elektronik sigara

আগামী ইজতেমা ২০শে জুমাদাল উখরা, ১৪৪৪ হিজরী ‍মুতাবেক ১৩ই জানুয়ারী, ২০২৩ ঈসায়ী তারিখ শুক্রবার থেকে ২২শে জুমাদাল উখরা, ১৪৪৪ হিজরী মুতাবেক ১৫ই জানুয়ারী, ২০২৩ ঈসায়ী তারিখ রবিবার পর্যন্ত চলবে। অর্থাৎ ১৩,১৪,১৫ জানুয়ারী, ২০২৩। ইজতেমার ময়দানের ম্যাপ ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন

 

ইনশাআল্লাহ জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় দাওয়াতুল হকের মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৬শে জুমাদাল উখরা, ১৪৪৪ হিজরী, ২০ই জানুয়ারী, ২০২৩ ঈসা‘য়ী, শুক্রবার (সকাল ৭-৮টা থেকে শুরু হবে ইনশাআল্লাহ)

হযরতওয়ালা দা.বা. কর্তৃক সংকলিত চিরস্থায়ী ক্যালেন্ডার ডাউনলোড করতে চাইলে এ্যাপের “সর্বশেষ সংবাদ” এ ভিজিট করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা এর লিখিত সকল কিতাব পাওয়ার জন্য এ্যাপের “সর্বশেষ সংবাদ” থেকে তথ্য সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা দা.বা. এর কিতাব অনলাইনের মাধ্যমে কিনতে চাইলে ভিজিট করুনঃ www.maktabatunnoor.com

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

ইমাম , মুআযযিন ও খাদেমদেরকে রামাযান বা ঈদ উলপক্ষে বেতনের পরও কিছু বোনাস ইত্যাদি মসজিদ ফান্ড থেকে অথবা মুসল্লিরা স্বেচ্ছায় দিলে তা দেয়া জায়িয আছে । কিন্তু হাফেয সাহেবকে তারাবীহ্ পড়ানোর জন্য কোন ফান্ড থেকেই টাকা বা বিনিময় দেয়া ও হাফেয সাহেবের জন্য তা নেয়া জায়িয নয় ।

আমাদের দেশে মসজিদ কমিটি খাতা- কলম নিয়ে যেভাবে হাফেয সাহেবের জন্য চাইতে থাকেন এবং মসজিদে এলান দেন, তাতে এটাকে কোন মতেই হাদিয়া বলা চলে না । হাদিয়া মুহাব্বতের নিদর্শন । যা একান্ত ব্যক্তিগত ব্যাপার । সুতরাং আমাদের দেশের এ ধরনের লেন-দেন কুরআনের অবমাননা ও নাজায়িয কাজ । এতে খতমে তারাবীহের সাওয়াব বাতিল হয়ে যেতে পারে । হাফেজগনকে আল্লাহ তা’আলা যে নিয়ামত দান করেছেন, তার শুকরিয়া এটাই যে , তারা একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য তারাবীহ নামাযে কুরআন শুনাবে এবং এর মহাপ্রতিদান আল্লাহ্র দরবার থেকে পাওয়ার আশা রাখবে । হিফজের মত এতবড় দৌলত সারা দুনিয়া যার বদলা হতে পারে না , সেই দৌলতকে অতি নগণ্য সামান্য টাকা–পয়সার বিনিময়ে বিক্রি করার মত বেওকুফি আর হয় না । হাফেজগন আল্লাহর ওয়াস্তে কুরআন শুনাবে । আল্লাহ তা’আলা তাঁদের দুনিয়ার জরুরত পুরা করে দিবেন । কোথা থেকে করবেন , তা তিনিই ভাল জানেন । তাঁর দরবারে কোন অভাব নেই । তিনি অকল্পনীয়ভাবে বান্দাকে রিযিক দেন । তবে হ্যাঁ, কেউ যদি ঐ হাফেয সাহেবকে তার দ্বনিদারীর কারনে তাকে মুহাব্বত করেন , তাহলে মুহাব্বতের নিদর্শন স্বরূপ ব্যক্তিগতভাবে যে কোন সময় বা যখনই তাওফীক হয় , হাফেয সাহেবের মুহাব্বতে কিছু হাদিয়া পেশ করবেন । তবে এটা তারাবীহের শেষে না হওয়া উচিত । যাতে করে বুঝা যায় যে , এটা বাস্তবেই ব্যক্তিগত মুহাব্বতের হাদিয়া ।