elektronik sigara

আগামী ইজতেমা ২০শে জুমাদাল উখরা, ১৪৪৪ হিজরী ‍মুতাবেক ১৩ই জানুয়ারী, ২০২৩ ঈসায়ী তারিখ শুক্রবার থেকে ২২শে জুমাদাল উখরা, ১৪৪৪ হিজরী মুতাবেক ১৫ই জানুয়ারী, ২০২৩ ঈসায়ী তারিখ রবিবার পর্যন্ত চলবে। অর্থাৎ ১৩,১৪,১৫ জানুয়ারী, ২০২৩। ইজতেমার ময়দানের ম্যাপ ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন

 

ইনশাআল্লাহ জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় দাওয়াতুল হকের মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৬শে জুমাদাল উখরা, ১৪৪৪ হিজরী, ২০ই জানুয়ারী, ২০২৩ ঈসা‘য়ী, শুক্রবার (সকাল ৭-৮টা থেকে শুরু হবে ইনশাআল্লাহ)

হযরতওয়ালা দা.বা. কর্তৃক সংকলিত চিরস্থায়ী ক্যালেন্ডার ডাউনলোড করতে চাইলে এ্যাপের “সর্বশেষ সংবাদ” এ ভিজিট করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা এর লিখিত সকল কিতাব পাওয়ার জন্য এ্যাপের “সর্বশেষ সংবাদ” থেকে তথ্য সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা দা.বা. এর কিতাব অনলাইনের মাধ্যমে কিনতে চাইলে ভিজিট করুনঃ www.maktabatunnoor.com

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

আযান-ইকামত ও নামাযের তরীকা

তারিখ : ১৪ - ফেব্রুয়ারী - ২০১৮  

জিজ্ঞাসাঃ

আমাদের এলাকায় একজন আলিম এসেছিলেন। তিনি আযান-ইকামত, উযু-নামায, বিবাহ-শাদী ও কাফন-দাফন সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে শরী‘আতের বিধান এবং নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম –এর সুন্নাত তরীকার বর্ণনা প্রদান করেন। তাঁর কথাগুলো আমাদের কাছে খুবই নতুন মনে হল। কেননা এসব বিষয় এত বিস্তারিত ইতিপূর্বে আমরা আর শুনিনি বা সাধারণতঃ কাউকে বলতেও শুনা যায় না। তাঁর কথা দ্বারা বুঝলাম যে, আমরা যেভাবে শরী‘আতের বিধানগুলো পালন করছি, তা আল্লাহর বিধান এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর তরীকার সাথে খুব কমই মিল রয়েছে। বরং অধিকাংশ ক্ষেত্রে আমরা শরী‘আতের বিধানের খেলাফ কাজ করে যাচ্ছি এবং সেটাকেই দীন মনে করছি। যাহোক তার কথাগুলো যেহেতু নতুন মনে হল, তাই আপনাদের নিকট আযান-ইকামতের বিষয় জানতে চাচ্ছি। তিনি আযান ও ইকামতে……….. (আল্লাহ) শব্দের লামের মধ্যে এবং সকল মাদ্দে তাবায়ীর মধ্যে এক আলিফ থেকে বেশী লম্বা করতে নিষেধ করেছেন। আযান ১২ শ্বাসে দিতে বলেছেন। অবশ্য ফজরের আযান ১৪ শ্বাসে দিতে বলেছেন। আর ইকামত ৭ শ্বাসে দিতে বলেছেন। আযান ও ইকামতের প্রত্যেক বাক্যের শেষে সাকিন করে পড়তে বলেছেন। এবং ইকামতেও আযানের ন্যায় চেহারা ঘুরাতে বলেছেন। তার এই কথা শরী‘আতের দৃষ্টিতে কতটুকু গ্রহণযোগ্য ? প্রমাণসহ বিস্তারিত জানতে ইচ্ছুক।

 


জবাবঃ


সম্ভবতঃ উক্ত আলিম ব্যক্তি হযরত থানবী রহ. কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত মজলিসে দাওয়াতুল হক- এর কোন যিম্মাদার বা সদস্য হবেন। কারণ, বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মজলিসে দাওয়াতুল হক সংশ্লিষ্ট আলেম-উলামা সমাজের সকল স্তরে মুর্দা সুন্নাতসমূহ পুনর্জীবিত করছেন এবং সর্বস্তরে সহীহ সুন্নাতকে কায়িম করার জন্য আপ্রাণ প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন।


আপনি উক্ত আলিম সাহেবের রেফারেন্স দিয়ে যে কথাগুলো বলেছেন তা সবই সহীহ, সঠিক এবং সুন্নাত মুতাবিক।


(ক) আযান-ইকামত ও নামাযের তাকবীর সমূহে এবং সকল মাদ্দে তাবায়ীতে এক আলিফ মাদ্দ করতে হবে এটাই সহীহ কথা। এর থেকে কম করা হারাম এবং বেশী করা মাকরূহে তাহরীমী।


(খ) আযান ১২ শ্বাসে এবং ইকামত ৭ শ্বাসে দেয়া সুন্নাত।


(গ) আযান ও ইকামতের প্রত্যেক বাক্যের শেষে সাকিন করে বলা সুন্নাত। আকবার শব্দটির “রা” অক্ষরে পেশ পড়া ভুল এবং সুন্নাতের খেলাপ।


(ঘ) ইকামতে حى على الصلاة  এবং  حى على الفلاح বলার সময় ডানে ও বামে চেহারা ঘুরানো সুন্নাত।


[প্রমাণ: ফাতাওয়া শামী: ১ /৩৮৭ -৩৯৯, আলবাহরুররায়িক: ১/ ২৫৭, ফাতহুল কাদীর: ১/২১৩, তাতারখানিয়া: ১/৫১৮, নববী ২/৭৭, ২/১৯০, ফাতাওয়া শামী:১/৩৮২]