elektronik sigara

সুখবর! সুখবর!! সুখবর!!! হযরতওয়ালা দা.বা. এর গুরত্বপূর্ণ ২ টি নতুন কিতাব বেড়িয়েছে। “নবীজীর (সা.) নামায” এবং “খ্রিষ্টধর্ম কিছু জিজ্ঞাসা ও পর্যালোচনা”।  আজই সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা দা.বা. এর কিতাব অনলাইনের মাধ্যমে কিনতে চাইলে ভিজিট করুনঃ www.maktabatunnoor.com

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. এর সমস্ত কিতাব, বয়ান, প্রবন্ধ, মালফুযাত পেতে   ইসলামী যিন্দেগী  App টি সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

ত্রিশা ও চল্লিশা খাবারে অংশগ্রহণ

তারিখ : ১৪ - ফেব্রুয়ারী - ২০১৮  

জিজ্ঞাসাঃ

আমাদের এলাকায় মৃত ব্যক্তির রূহে সাওয়াব পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে মৃত্যুর ৩০ দিন অথবা ৪০ দিন পর তার পরিবারের পক্ষ থেকে খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। এতে দরিদ্র ও স্বচ্ছল উভয় শ্রেণীর লোকই অংশগ্রহণ করে থাকে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে স্বচ্ছল ব্যক্তিরাও কি এ খাবারে অংশগ্রহণ করতে পারবে? আমরা শুনেছি যে, এ ধরনের খাবার খেলে অন্তর দুর্বল হয়ে যায়, এ ব্যাপারে শরয়ী বিধান কি?

 


জবাবঃ


আমাদের যে কোন কাজই আল্লাহ তা‘আলার হুকুম ও রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া-সাল্লাম-এর তরীকা অনুযায়ী আদায় করতে হবে। এর দ্বারাই সাওয়াবের আশা করা যায়। রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া-সাল্লাম-এর তরীকা বহির্ভূত সকল কাজই পরিত্যাজ্য ও গোনাহের কাজ।


বর্তমানে মানুষ মৃত্যুর পরও গোনাহ থেকে নিস্তার পায় না। মৃত ব্যক্তির আত্মীয়-স্বজনরা যে ত্রিশা ও চল্লিশার খাবারের আয়োজন করে রুসম পালন করে শরী‘আতের দৃষ্টিতে এসব কাজ বিদ‘আত ও কুসংস্কার হিসেবে বিবেচিত। এর দ্বারা মৃত ব্যক্তির রূহে সামান্য পরিমাণও সাওয়াব পৌঁছে না। ফাতাওয়া শামীতে উল্লেখ রয়েছে-এর ধরনের প্রায় সকল কাজই অহংকার ও লৌকিকতার মনোভাব নিয়ে করা হয়। আর তখন এরূপ মনোভাব না থাকলেও পরবর্তীতে এ মনোভাব এসে যায়। মৃতের পরিবার ধনী হলে অধিকাংশ ধনীদেরকেই এতে দাওয়াত দেয়া হয়, আল্লাহ তা‘আলার সন্তুষ্টি উদ্দেশ্যে হয় না।


এজন্য উত্তম হল, কোন দিন-তারিখের দিকে লক্ষ্য না রেখে গোপনীয়তা রক্ষা করে যে কোন দিন ঈসালে সাওয়াবের উদ্দেশ্যে গরীব ও ইয়াতীমদেরকে আহার করানো, লিল্লাহ বোর্ডিং-এ গরীব ছাত্রদের জন্য দান করায় (এতে সাওয়াব অনেক বেশী হয়) সদকায়ে জারিয়ার সাওয়াবও পাওয়া যায়।


তবে এ ধরনের খাবার মৃতের ওয়ারিসগণের ইজমালী সম্পত্তি থেকে খাওয়াবে না। বালিগ ওয়ারিসগণ নিজেদের মাল থেকে এ খাবারের ব্যবস্থা করবে। [প্রমাণঃ ইবনে মাজাহ্‌ ১:১১৬ # ফাতাওয়া শামী ২:২৪০ # ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী, ১:১৬৭ # ইমদাদুল ফাতাওয়া ১:৫৪৭ # খাইরুল ফাতাওয়া ১:৫৯৬]