elektronik sigara

সুখবর! সুখবর!! সুখবর!!! হযরতওয়ালা দা.বা. এর গুরত্বপূর্ণ ২ টি নতুন কিতাব বেড়িয়েছে। “নবীজীর (সা.) নামায” এবং “খ্রিষ্টধর্ম কিছু জিজ্ঞাসা ও পর্যালোচনা”।  আজই সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা দা.বা. এর কিতাব অনলাইনের মাধ্যমে কিনতে চাইলে ভিজিট করুনঃ www.maktabatunnoor.com

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. এর সমস্ত কিতাব, বয়ান, প্রবন্ধ, মালফুযাত পেতে   ইসলামী যিন্দেগী  App টি সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

ইমামের জন্য দাঁড়িতে খেজাব লাগানো

তারিখ : ১৪ - ফেব্রুয়ারী - ২০১৮  

জিজ্ঞাসাঃ

দাঁড়িতে বা চুলে কালো খেজাব (কলপ) লাগানো জায়িয আছে কি-না ? পাপ হলে তা কোন প্রকার ? যদি কোন ইমাম তাঁর দাঁড়িতে খেজাব লাগান, তাহলে তার ইমামতীর কি হুকুম ? এমতাবস্থায় মুসল্লীগণের কি করা উচিত ?


জবাবঃ


দীন ইসলামের জন্য জিহাদরত মুজাহিদ ব্যতীত অন্য কারো জন্য দাঁড়ি বা চুলে সম্পূর্ণ কালো খেজাব লাগানো নাজায়েয। হযরত ইবনে আব্বাস রা. হতে বর্ণিত আছে যে, হযরত নবী করীম সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন- “শেষ যামানায় এমন কিছু সংখ্যক লোক হবে, যারা কাল খেজাব লাগাবে তারা জান্নাতের ঘ্রানও পাবে না।” অন্য এক হাদীসে আছে “যে ব্যক্তি কাল খেজাব লাগাবে আল্লাহ তা‘আলা কিয়ামতের দিন তার চেহারা কাল করে দিবেন। সুতরাং যেহেতু কাল খেজাব লাগানো নাজায়েয। যে ব্যক্তি নাজায়েয কাজের মধ্যে লিপ্ত থাকে তাকে শরী‘আতের পরিভাষায় ফাসিক বলা হয়। আর ফাসিকের জন্য ইমামতী করা এবং তার পিছনে ইকতিদা করা উভয়টি মাকরূহে তাহরীমী। অতএব মসজিদ কমিটি ও মুসল্লীগণের জন্য জরুরী যে, ইমাম সাহেবকে উক্ত কাজ অর্থাৎ কাল খেজাব লাগান বন্ধ করে অতীতের অন্যায়ের জন্য খালিস অন্তরে তাওবা করতে বলবেন। আর যদি তাতে সম্মতি প্রকাশ না করে তাহলে তাকে ইমামতী থেকে বরখাস্ত করে তার স্থলে মুত্তাকী ও পরহেযগার আলেম ইমাম নিয়োগ করবেন। [প্রমাণঃ আবূ দাউদ শরীফ, ২ : ৫৭৮, # ফাতাওয়া দারুল উলূম ৩ : ১১৮, # ফাতাওয়া রহীমিয়া ৬ : ২৯০]