elektronik sigara

ইনশাআল্লাহ জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় দাওয়াতুল হকের মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২১শে জুমাদাল উলা, ১৪৪৪ হিজরী, ১৬ই ডিসেম্বর, ২০২২ ঈসা‘য়ী, শুক্রবার (সকাল ৭-৮টা থেকে শুরু হবে ইনশাআল্লাহ)

জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসা থেকে প্রকাশিত একাডেমিক ক্যালেন্ডার পেতে ক্লিক করুন

হযরতওয়ালা দা.বা. কর্তৃক সংকলিত চিরস্থায়ী ক্যালেন্ডার ডাউনলোড করতে চাইলে এ্যাপের “সর্বশেষ সংবাদ” এ ভিজিট করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা এর লিখিত সকল কিতাব পাওয়ার জন্য এ্যাপের “সর্বশেষ সংবাদ” থেকে তথ্য সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা দা.বা. এর কিতাব অনলাইনের মাধ্যমে কিনতে চাইলে ভিজিট করুনঃ www.maktabatunnoor.com

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

ঈদের নামাযে মাসবূক হলে

তারিখ : ১৪ - ফেব্রুয়ারী - ২০১৮  

জিজ্ঞাসাঃ

যদি কেউ ঈদের নামাযে মাসবূক হয়, তাহলে সে কেমন করে ছুটে যাওয়া নামায আদায় করবে?


জবাবঃ


(ক) যদি কেউ প্রথম রাকা‘আতের অতিরিক্ত তাকবীরের পর ইমামের ইকতিদা করে, তাহলে সে প্রথমে তাকবীরে তাহরীমা বলে অতিরিক্ত তাকবীর তিনটি বলবে। যদিও ইমাম কিরা‘আত আরম্ভ করে দিয়ে থাকে।


(খ) আর যদি কেউ ইমামকে প্রথম রাকা‘আতের রুকূ অবস্থায় পায়, তাহলে সে ব্যক্তি তাকবীরে তাহরীমার পরে অতিরিক্ত তাকবীর বলে রুকূতে যাবে। আর যদি তার আশংকা থাকে যে, অতিরিক্ত তাকবীর বলতে গেলে ইমামকে রুকূ অবস্থায় পাবে না, তাহলে সে প্রথমে রুকূতে যাবে। রুকূতে থাকা অবস্থায় অতিরিক্ত তাকবীরগুলো হাত উঠানো ব্যতীত আদায় করবে। আর যদি তাকবীরগুলো শেষ করার পূর্বেই ইমাম রুকূ থেকে উঠে যায়, তাহলে অবশিষ্ট তাকবীরগুলো তার জন্য মাফ হয়ে যাবে।


(গ) আর যদি সে দ্বিতীয় রাকা‘আতে শরীক হয়ে দ্বিতীয় রাকা‘আতের অতিরিক্ত তাকবীরগুলো বলতে পারে, তাহলে সে ইমামের দুই দিকে সালাম ফিরানোর পর উঠে দাঁড়াবে এবং কিরা‘আত শেষ করে রুকূতে যাবে। কারণ, এটা তার দ্বিতীয় রাকা‘আত আর ইমামের সঙ্গে যে রাকা‘আত পড়েছে ,তা প্রথম রাকা‘আত গণ্য হবে।


(ঘ) আর যদি কেউ ইমামের দ্বিতীয় রাকা‘আতের রুকূতে শরীক হয়, তাহলে প্রথম রাকা‘আতের রুকূতে মাসবূক হলে, যেভাবে নামায আদায় করে, সে ভাবেই নামায আদায় করবে। অর্থাৎ রুকূতে যাওয়ার পূর্বে তাকবীরগুলো বলে তারপর রুকূতে যাবে। আর যদি তাতে রুকূ না পাওয়ার আশংকা হয়, তাহলে রুকূর মধ্যে অতিরিক্ত তাকবীরগুলো আদায় করে নিবে। আর যদি শেষ করার পূর্বেই ইমাম রুকূ থেকে উঠে যায়, তবে বাকী তাকবীর মাফ হয়ে যাবে। আর যদি কেউ ইমামের সাথে দ্বিতীয় রাকা‘আতের রুকূ শেষ হওয়ার পর সালামের আগ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে শরীক হয়, তাহলে ইমামের সালাম ফিরানোর পর দাঁড়িয়ে যাবে এবং ইমামের সাথে যেভাবে নামায আদায় করা হয় ঠিক সেভাবেই পূর্ণ নামাম আদায় করবে। অর্থাৎ প্রথমে সানা পড়বে, তারপর অতিরিক্ত তাকবীর আদায় করে কিরা‘আত পড়ে প্রথম রাকা‘আত শেষ করবে। অতঃপর দ্বিতীয় রাকা‘আতের পূর্বে অতিরিক্ত তাকবীর আদায় করবে। তারপর রুকূর তাকবীর বলে রুকূতে যাবে এবং নিয়মিত ভাবে নামায শেষ করবে। (প্রমাণঃ খুলসাতুল ফাতাওয়া ১:২১৫# আদ-দুররুল মুখতার ১:৬১৬# ফাতাওয়া সুলতানিয়া ১:৮২# আহসানুল ফাতাওয়া ৪:১৪৩)