elektronik sigara

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা এর লিখিত সকল কিতাব পাওয়ার জন্য ক্লিক করুন

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর সমস্ত কিতাব, বয়ান, প্রবন্ধ, মালফুযাত পেতে   ইসলামী যিন্দেগী  App টি সংগ্রহ করুন।

প্রতিদিন আমল করার জন্য “দৈনন্দিন আমল ও দু‘আসমূহ” নামক একটি গুরত্বপূর্ণ কিতাব আপলোড করা হয়েছে।

ইনশাআল্লাহ জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় দাওয়াতুল হকের মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ ঈসায়ী।

সুখবর! সুখবর!! সুখবর!!! হযরতওয়ালা দা.বা. এর গুরত্বপূর্ণ ২ টি নতুন কিতাব বেরিয়েছে। “নবীজীর (সা.) নামায” এবং “খ্রিষ্টধর্ম কিছু জিজ্ঞাসা ও পর্যালোচনা”।  আজই সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

কুফুরী কালিমা বলে ফেললে

তারিখ : ১৪ - ফেব্রুয়ারী - ২০১৮  

জিজ্ঞাসাঃ

জনৈক ইমাম সাহেব নিজ জমি-জমা নিয়ে কিছুদিন যাবৎ মামলায় হয়রানীর শিকার হয়ে আসছেন। একদিন কথায় কথায় তিনি বলে ফেললেন, “আল্লাহ আছে ? থাকলে কি আর এ রকম হয় ?” এখন প্রশ্ন হলো- এরকম বলা কি ঠিক ? আবার তিনি প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে পর্দা ব্যতীত অবাধে পর মহিলাদের সাথে দেখা-সাক্ষাৎ করে থাকেন। আবার সুদযুক্ত বন্ধকী জমিও নিয়ে থাকেন। এ ইমাম সাহেবের পিছনে নামায আদায় হবে কি-না ?

 


জবাবঃ


এ ধরনের কথাবর্তা কুফরী কালিমার অন্তর্ভুক্ত। অতএব এ ধরনের কথা বলে থাকলে কালিমা পড়ে তওবা ইস্তিগফার করা জরুরী। বিবাহিত হলে বিবাহ দোহরায়ে নেয়া উচিত। ভবিষ্যতে এ ধরনের কথা বলা থেকে খুবই সতর্ক থাকা দরকার। কুফরী কালাম বললে ঈমান চলে যায়। আর ঈমান চলে গেলে পিছনের যিন্দেগীর সব আমলও নষ্ট হয়ে যায়। [প্রমাণ: ফাতাওয়া মাহমূদিয়া ১৪ : ৭৮]


মসজিদের ইমামের জন্য মুত্তাকী পরহেযগার হওয়া জরুরী। কোন ইমাম যদি বেগানা যুবতী মেয়েদের সাথে উঠাবসা করেন, তাদের সাথে অনর্থক কথাবার্তা বলেন, তাহলে তিনি ফাসিক বলে গণ্য হবেন। আর ফাসিকের জন্য খালিস দিলে তাওবা না করা পর্যন্ত ইমামতী করা এবং মুসল্লীদের তার পিছনে নামায পড়া মাকরূহে তাহরীমী। করযদাতার জন্য বন্ধকী জমির ফসল খাওয়া সুদ ও হারাম। সুতরাং এর থেকেও তাওবা করে ফসল জমিওয়ালাকে ফেরত দিতে হবে। [প্রমাণ: ইমদাদুল মুফতীন ৩২১, ফাতাওয়া মাহমূদিয়া ২ : ৭৭]