elektronik sigara

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা এর লিখিত সকল কিতাব পাওয়ার জন্য ক্লিক করুন

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর সমস্ত কিতাব, বয়ান, প্রবন্ধ, মালফুযাত পেতে   ইসলামী যিন্দেগী  App টি সংগ্রহ করুন।

প্রতিদিন আমল করার জন্য “দৈনন্দিন আমল ও দু‘আসমূহ” নামক একটি গুরত্বপূর্ণ কিতাব আপলোড করা হয়েছে।

ইনশাআল্লাহ জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় দাওয়াতুল হকের মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ ঈসায়ী।

সুখবর! সুখবর!! সুখবর!!! হযরতওয়ালা দা.বা. এর গুরত্বপূর্ণ ২ টি নতুন কিতাব বেরিয়েছে। “নবীজীর (সা.) নামায” এবং “খ্রিষ্টধর্ম কিছু জিজ্ঞাসা ও পর্যালোচনা”।  আজই সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

এক মাযহাবের লোকের জন্য অন্য মাযহাবের লোকদের ইমামতী

তারিখ : ১৪ - ফেব্রুয়ারী - ২০১৮  

জিজ্ঞাসাঃ

হানাফী মাযহাবের কোন লোক যদি অন্য মাযহাবের লোকদের ইমামতী করে এবং উক্ত মাযহাবের অনুসরণ করে যেমন, رفع يدين (হাত উঠানো) আওয়ায করে আমীন বলা ইত্যাদি, এমতাবস্থায় উক্ত ব্যক্তির জন্য ইমামতী করা সহীহ হবে কি-না ? অথবা হাত না উঠিয়ে হাত উঠানোর ভান করা যেমন, রুমালকে দুই হাত দিয়ে ঝাকি মারা, যাতে করে অন্য মাযহাবের মুক্তাদিরা বুঝতে পারে যে, رفع يدين করেছে। তাহলে এভাবে ইমামতী করা জায়িয হবে কি-না ? এবং উক্ত কাজটি ধোকার মধ্যে গণ্য হবে কি-না ?

 


জবাবঃ


এক মাযহাবের অনুসারীগণ অন্য মাযহাবের অনুসারী লোকদের ইমামতী করতে পারে। উদাহরণতঃ হানাফী মাযহাবের কোন লোক শাফিয়ীদের ইমাম হতে পারে। অনুরূপ শাফিয়ী মাযহাবের লোক হানাফীদের ইমাম হতে পারে। ইমাম সাহেব তার মাযহাব অনুযায়ী নামায পড়াবেন। ইমামের জন্য মুক্তাদীর মাযহাবের দিকে লক্ষ্য করার কোন প্রয়োজন নেই। তাছাড়া এরূপ করার অনুমতিও নেই। তবে দু’চারটা পয়সার জন্য মুক্তাদীদের সন্তুষ্টিকল্পে এরূপ করা অর্থাৎ নামাযে রুমাল ঝাকি দেয়া নিঃসন্দেহে ধোকাবাজী ও গোনাহের কাজ। এর দ্বারা নামাযেরও ক্ষতি হয়।


ইমাম ও মুক্তাদী নিজ নিজ মাযহাব অনুযায়ী নামায আদায় করবেন। এতে শরী‘আতের দৃষ্টিতে কোনরূপ অসুবিধা নেই। এ শর্ত মেনে যারা ইমাম রাখেন তাদের ইমামতী করবে। নতুবা নিজের সহীহ মাযহাব বদল করে বা ধোকাবাজী করে ইমামতী করবে না।


উল্লেখ্য যে, কোন মাযহাব অনুযায়ী কোন বিষয় যদি উযু ভঙ্গের কারণের মধ্যে পড়ে, কিন্তু অন্য মাযহাব অনুযায়ী পড়ে না, সেক্ষেত্রে ইমাম সাহেব থেকে এ ধরনের কোন কিছু পাওয়া গেলে অন্য মাযহাবের অনুসারী মুক্তাদীদের নামায দোহরানো কর্তব্য। [প্রমাণঃ শামী ১ : ৫৬৩ পৃঃ # আহসানুল ফাতাওয়া পৃ: ৩ : ৩১৫ পৃ: # দারুল উলূম ৩ : ১৯৪ পৃ: ও ৩ : ২০৫ পৃ:]