elektronik sigara

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর সমস্ত কিতাব, বয়ান, প্রবন্ধ, মালফুযাত পেতে   ইসলামী যিন্দেগী  App টি সংগ্রহ করুন।

প্রতিদিন আমল করার জন্য “দৈনন্দিন আমল ও দু‘আসমূহ” নামক একটি গুরত্বপূর্ণ কিতাব আপলোড করা হয়েছে।

ইনশাআল্লাহ জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় দাওয়াতুল হকের মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ঈসায়ী।

সুখবর! সুখবর!! সুখবর!!! হযরতওয়ালা দা.বা. এর গুরত্বপূর্ণ ২ টি নতুন কিতাব বেরিয়েছে। “নবীজীর (সা.) নামায” এবং “খ্রিষ্টধর্ম কিছু জিজ্ঞাসা ও পর্যালোচনা”।  আজই সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

ত্রিশা ও চল্লিশা খাবারে অংশগ্রহণ

তারিখ : ১৪ - ফেব্রুয়ারী - ২০১৮  

জিজ্ঞাসাঃ

আমাদের এলাকায় মৃত ব্যক্তির রূহে সাওয়াব পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে মৃত্যুর ৩০ দিন অথবা ৪০ দিন পর তার পরিবারের পক্ষ থেকে খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। এতে দরিদ্র ও স্বচ্ছল উভয় শ্রেণীর লোকই অংশগ্রহণ করে থাকে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে স্বচ্ছল ব্যক্তিরাও কি এ খাবারে অংশগ্রহণ করতে পারবে? আমরা শুনেছি যে, এ ধরনের খাবার খেলে অন্তর দুর্বল হয়ে যায়, এ ব্যাপারে শরয়ী বিধান কি?

 


জবাবঃ


আমাদের যে কোন কাজই আল্লাহ তা‘আলার হুকুম ও রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া-সাল্লাম-এর তরীকা অনুযায়ী আদায় করতে হবে। এর দ্বারাই সাওয়াবের আশা করা যায়। রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া-সাল্লাম-এর তরীকা বহির্ভূত সকল কাজই পরিত্যাজ্য ও গোনাহের কাজ।


বর্তমানে মানুষ মৃত্যুর পরও গোনাহ থেকে নিস্তার পায় না। মৃত ব্যক্তির আত্মীয়-স্বজনরা যে ত্রিশা ও চল্লিশার খাবারের আয়োজন করে রুসম পালন করে শরী‘আতের দৃষ্টিতে এসব কাজ বিদ‘আত ও কুসংস্কার হিসেবে বিবেচিত। এর দ্বারা মৃত ব্যক্তির রূহে সামান্য পরিমাণও সাওয়াব পৌঁছে না। ফাতাওয়া শামীতে উল্লেখ রয়েছে-এর ধরনের প্রায় সকল কাজই অহংকার ও লৌকিকতার মনোভাব নিয়ে করা হয়। আর তখন এরূপ মনোভাব না থাকলেও পরবর্তীতে এ মনোভাব এসে যায়। মৃতের পরিবার ধনী হলে অধিকাংশ ধনীদেরকেই এতে দাওয়াত দেয়া হয়, আল্লাহ তা‘আলার সন্তুষ্টি উদ্দেশ্যে হয় না।


এজন্য উত্তম হল, কোন দিন-তারিখের দিকে লক্ষ্য না রেখে গোপনীয়তা রক্ষা করে যে কোন দিন ঈসালে সাওয়াবের উদ্দেশ্যে গরীব ও ইয়াতীমদেরকে আহার করানো, লিল্লাহ বোর্ডিং-এ গরীব ছাত্রদের জন্য দান করায় (এতে সাওয়াব অনেক বেশী হয়) সদকায়ে জারিয়ার সাওয়াবও পাওয়া যায়।


তবে এ ধরনের খাবার মৃতের ওয়ারিসগণের ইজমালী সম্পত্তি থেকে খাওয়াবে না। বালিগ ওয়ারিসগণ নিজেদের মাল থেকে এ খাবারের ব্যবস্থা করবে। [প্রমাণঃ ইবনে মাজাহ্‌ ১:১১৬ # ফাতাওয়া শামী ২:২৪০ # ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী, ১:১৬৭ # ইমদাদুল ফাতাওয়া ১:৫৪৭ # খাইরুল ফাতাওয়া ১:৫৯৬]