elektronik sigara

সুখবর! সুখবর!! সুখবর!!! হযরতওয়ালা দা.বা. এর গুরত্বপূর্ণ ২ টি নতুন কিতাব বেড়িয়েছে। “নবীজীর (সা.) নামায” এবং “খ্রিষ্টধর্ম কিছু জিজ্ঞাসা ও পর্যালোচনা”।  আজই সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা দা.বা. এর কিতাব অনলাইনের মাধ্যমে কিনতে চাইলে ভিজিট করুনঃ www.maktabatunnoor.com

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. এর সমস্ত কিতাব, বয়ান, প্রবন্ধ, মালফুযাত পেতে   ইসলামী যিন্দেগী  App টি সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

এক ব্যক্তির ইসলাম গ্রহণ এবং বিবাহ

তারিখ : ০১ - ফেব্রুয়ারী - ২০১৮  

 

জিজ্ঞাসা: একজন হিন্দু ভদ্রলোক দুইজন মুসলমানের সামনে ‘আমি অমুক, স্বেচ্ছায় সজ্ঞানে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলাম’ বলে কালেমা পাঠ করলো। এরপর সে একটি ইসলামী নাম গ্রহণ করলো। লোকটি পরে ঐ দুই স্বাক্ষীর সামনে একজন মুসলমান বিধবাকে দেনমোহর উল্লেখ পূর্বক বিবাহের প্রস্তাব দিলো এবং মেয়েটি তা কবুল করলো। সামাজিক ও পারিবারিক কারণে বিষয়টি মেয়েটির অল্প সংখ্যক আত্মীয় স্বজন ছাড়া আর কাউকে জানানো হলো না।

উল্লেখ্য, ঐ নওমুসলিম যথারীতি তার স্ত্রীর ভরণপোষণ দেয় এবং স্ত্রীর সাথে সন্তোষজনক যোগাযোগ রাখে।

এখন প্রশ্ন হলো, উল্লেখিত প্রক্রিয়ায় লোকটির ইসলাম ধর্ম গ্রহণ এবং মুসলিম নারীকে বিবাহ উভয়টি শরী‘আতসম্মত হয়েছে কিনা? যদি না হয়ে থাকে তাহলে কী উপায়ে তা করতে হবে?


ক. কোনো ব্যক্তির ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার জন্য শর্ত হলো, কালিমা এর অর্থ ও মর্মের উপর দৃঢ় বিশ্বাস রেখে খালিস দিলে কালিমা মুখে পাঠ করা এবং ঈমানে মুজমাল ও ঈমানে মুফাসসালের মধ্যে যেসব বিষয় উল্লেখ আছে তার উপরও ঈমান আনা।


কারো প্রকৃত মুসলমান হওয়ার জন্য মানুষের সামনে বা কাউকে সাক্ষী রেখে কালিমা পড়া জরুরী নয়। তবে দুনিয়ায় তার উপর ইসলামী আইন কানুন চালু করার জন্য মুসলমানদের সাক্ষী রেখে কালিমা পড়া জরুরী।


প্রশ্নে উল্লেখিত সূরতে যেহেতু সে দুইজন মুসলমানের সামনে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের লক্ষ্যে কালিমা পাঠ করেছে তাই তার ইসলাম গ্রহণ সঠিক হয়েছে। এখন সে মুসলমান বিবেচিত হবে। তার জন্য ইসলাম গ্রহণের পর থেকে ইসলামের জরুরী বিষয়গুলো জানা ও মানা ফরয হয়ে গেছে।


খ. উক্ত ব্যক্তি যেহেতু প্রকাশ্যভাবে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছে, তাই তার জন্য বিবাহের যাবতীয় শর্ত বজায় রেখে যেকোনো মুসলমান নারীকে বিবাহ করা বৈধ হবে। অতএব, প্রশ্নোক্ত বিবাহও শুদ্ধ হয়েছে।


উল্লেখ্য যে, ইসলাম গ্রহণের উদ্দেশ্য পার্থিব এ জীবনকে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আদর্শ মোতাবেক পরিচালিত করে পরকালে মুক্তির যোগ্য হওয়া। কাজেই মুসলমান নারীর সাথে নিয়মিত ঘর-সংসার করার সাথে সাথে শরী‘আতের অন্যান্য হুকুম আহকাম মেনে চলার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া আবশ্যক। এমন যেন না হয় যে, ইসলাম গ্রহণ করা হয়েছে শুধু মুসলিম নারীকে বিবাহ করার জন্যই। আল্লাহ না করুন এমন হয়ে থাকলে, এই ইসলাম পরকালের কোনো কাজে আসবে না।


(প্রমাণ: সূরা নিসা: ৯৪, বাকারা: ১১২, সূরা নূর:৩২, বুখারী হাদীস নং-১২৮, মুসলিম হাদীস নং- ১৭৩১, রদ্দুল মুহতার: ১/২২১, ফাতাওয়া হিন্দিয়া: ১/২৬৭)