elektronik sigara

সুখবর! সুখবর!! সুখবর!!! হযরতওয়ালা দা.বা. এর গুরত্বপূর্ণ ২ টি নতুন কিতাব বেড়িয়েছে। “নবীজীর (সা.) নামায” এবং “খ্রিষ্টধর্ম কিছু জিজ্ঞাসা ও পর্যালোচনা”।  আজই সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা দা.বা. এর কিতাব অনলাইনের মাধ্যমে কিনতে চাইলে ভিজিট করুনঃ www.maktabatunnoor.com

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. এর সমস্ত কিতাব, বয়ান, প্রবন্ধ, মালফুযাত পেতে   ইসলামী যিন্দেগী  App টি সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

অনুপস্থিতির কারণে বেতন কেটে রাখা

তারিখ : ১৪ - ফেব্রুয়ারী - ২০১৮  

জিজ্ঞাসাঃ

আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেবের মাসিক বেতন ১৫০০/= টাকা। তাঁকে প্রতি দুইমাস অন্তর পনের দিনের ছুটি দেয়া হয়। ইমাম সাহেব ছুটিতে বাড়িতে গেলে আসার সময় অনিচ্ছা সত্ত্বেও ২/১ ‍দিন দেরী হয়ে যায়। ফলে মসজিদের সেক্রেটারী বেতন থেকে টাকা কর্তন করে রাখেন। অর্থাৎ যে কয়দিন কামাই যায় সেই কয়দিনের বেতনের টাকা কেটে রাখেন। এটা কি শরী‘আত অনুযায়ী বৈধ হবে ?

 


জবাবঃ


শরী‘আত মতে, যেমন শর্ত ও চুক্তি হবে সেভাবেই পরবর্তীতে লেন-দেন হবে। সেই হিসেবে যদি চাকুরীজীবীর জন্য কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে এমন শর্ত করা থাকে যে, বিনা ছুটিতে অনুপস্থিত থাকলে তার জন্য বেতন কর্তন করা হবে এবং সে উক্ত শর্ত জেনে শুনে চাকুরী গ্রহণ করে থাকে, তাহলে নিয়ম অমান্য করার কারণে তার বেতন কেটে নেয়া জায়িয হবে। তবে পূর্ব চুক্তি না থাকলে বেতন কাটতে পারবে না। মোটকথা পূর্বশর্ত অনুযায়ী মু‘আমালা কার্যকর হবে। কারণ মুতাওয়াল্লী বা কমিটির জন্য শর্ত সাপেক্ষে ইমাম নিয়োগ করা জায়িয আছে। ইমামও সে শর্ত মেনে নিয়ে চাকুরী গ্রহণ করতে পারে। অতএব, নিয়মের ব্যতিক্রম করলে তার বেতন কর্তন করা যাবে।


অবশ্য মসজিদ কর্তৃপক্ষের মানবিক কর্তব্য এই যে, যদি মাঝে মধ্যে এ ধরণের অসুবিধা দেখা দেয় এবং সেটা বিশেষ কোন অসুবিধার কারণে হয়, তাহলে উক্ত ২/১ দিনের বেতন না কেটে ছুটি মঞ্জুর করে নেওয়া। কারণ, ইমাম তাদের জন্য দীনের দৃষ্টিতে সবচেয়ে বেশী খায়েরখাহ বন্ধু। তার সমস্যার প্রতি লক্ষ্য রাখা তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য। তারা এ দায়িত্ব পালন করলে আল্লাহ তা‘আলা তাদের প্রতি বিশেষ অনুগ্রহ করবেন। আর ইমামের দায়িত্ব যে, বিনা উযরে খামাখা দায়িত্ব পালনে অনিহা দেখিয়ে নিজেকে দায়িত্বহীন প্রমাণিত না করা। [প্রমাণ: ফাতাওয়া আলমগীরী ৪ : ৪৪৮, # ফাতাওয়া মাহমূদিয়া ৬ : ৩১১]