elektronik sigara

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর সমস্ত কিতাব, বয়ান, প্রবন্ধ, মালফুযাত পেতে   ইসলামী যিন্দেগী  App টি সংগ্রহ করুন।

প্রতিদিন আমল করার জন্য “দৈনন্দিন আমল ও দু‘আসমূহ” নামক একটি গুরত্বপূর্ণ কিতাব আপলোড করা হয়েছে।

ইনশাআল্লাহ জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় দাওয়াতুল হকের মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ঈসায়ী।

সুখবর! সুখবর!! সুখবর!!! হযরতওয়ালা দা.বা. এর গুরত্বপূর্ণ ২ টি নতুন কিতাব বেরিয়েছে। “নবীজীর (সা.) নামায” এবং “খ্রিষ্টধর্ম কিছু জিজ্ঞাসা ও পর্যালোচনা”।  আজই সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

খাত্‌না উপলক্ষে সাতদিনা পালন

তারিখ : ১৪ - ফেব্রুয়ারী - ২০১৮  

জিজ্ঞাসাঃ

দেশের অনেক জায়গায় এই নিয়ম প্রচলিত আছে যে, বাচ্চাদেরকে খাত্‌না করানোর পরে সপ্তম দিনে আত্মীয়-স্বজনদের দাওয়াত দিয়ে খাওয়ানো হয় এবং ঘরবাড়ী প্রয়োজন অতিরিক্ত আলোকসজ্জা করা হয় এবং মেহমানদের থেকে কাপড়-চোপড়, টাকা-পয়সা হাদিয়া হিসেবে পাওয়া যায়। যদি এ রকম না করে, তাবে তাকে তিরস্কার করা হয়। শরী‘আতের দৃষ্টিতে এটা জায়িয কি-না?

 


জবাবঃ


এ ধরনের প্রথার অনুসরণ কাবীরা গুনাহের মধ্যে শামিল। কেননা- এর মধ্যে অনেক গুনাহের সমাবেশ ঘটেছেঃ


(ক) দাওয়াতের জন্য সপ্তম দিন নির্ধারিত করা বিদ’আতের অন্তর্ভুক্ত। কেননা- শরী‘আতে এরূপ নির্ধারণের কোন দলীল প্রমাণ নেই।


(খ) খাত্‌না করার সময় মানুষদেরকে দাওয়াত দেয়া বা মুসলমানীতে খাওয়ানো বিদ’আতের অন্তর্ভুক্ত। কারণ-শরী‘আতে এর কোন প্রমাণ নেই। তবে খাত্‌নার পরে যখন ঘা শুকিয়ে যায়, তখন বাচ্চাকে গোসল দিবে। তারপরে ইচ্ছা হলে, নিজের আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশীদেরকে নিজের শক্তি-সামর্থ মুতাবিক শরী‘আতের গন্ডির মধ্য থেকে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করার জন্য দাওয়াত দিয়ে খাওয়াতে পারবে।      [প্রমাণঃ ইমদাদুল মুফ্‌তীন ২:২০১]


(গ) প্রয়োজনের অতিরিক্ত লাল-নীল বাতি জ্বালানো, ঘর-বাড়ী আলোক সজ্জা করা ইত্যাদি শরী‘আতের দৃষ্টিতে জায়িয নয়। কারণ- এটা অপচয় এবং একেবারেই অনর্থক বেহুদা কাজ। আল্লাহ তা‘আলা অপব্যয়কারীকে পছন্দ করেন না। [সূরা বনী ইসরাঈল, আয়াত ২৭ # শামী ২:২৪০ পৃঃ]