elektronik sigara

আগামী ইজতেমা ২০শে জুমাদাল উখরা, ১৪৪৪ হিজরী ‍মুতাবেক ১৩ই জানুয়ারী, ২০২৩ ঈসায়ী তারিখ শুক্রবার থেকে ২২শে জুমাদাল উখরা, ১৪৪৪ হিজরী মুতাবেক ১৫ই জানুয়ারী, ২০২৩ ঈসায়ী তারিখ রবিবার পর্যন্ত চলবে। অর্থাৎ ১৩,১৪,১৫ জানুয়ারী, ২০২৩। ইজতেমার ময়দানের ম্যাপ ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন

 

ইনশাআল্লাহ জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় দাওয়াতুল হকের মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৬শে জুমাদাল উখরা, ১৪৪৪ হিজরী, ২০ই জানুয়ারী, ২০২৩ ঈসা‘য়ী, শুক্রবার (সকাল ৭-৮টা থেকে শুরু হবে ইনশাআল্লাহ)

হযরতওয়ালা দা.বা. কর্তৃক সংকলিত চিরস্থায়ী ক্যালেন্ডার ডাউনলোড করতে চাইলে এ্যাপের “সর্বশেষ সংবাদ” এ ভিজিট করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা এর লিখিত সকল কিতাব পাওয়ার জন্য এ্যাপের “সর্বশেষ সংবাদ” থেকে তথ্য সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা দা.বা. এর কিতাব অনলাইনের মাধ্যমে কিনতে চাইলে ভিজিট করুনঃ www.maktabatunnoor.com

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

ইসলাম যে একমাত্র আল্লাহর মনোনীত ধর্ম এবং ইসলামের নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে সর্বশেষ এবং সর্বশ্রেষ্ঠ নবী সেটা শুধু মহাগ্রন্থ কুরআনে কারীমই বলেনি; বরং পৃথিবীর প্রতিটি ধর্মগ্রন্থেই এর বিশদ বিবরণ পাওয়া যায়। সহজে বলা যায়,ইসলামপূর্ব যত নবী-রাসূল পৃথিবীর বুকে আগমন করেছেন তাদের প্রত্যেকেই মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর শ্রেষ্ঠেত্বকে একবাক্যে স্বীকার করেছেন এবং নিজ নিজ উম্মতদের বলেছেন- যদি তোমারা প্রকৃত অর্থে আমার অনুসারী হয়ে থাক তবে শেষ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন আগমন করবেন তখন তোমরা তার আনুগত্যে নিজেদেরকে একাকার করে দেবে। বুঝা গেল ইসলাম ছাড়া বাকী সকল ধর্মাবলম্বীরা যদি সত্যিকারার্থে তাদেরই নবী ও কিতাবের অনুসরণ করতে চায় তাহলে মুসলমান হওয়া ছাড়া বিকল্প কোন পথ নেই।

কিন্তু আমরা যারা মুসলমান আছি এ ব্যাপারে আমাদের দায়িত্ব কি? অমুসলিম ভাইদের প্রতি ইসলাম ধর্মের দাওয়াত পৌঁছানো কি আমাদের উপর জরুরী? কিয়ামত পর্যন্ত সকল মানব-দানবের হেদায়েতের জন্য কি বিশ্বনবী দুনিয়াতে প্রেরিত হন নি? ইসলামের দাওয়াত ও পরিচয় না পেয়ে ঈমান হারা হয়ে যারা মারা যাচ্ছে তারা কি মুসলমানদেরকে দায়ী করবে না?

এ ব্যাপারে অবশ্যই আল্লাহর দরবারে আমাদের জবাবদিহী করতে হবে।

আমাদের দায়িত্ব হলো- নিজেদের ঈমানকে মুকাম্মাল করার প্রচেষ্টার পাশাপাশি অন্য ধর্মাবলম্বীদের কাছে ইসলামরে সভ্যতা-আদর্শ ও সত্যতার উপর অনুপ্রাণিত করে ইসলাম গ্রহণে উদ্ধুদ্ধ করা। তবে নিশ্চয় সেটার মূল পুঁজি হবে আখলাকিয়্যাত। সেই সাথে মুসলামানদের এটা অবশ্যই প্রমাণিত করতে হবে যে,

‘ইসলাম যিন্দা হোয়া হ্যায় আখলাক ছে, না তালওয়ার ছে।’

অধুনা সাধারণ শিক্ষিতদের অনেকে বাংলা কুরআন পড়ে বিজ্ঞের মত বলে থাকেন আল্লাহ কি বলেন নি-  لَكُمْ دِيْنُكُمْ وَلِيَ دِيْن

অর্থ: ‘তোমাদের ধর্ম তোমাদের কাছে আমাদের ধর্ম আমাদের কাছে।’ তবে অন্য ধর্মাবলম্বীদের আমাদের ধর্মের প্রতি দাওয়াত দেওয়ার কি প্রয়োজন?
জবাবে আমরা এ কথা বলব না যে আপনি ভুল বলেছেন, বলব আপনি এর মর্মার্থ বুঝতে সক্ষম হননি, কেননা এর মর্মার্থ হল- কাউকে ইসলাম গ্রহণে বাধ্য করা যাবে না।