elektronik sigara

সুখবর! সুখবর!! সুখবর!!! হযরতওয়ালা দা.বা. এর গুরত্বপূর্ণ ২ টি নতুন কিতাব বেড়িয়েছে। “নবীজীর (সা.) নামায” এবং “খ্রিষ্টধর্ম কিছু জিজ্ঞাসা ও পর্যালোচনা”।  আজই সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা দা.বা. এর কিতাব অনলাইনের মাধ্যমে কিনতে চাইলে ভিজিট করুনঃ www.maktabatunnoor.com

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. এর সমস্ত কিতাব, বয়ান, প্রবন্ধ, মালফুযাত পেতে   ইসলামী যিন্দেগী  App টি সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

আযানের পর নামাযের জন্য পুনরায় ডাকাডাকি করা

তারিখ : ১৪ - ফেব্রুয়ারী - ২০১৮  

জিজ্ঞাসাঃ

মসজিদে ফজরের আযান দেয়ার পর দলবদ্ধভাবে অথবা একাকী নামাযের জন্য মানুষকে ডাকাডাকি করার শর‘ই বিধান কি ? বর্তমান যুগে জামা‘আতের সাথে নামায আদায়ের ব্যাপারে মানুষের শিথিলতা প্রদর্শনের প্রেক্ষিতে এ ডাকাডাকির গুরুত্ব কতটুকু ?

 


জবাবঃ


তাসবীব অর্থাৎ আযানের পর জামা‘আতের কিছুক্ষণ পূর্বে যিকির তাসবীহ, আসসালাতু জামি‘আ” অথবা নামায প্রস্তুত” ইত্যাদি শব্দের মাধ্যমে নামাযের জন্য যেভাবে ডাকাডাকি করা হয়, এতে মানুষের অনেক উপকার হয়। মসজিদে মুসল্লিদের সংখ্যাও বৃদ্ধি পায়। কেননা গভীর রাতে ঘুমানোর কারণে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও অনেকের পক্ষেই আযানের পর জাগ্রত হওয়া সম্ভব হয় না। এমনকি অনেকের নামাযও কাযা হয়ে যায়। কিন্তু জামা‘আতের পূর্বে এ ডাকাডাকি করার ফলে অনেকের পক্ষে জামা‘আতে অংশগ্রহণ করা সম্ভব হয়। আর কেউ যদি জামা‘আতে শরীক হতে নাও পারে, তারপরও অন্তত: একা নামায আদায় করে নিতে পারে। এদিকে লক্ষ্য করেই উলামায়ে কিরাম ফজরের সময় আযানের পর পুনরায় নামাযের জন্য ডাকাডাকি করা উত্তম হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।


অন্যান্য নামাযের জন্যও এরূপ তাসবীবের অনুমতি আছে। কারণ বর্তমানে এ ফিতনার যুগে প্রত্যেক ওয়াক্তের নামাযের ক্ষেত্রেই মানুষের মাঝে উদাসীনতা পরিলক্ষিত হয়। [প্রমাণ: ফাতাওয়া মাহমুদিয়া ২ : ৩৬২ # ফাতাওয়া দারুল উলুম ২ : ১০১/৯৮]