elektronik sigara

ইনশাআল্লাহ জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় দাওয়াতুল হকের মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২১শে রবীউস সানী, ১৪৪৪ হিজরী, ১৮ই নভেম্বর, ২০২২ ঈসা‘য়ী, শুক্রবার (সকাল ৭-৮টা থেকে শুরু হবে ইনশাআল্লাহ)

ইনশাআল্লাহ জামি‘আ ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদানিয়া যাত্রাবাড়ী মাদরাসায় বার্ষিক দাওয়াতুল হকের মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে আগামী  ৫ই নভেম্বর, ২০২২ ঈসায়ী, শনিবার।

জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসা থেকে প্রকাশিত একাডেমিক ক্যালেন্ডার পেতে ক্লিক করুন

হযরতওয়ালা দা.বা. কর্তৃক সংকলিত চিরস্থায়ী ক্যালেন্ডার ডাউনলোড করতে চাইলে এ্যাপের “সর্বশেষ সংবাদ” এ ভিজিট করুন।

জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসার বার্ষিক মাহফিল, জামি‘আ রাহমানিয়া মাদরাসা সাত মসজিদ প্রাঙ্গন মুহাম্মাদপুরে অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৯শে অক্টোবর, ২০২২ শনিবার (বাদ থেকে শুরু হবে ইনশাআল্লাহ)

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা এর লিখিত সকল কিতাব পাওয়ার জন্য এ্যাপের “সর্বশেষ সংবাদ” থেকে তথ্য সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা দা.বা. এর কিতাব অনলাইনের মাধ্যমে কিনতে চাইলে ভিজিট করুনঃ www.maktabatunnoor.com

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

‘ইতিহাস’ শিক্ষতজনদের উৎকৃষ্ট খোরাক বুদ্ধিমানদের পথের দিশারী। বিবেকবানরা ইতিহাস পড়েন। অতীতকালের উত্থান-পতনের কাহিনীর আলোকে নির্ণয় করেন আগামী দিনের জয়-পরাজয় ও সফলতা-ব্যর্থতার মাপকাঠি। সে কাঠিতে মেপে-ঝোপে রচনা করেন তাঁরা উন্নত ভবিষ্যত-প্রত্যাশিত নতুন ইতিহাস। মূলতঃ এ উদ্দেশ্যেই কুরআনে কারীমে বিভিন্ন জাতির উত্থান-পতনের কাহিনী বিধৃত হয়েছে অতীব যত্নের সাথে যারপর নাই সংক্ষিপ্ত পরিসরে। কিন্তু অনুসৃত সেই ইতিহাস যদি হয় বিকৃত-পরিবর্তিত ও বাস্তবতার সীমান্তচ্যুত তাহলে সে আলোকে প্রতিষ্ঠিত যে কোন ভবিষ্যত ও ভবিষ্যত ভাবনাই যে হবে বিকৃত, অধঃপতিত ও পরাজিত তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

একথাও সত্য, ইতিহাস মানুষের রচনা। মানুষ ভুলের উর্ধ্বে নয়। তাই মানুষের কোন শিল্প-সৃষ্টি-রচনা-আবিষ্কারই সম্পূর্ণ ত্রুটিমুক্ত নয়। পৃথিবীতে সুস্থ মানব প্রজন্মের যে যা করেছে এই স্বীকৃত দিয়েই করেছে। পক্ষান্তরে সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ সকল ত্রুটির উর্ধ্বে তাঁর সৃজিত বিশ্বে কুদরতের মহিমায় শিল্পে অপূর্ণতা, অসতর্কতা, অক্ষমতা, অদক্ষতা আর ত্রুটি-বিচ্যুতির কোন দাগ নেই। মুমিন হওয়ার জন্যেও এই স্বীকৃতি অত্যাবশ্যকীয়।

এই সূত্রদ্বয়ের আলোকেই একথা নিঃশঙ্কচিত্তে বিশ্বাস করতে হয় ইতিহাস মানুষের সৃষ্টি। কুরআন আল্লাহ’র চিরন্তন চিরসত্য গুন। হাদীসে রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহিহি ওয়াসাল্লাম) কুরআনেরই ব্যাখ্যা মাত্র। তাই ঐতিহাসিক কোন তথ্য যদি কুরআন-হাদীসের সাথে সংঘাতপূর্ণ হয় তখন সে ইতিহাস মানার যোগ্য কেন, পঠনযোগ্যই থাকে না। বরং এভাবেও বলা যায় ইতিহাসের সত্যতা, ইতিহাস নির্ভর শিক্ষা ও নির্দেশনা কোন ক্ষেত্রে কতটুকু সত্য ও গ্রহণযোগ্য তা বিচার করা হবে কুরআন-হাদীসের আলোকে। মানুষের সৃষ্টি আল্লাহ’র দেয়া নির্দেশনার আলোকে বিবেচিত হবে এইটাই স্বাভাবিক। মুমিনের জীবনে অনিবার্য বাস্তবতা এটা।