elektronik sigara

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর সমস্ত কিতাব, বয়ান, প্রবন্ধ, মালফুযাত পেতে   ইসলামী যিন্দেগী  App টি সংগ্রহ করুন।

প্রতিদিন আমল করার জন্য “দৈনন্দিন আমল ও দু‘আসমূহ” নামক একটি গুরত্বপূর্ণ কিতাব আপলোড করা হয়েছে।

ইনশাআল্লাহ জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় দাওয়াতুল হকের মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ঈসায়ী।

সুখবর! সুখবর!! সুখবর!!! হযরতওয়ালা দা.বা. এর গুরত্বপূর্ণ ২ টি নতুন কিতাব বেরিয়েছে। “নবীজীর (সা.) নামায” এবং “খ্রিষ্টধর্ম কিছু জিজ্ঞাসা ও পর্যালোচনা”।  আজই সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

কাদিয়ানীদের পরিচয় ও তাদের সংঙ্গে মুসলমানের সন্তানের বিবাহ

তারিখ : ১৪ - ফেব্রুয়ারী - ২০১৮  

জিজ্ঞাসাঃ

কাদিয়ানীরা কি মুসলমান? যদি মুসলমান না হয় তাহলে তাদের সাথে মুসলমানের সন্তানদের বিয়ে-শাদী হয়ে থাকলে এখন কি করতে হবে ?

 


জবাবঃ


সারা পৃথিবীর আলিম, মুফতী, ইসলামী বুদ্ধিজীবী ও মুসলিম দেশের ইসলামী আদালতের রায় হল কাদিয়ানী সম্প্রদায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহী ওয়া সাল্লাম কর্তৃক “খাতামুন্নাবিয়্যিন” শব্দের ব্যাখ্যা অস্বীকার করার দরূন এবং তাদের স্বতন্ত্র আক্বীদা ও বিশ্বাসের কারণে কাফির । তারা মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহী ওয়া সাল্লাম-কে শেষ নবী মানে না । তারা খাতামুন নাবিয়্যিন শব্দের মনগড়া ব্যখ্যা ‍দিয়ে খতমে  নবুওয়াত অস্বীকার করে । আর এতটুকুই  তাদের কাফির হওয়ার জন্য যথেষ্ট । তারা সহীহ মুসলমানদের ঘরে ঘরে গোপনে তাদের সে সব প্রচার পত্র বিলি করে । তার মধ্যে সরল প্রাণ মুসলমানদের ধোকা দেওয়ার জন্য মদীনার মুনাফিকদের মত (যার বিস্তারিত বর্ণনা সূরা মুনাফিকীন এ রয়েছে ) কালিমা তাইয়্যিবা ‍লিখে এবং উচ্চারণ করে তারা লিখে থাকে যে, আমরাও খাতামুন নাবিয়্যিন বিশ্বাস করি । এতবেশী বিশ্বাস করি যে, হাক্কানী আলিমগণ আমাদের বিশ্বাসের একশ ভাগের এক ভাগও করে না । যে ব্যক্তি খতমে নবুওয়াত বিশ্বাস করে না, তাকে কাফির মনে করি । এ কথা বলার পর অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে পরক্ষণেই তার লেখার চাতুরতার মধ্যে দিয়ে হযরত মুহম্মদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহী ওয়া সাল্লাম-এর শেষ নবী হওয়াকে অস্বীকার করে এই বাহানায় যে খাতামুন্নাবিয়্যিন আমরা জানি কিন্তু এ ব্যপারে মোল্লাদের অপব্যাখ্যা আমরা মানি না ।


অথচ মাওলানা-মুফতীগণ উক্ত শব্দের যে ব্যাখ্যা দিয়ে থাকেন তা কখনও তাদের মনগড়া নয় । বরং কুরআনের প্রায় ১০০ আয়াত এবং দুই শতাধিক সহীহ হাদিস এবং সাহাবা রাযি. গণের ইজমা দ্বারা তা প্রমাণিত ।


সুতরাং মুসলমানদের সতর্ক থাকা উচিত । মুসলিম শব্দ দেখে ধোকা খাওয়া ঠিক নয় এবং মনে করা উচিত নয় যে, এরাও মুসলমান । হিন্দু, বৌদ্ধ ও খৃষ্টান ‍যেমন ভিন্ন ভিন্ন ধর্ম এসব ধর্মের অনুসারীরা যেমন অমুসলিম, কাফির, তেমনিভাবে কাদিয়ানী মতবাদও ভিন্ন ধর্ম ও অমুসলিম জামাত এবং কাদিয়ানীরা কাফির । তারা তাদের ভন্ড নবী কর্তৃক ইংরেজ গভর্মেন্ট এর তরফদারী করে ইংরেজদের বিরুদ্ধে জিহাদ হারাম হওয়ার ফাতাওয়া দেয়ার কারণে জিহাদ সম্পর্কিত আয়াত ও হাদীস অস্বীকার করেছে ।


তাই আহমদীয়া জামা‘আত (কাদিয়ানীরা) নিশ্চিতভাবে কাফির । সুতরাং কোন মুসলমানের সাথে কাফিরদের বিবাহ­-শাদী যেমন কখনও জায়িয নয়, তেমনিভাবে কাদিয়ানীদের সাথেও বিবাহ জায়িয নয়- সম্পূর্ণ হারাম । যদি না জেনে কেউ তাদের সাথে বিবাহ-শাদী করে থাকে বা বিবাহ দিয়ে থাকে, তাহলে পৃথক হয়ে যেতে হবে এবং তওবা করে নিতে হবে । উল্লেখ্য কাদিয়ানী কাফিররা নিজেদের বর্ণনায় ও লেখনীতে নিজেদের কাদিয়ানী বলে উল্লেখ করে না বরং ”আহমদী মুসলিম জামাত” বলে থাকে । [প্রমাণ: সূরা বাকারা আয়াত ২২১ # ফাতাওয়া আলমগীরী, ২ : ২৬৩ # শামী ৩ : ১৯৩]