elektronik sigara

জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসার ২ দিন ব্যাপী বার্ষিক মাহফিল, জামি‘আতুল আবরার মসজিদ প্রঙ্গন বসিলাতে অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৩০শে নভেম্বর, ২০১৯ শনিবার এবং ১লা ডিসেম্বর, ২০১৯ রবিবার

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা এর লিখিত সকল কিতাব পাওয়ার জন্য ক্লিক করুন

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর সমস্ত কিতাব, বয়ান, প্রবন্ধ, মালফুযাত পেতে   ইসলামী যিন্দেগী  App টি সংগ্রহ করুন।

প্রতিদিন আমল করার জন্য “দৈনন্দিন আমল ও দু‘আসমূহ” নামক একটি গুরত্বপূর্ণ কিতাব আপলোড করা হয়েছে।

ইনশাআল্লাহ জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় দাওয়াতুল হকের মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ ঈসায়ী।

সুখবর! সুখবর!! সুখবর!!! হযরতওয়ালা দা.বা. এর গুরত্বপূর্ণ ২ টি নতুন কিতাব বেরিয়েছে। “নবীজীর (সা.) নামায” এবং “খ্রিষ্টধর্ম কিছু জিজ্ঞাসা ও পর্যালোচনা”।  আজই সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

গুপ্তাঙ্গে তরল পদার্থ জমা থাকলে উযু ভাঙ্গবে কি-না ?

তারিখ : ১৪ - ফেব্রুয়ারী - ২০১৮  

জিজ্ঞাসাঃ

জনৈক ব্যক্তির প্রস্রাবের বাস্তায় অনেক সময় তরল জাতীয় একপ্রকার পদার্থ জমা থাকে । হাত দ্বারা চাপ দিলে তা বের হয় । এতে উযু ও নামাযের কোন ক্ষতি হবে কি ? তেমনিভাবে এমতাবস্থায় ইমামতি করা যাবে কি-না ?


জবাবঃ


যদি কারো পরিপূর্ণ বিশ্বাস থাকে এবং বাস্তবেও এই হয় যে, এ তরল পদার্থ প্রস্রাবের রাস্তার ভিতরে রয়েছে এবং চাপ না দিলে বাইরে বের হয় না, তাহলে এক্ষেত্রে করণীয় হল কুলুখ নিয়ে পর্দা সহকারে ৮/১০ কদম হাটাহাটি করবে বা কাশি দিবে । এতেই যা বের হয় পানি দিয়ে ধুয়ে নিবে । এরপরও যদি পেশাবের কোন অংশ ভিতরে জমা থাকে, আর তা না বের হয় তাহলে এর দ্বারা উযু ভাঙ্গবে না । এবং নামায ও ইমামতির কোন ক্ষতি হবে না । কোনক্রমেই উক্ত বিশেষ অঙ্গকে টানাটানি করা বাঞ্ছনীয় নয় । আর শরী‘আতে এর নির্দেশও দেয়া হয়নি । তাছাড়া এরূপ করার পরিণতিতে উক্ত অঙ্গ মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হয় এবং এর ফলে নানারকম যৌনরোগ দেখা দিতে পারে । তবে অন্ডকোষ ও পায়খানার রাস্তার মাঝামাঝি প্রস্রাবের নালীতে হালকা চাপ দিলে প্রস্রাব পরিষ্কার হয়ে বের হয় । এ জন্য কাশির প্রয়োজন হয় না । এবং ডাক্তারী মতেও কোন সমস্যা হয় না ।


ولو نزل البول الى قصبة الذكر لم ينقض الوضوؤ ولو خرج الى القلفة نقض الوضوءـ كذا في الذخيرة. (الفتاوى الهندية:1/9)