে পারবে। এতে শরী‘আতের কোন বাধা নেই। অবশ্য ১২ বৎসরের পর স্বপ্নদোষ না হলে সে বালেগ গণ্য হবে না। কিন্তু তার বয়স ১৫ বৎসর হয়ে গেলে তখন আর কোন আলামতের প্রয়োজন নেই স্বপ্নদোষ হোক আর নাই হোক, সে বালেগ বলে গণ্য হবে এবং সে ইমামতী করতে পারবে।


আপনার বয়স যেহেতু ১৮ বৎসর, তাই আপনার জন্য ইমামতী করতে বয়সের দিক দিয়ে কোন বাধা নেই। নামায ও ইমামতীর জরুরী মাসআলা-মাসাইল জানা থাকলে ইমামতী করতে পারবেন। ইমামতীর জন্য দাঁড়ি থাকা জরূরী কোন বিষয় নয়। তদ্রুপ নামাযের ইমাম হতে হলে ১২ হাজার হাদীস জানা থাকতে হবে, শরী‘আতে এরূপ কথার কোন ভিত্তি নেই। [প্রমাণ: ফাতাওয়া মাহমূদিয়া ২ : ৯০ # ফাতাওয়া দারুল উলূম ৩ : ১১৫ # রদ্দুল মুহতার ১/৫৫০]


ويفتى بالبلوغ فيهما بخمسة عشر سنة وادنى المدة في حقه اثنتا عشرة سنة وفي حقها تسع سنين يعني لو ادعيا البلوغ في هذه المدة تقبل. (البحر الرائق:8/85)