elektronik sigara

জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসা থেকে প্রকাশিত একাডেমিক ক্যালেন্ডার পেতে ক্লিক করুন

রজব মাস শুরু হলেই প্রিয় নবী এই দু‘আ খুব বেশী করে পড়তেন: اَللّهُمَّ بَارِكْ لَنَا  فِيْ  رَجَبَ  وَشَعْبَانَ  وَبَلِّغْنَا رَمَضَانَ

হযরতওয়ালা দা.বা. কর্তৃক সংকলিত চিরস্থায়ী ক্যালেন্ডার ডাউনলোড করতে চাইলে এ্যাপের “সর্বশেষ সংবাদ” এ ভিজিট করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা এর লিখিত সকল কিতাব পাওয়ার জন্য এ্যাপের “সর্বশেষ সংবাদ” থেকে তথ্য সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর সমস্ত কিতাব, বয়ান, প্রবন্ধ, মালফুযাত পেতে ইসলামী যিন্দেগী  App টি সংগ্রহ করুন।

প্রতিদিন আমল করার জন্য “দৈনন্দিন আমল ও দু‘আসমূহ” নামক একটি গুরত্বপূর্ণ কিতাব আপলোড করা হয়েছে।

হযরতওয়ালা দা.বা. এর কিতাব অনলাইনের মাধ্যমে কিনতে চাইলে ভিজিট করুনঃ www.maktabatunnoor.com

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

কবর যিয়ারত

তারিখ : ১৪ - ফেব্রুয়ারী - ২০১৮  

জিজ্ঞাসাঃ

ইসলামের দৃষ্টিতে মহিলাদের কবর যিয়ারত জায়িয কিনা? কবর যিয়ারতের সঠিক তরীকা কি? ‘বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে সমস্ত মৃত ব্যক্তিদের রূহ সমূহ এ পৃথিবীতে আগমন করে থাকে এবং জুম‘আর দিনে সমস্ত কবরবাসীদের আযাব মাফ করে দেয়া হয়।’ ইসলামের দৃষ্টিতে কথাগুলো কি ঠিক?


জবাবঃ


মহিলাদের মধ্যে সৃষ্টিগতভাবে ধৈর্য-সহ্য কম হয়ে থাকে, যার দরুন কবর দেখে বা মুর্দার কথা স্বরণ করে কান্না-কাটি, চিল্লা-চিল্লি করার সম্ভাবনা রয়েছে। সাথে সাথে বিনা জরুরতে মহিলাদের জন্য বাড়ী হতে বের হওয়াটাই অসংখ্য ফিতনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়, তাই কবর যিয়ারতের জন্য তাদেরকে শরী‘আতে অনুমতি দেয়া হয়নি। (প্রমাণ: মিশকাত ১:১৫৪, শামী, ২:২৪২ #ফাতাওয়া মাহমুদিয়া, ২:৩৬৮ #আহসানুল ফাতাওয়া, ৪:১৮৬ #ফাতাওয়া দারুল উলূম ৫:৪১৮)


আর কবর যিয়ারতের তরীকা হলো, কবরের কাছে গিয়ে সম্ভব হলে, মুর্দার পায়ের দিক দিয়ে যেয়ে চেহারা বরাবর এসে কিবলার দিকে পিঠ করে কবরের দিকে মুখ করে দাঁড়াবে এবং এভাবে সালাম বলবে-


السلام عليكم يا اهل القبور من المسلمين والمؤمنين انتم لنا سلف ونحن لكم تبع وانا ان شاء الله بكم لاحقون يرحم الله المستقدمين منا والمستأخرين اسأل الله لنا ولكم العافية يغفر الله لنا ولكم ويرحمنا الله واياكم.


অতঃপর ‍কুরআনের আয়াত, সূরা বিশেষভাবে সূরা ইখলাস, সূরা ফাতিহা, আয়াতুল কুরছী, আমানার রাসূলু, সূরা ইয়াসীন, সূরা মুলক ইত্যাদি যতটুকু সম্ভব হয় পড়বে। অতঃপর উক্ত ‍দু‘আ কালাম এর সাওয়াব কবরবাসীদের নামে বখশে দিবে। আর সাওয়াব পৌঁছানোর জন্য হাত উঠানোর কোন প্রয়োজন নেই। তবে যদি একান্ত হাত উঠাতে হয়, তাহলে কবরের দিকে পিঠ করে কিবলার দিকে মুখ করে নিবে। (প্রমাণ: ফাতাওয়া শামী, ২:২৪২ #ফাতাওয়া দারুল উলূম, ৫:৪৫০ #মালাবুদ্দা মিনহু ৭৫ # ফাতাওয়া রশীদিয়া, ২৩১)


উল্লেখ্য যে কবর যিয়ারতের জন্য উত্তম দিন হলো, জুম‘আর দিন। তবে তার একদিন আগে বা পরে এবং সোমবার দিনকেও কবর যিয়ারতের জন্য বরকতের দিন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।


আর বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে সকল মৃত ব্যক্তিদের রূহ পৃথিবীতে আগমন করে থাকে- এ কথাটি একেবারেই অবাস্তব। কুরআন-হাদীসে এর কোন প্রমাণ নেই। মুসলমানদের জন্য এ ধরনের বিশ্বাস রাখা কখনও ঠিক হবে না। জুম‘আর দিন সমস্ত কবরবাসীদের আযাব মাফ করে দেয়া হয়- এমন কথাও ঠিক নয়। তবে জুম‘আর দিন কেউ মারা গেলে তার কবরের আযাব মাফ হওয়ার কথা হাদীসে পাওয়া যায়। (প্রমাণঃ তিরমিযী শরীফ #ফাতাওয়া শামী ২:২৪৩ #ফাতাওয়া রশীদিয়া ২৩৩-২৩৪ #ফাতাওয়া দারুল উলূম ৫:৩৪৯  #আশরাফুল জাওয়াব, ১৫৬)