elektronik sigara

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর সমস্ত কিতাব, বয়ান, প্রবন্ধ, মালফুযাত পেতে   ইসলামী যিন্দেগী  App টি সংগ্রহ করুন।

প্রতিদিন আমল করার জন্য “দৈনন্দিন আমল ও দু‘আসমূহ” নামক একটি গুরত্বপূর্ণ কিতাব আপলোড করা হয়েছে।

ইনশাআল্লাহ জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় দাওয়াতুল হকের মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ঈসায়ী।

সুখবর! সুখবর!! সুখবর!!! হযরতওয়ালা দা.বা. এর গুরত্বপূর্ণ ২ টি নতুন কিতাব বেরিয়েছে। “নবীজীর (সা.) নামায” এবং “খ্রিষ্টধর্ম কিছু জিজ্ঞাসা ও পর্যালোচনা”।  আজই সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

মু‘আমালা যথাযথ হওয়া এটা পুরুষের জন্যও কর্তব্য, মহিলার জন্যও অর্থাৎ রিযিক ও সব রকম লেনদেন হালাল হওয়া। যত কেনা-কাটা, ব্যবসা-বাণিজ্য যা আছে সব মু‘আমালাতের মধ্যে দাখিল। এক কথায় আমরা বলি, হালাল রিযিক।

এই হালাল রিযিকের ব্যাপারে তৎপর ও সাবধান হওয়া স্বামীর যেমন জরুরী, স্ত্রীরও তেমন জরুরী। এটা বলতে পারবে না যে, স্বামী কোত্থেকে আনে, সেটা কি আমি বলতে পারি? এমনও হতে পারে যে, স্বামী মাসআলাই জানে না বা স্ত্রীকে এমন টাকা দিয়েছে, যা তার জন্য হালাল নয়। দরকার হয় তার কাছ থেকে জিজ্ঞাস করে নিতে হবে। কারণ, সে হালাল তরীকায় উপার্জন করছে, না হারাম তরীকায়, তার তাহকীক প্রয়োজন। কোন হারাম রিযিক দ্বারা যে রক্ত-গোশত হবে, এই রক্ত-গোশত জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। কাজেই স্বামীর রিযিক যাতে হালাল আসে, এই দিকে স্ত্রীর খেয়াল রাখতে হবে এবং স্বামীকে বলে দিবে, খবরদার! আপনি কখনো হারাম রিযিকের দিকে যাবেন না। আমরা যেভাবেই হোক, জাউ-রুটি খেয়ে থাকতে রাজী আছি, ছেঁড়া ফাটা কাপড় পরে থাকতে রাজী আছি, কিন্তু হারাম ভাবে পয়সা এনে আমাদেরকে পোছপাছে রাখার প্রয়োজন নেই। অনেক মা-বোন বোঝে না। তারা স্বামীকে এত বাধ্য করে, এত চাপ সৃষ্টি করে যে, অবশেষে স্বামী নিরুপায় হয়ে হারাম ভাবে টাকা জোগাড়ের পন্থা খোঁজে। যখন সে দেখে হালাল রিযিক দ্বারা জীবন বাসনা পূরণ করা যাচ্ছে না, তখন সে নাজায়েয তরীকায় পয়সা কামানো শুরু করে। খবরদার! এটা একটা হক। স্ত্রীর যে সকল হক বা কর্তব্য আছে স্বামীর ব্যাপারে, তা ইসলামী বিবাহ কিতাবে বর্ণনা করা হয়েছে, তার মধ্যে এটাও একটা যে, স্বামীর প্রতি চাপ সৃষ্টি করা কোন স্ত্রীর জন্য জায়েয নেই। স্বামীর কোন মাল তার অনুমতি ছাড়া ব্যয় করাও স্ত্রীর জন্য জায়েয নেই। এভাবে রিযিক যেন হালাল থাকে, তার প্রতি বেশী খেয়াল রাখতে হবে। এ ব্যাপারে স্বামীকেও সহযোগিতা করতে হবে- যাতে সে আখিরাতকে বরবাদ করে দুনিয়ার আয়েশের দিকে না যায়।