elektronik sigara

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা এর লিখিত সকল কিতাব পাওয়ার জন্য ক্লিক করুন

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর সমস্ত কিতাব, বয়ান, প্রবন্ধ, মালফুযাত পেতে   ইসলামী যিন্দেগী  App টি সংগ্রহ করুন।

প্রতিদিন আমল করার জন্য “দৈনন্দিন আমল ও দু‘আসমূহ” নামক একটি গুরত্বপূর্ণ কিতাব আপলোড করা হয়েছে।

ইনশাআল্লাহ জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় দাওয়াতুল হকের মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ ঈসায়ী।

সুখবর! সুখবর!! সুখবর!!! হযরতওয়ালা দা.বা. এর গুরত্বপূর্ণ ২ টি নতুন কিতাব বেরিয়েছে। “নবীজীর (সা.) নামায” এবং “খ্রিষ্টধর্ম কিছু জিজ্ঞাসা ও পর্যালোচনা”।  আজই সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

অবৈধ অর্থ দ্বারা ইমামের বেতন

তারিখ : ১৪ - ফেব্রুয়ারী - ২০১৮  

জিজ্ঞাসা:

মুসল্লীরা যদি অবৈধভাবে অর্থ উপার্জন করে ইমামকে বেতন প্রদান করে, তাহলে ইমামের জন্য সেই বেতন নেয়া জায়িয হবে কি-না?

 


জবাব:


কুরআন কারীমে আল্লাহ তা‘আলা কোন মানুষের প্রতি বিনা দলীল-প্রমাণে খারাপ ধারণা করতে নিষেধ করেছেন। তাই নিশ্চিতভাবে না জেনে অযথা মুসল্লীদের মাল অবৈধ পন্থায় উপার্জিত হওয়ার ব্যাপারে খারাপ ধারনা করা নাজায়িয। বরং এরূপ ক্ষেত্রে মুসলমানদের ব্যাপারে ভাল ধারনা পোষণ করার জন্য হাদীসে নির্দেশ এসেছে। সুতরাং মুসল্লীদের মালের অর্ধেক বা অর্ধেকের বেশী হারাম হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিতভাবে জানার পূর্বে ইমাম সাহেবের জন্য মুসল্লীদের নিকট থেকে বেতন নেয়া জায়িয হবে।


তবে যদি কোন ইমাম নিশ্চিতভাবে জানতে পারেন যে, অমুক মুসল্লীর অর্ধেক বা অধিকাংশ মাল হারাম পন্থায় উপার্জিত তাহলে ইমাম সাহেব সেই মুসল্লী থেকে বেতন, ভাতা ও হাদিয়া ইত্যাদি গ্রহণ করবেন না। আর যদি ইমাম সাহেব বিশেষ কোন মুসল্লীর অর্ধেকের বেশী মাল হালাল হওয়ার ব্যাপারে নিশ্চিত হন বা এ ব্যাপারে তার অন্তরে প্রবল ধারনা সৃষ্টি হয়, তাহলে তার থেকে বেতন বা হাদিয়া গ্রহণ জায়িয হবে। [প্রমাণঃ সূরা মায়িদা ২, # সূরা হুজুরাত ১২, # মিশকাত ২৪৪ # ইমদাদুল ফাতাওয়া ৪:১৪৭ # ফাতাওয়া রহীমিয়া ২:১৯৫ # আহসানুল ফাতাওয়া ৭:২২]