elektronik sigara

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা এর লিখিত সকল কিতাব পাওয়ার জন্য ক্লিক করুন

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর সমস্ত কিতাব, বয়ান, প্রবন্ধ, মালফুযাত পেতে   ইসলামী যিন্দেগী  App টি সংগ্রহ করুন।

প্রতিদিন আমল করার জন্য “দৈনন্দিন আমল ও দু‘আসমূহ” নামক একটি গুরত্বপূর্ণ কিতাব আপলোড করা হয়েছে।

ইনশাআল্লাহ জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় দাওয়াতুল হকের মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ ঈসায়ী।

সুখবর! সুখবর!! সুখবর!!! হযরতওয়ালা দা.বা. এর গুরত্বপূর্ণ ২ টি নতুন কিতাব বেরিয়েছে। “নবীজীর (সা.) নামায” এবং “খ্রিষ্টধর্ম কিছু জিজ্ঞাসা ও পর্যালোচনা”।  আজই সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

ইমাম , মুআযযিন ও খাদেমদেরকে রামাযান বা ঈদ উলপক্ষে বেতনের পরও কিছু বোনাস ইত্যাদি মসজিদ ফান্ড থেকে অথবা মুসল্লিরা স্বেচ্ছায় দিলে তা দেয়া জায়িয আছে । কিন্তু হাফেয সাহেবকে তারাবীহ্ পড়ানোর জন্য কোন ফান্ড থেকেই টাকা বা বিনিময় দেয়া ও হাফেয সাহেবের জন্য তা নেয়া জায়িয নয় ।

আমাদের দেশে মসজিদ কমিটি খাতা- কলম নিয়ে যেভাবে হাফেয সাহেবের জন্য চাইতে থাকেন এবং মসজিদে এলান দেন, তাতে এটাকে কোন মতেই হাদিয়া বলা চলে না । হাদিয়া মুহাব্বতের নিদর্শন । যা একান্ত ব্যক্তিগত ব্যাপার । সুতরাং আমাদের দেশের এ ধরনের লেন-দেন কুরআনের অবমাননা ও নাজায়িয কাজ । এতে খতমে তারাবীহের সাওয়াব বাতিল হয়ে যেতে পারে । হাফেজগনকে আল্লাহ তা’আলা যে নিয়ামত দান করেছেন, তার শুকরিয়া এটাই যে , তারা একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য তারাবীহ নামাযে কুরআন শুনাবে এবং এর মহাপ্রতিদান আল্লাহ্র দরবার থেকে পাওয়ার আশা রাখবে । হিফজের মত এতবড় দৌলত সারা দুনিয়া যার বদলা হতে পারে না , সেই দৌলতকে অতি নগণ্য সামান্য টাকা–পয়সার বিনিময়ে বিক্রি করার মত বেওকুফি আর হয় না । হাফেজগন আল্লাহর ওয়াস্তে কুরআন শুনাবে । আল্লাহ তা’আলা তাঁদের দুনিয়ার জরুরত পুরা করে দিবেন । কোথা থেকে করবেন , তা তিনিই ভাল জানেন । তাঁর দরবারে কোন অভাব নেই । তিনি অকল্পনীয়ভাবে বান্দাকে রিযিক দেন । তবে হ্যাঁ, কেউ যদি ঐ হাফেয সাহেবকে তার দ্বনিদারীর কারনে তাকে মুহাব্বত করেন , তাহলে মুহাব্বতের নিদর্শন স্বরূপ ব্যক্তিগতভাবে যে কোন সময় বা যখনই তাওফীক হয় , হাফেয সাহেবের মুহাব্বতে কিছু হাদিয়া পেশ করবেন । তবে এটা তারাবীহের শেষে না হওয়া উচিত । যাতে করে বুঝা যায় যে , এটা বাস্তবেই ব্যক্তিগত মুহাব্বতের হাদিয়া ।