elektronik sigara

প্রতিদিন আমল করার জন্য “দৈনন্দিন আমল ও দু‘আসমূহ” নামক একটি গুরত্বপূর্ণ কিতাব আপলোড করা হয়েছে।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা এর সৌদি আরবের নাম্বার 05 77 58 56 34

ইনশাআল্লাহ জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় দাওয়াতুল হকের মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৩ শে আগষ্ট, ২০১৯ ঈসায়ী।

সুখবর! সুখবর!! সুখবর!!! হযরতওয়ালা দা.বা. এর গুরত্বপূর্ণ ২ টি নতুন কিতাব বেড়িয়েছে। “নবীজীর (সা.) নামায” এবং “খ্রিষ্টধর্ম কিছু জিজ্ঞাসা ও পর্যালোচনা”।  আজই সংগ্রহ করুন।

হাজী সাহেবানদের জন্য এক নজরে হজের ৭ দিনের করণীয় ডাউনলোড করুন

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর সমস্ত কিতাব, বয়ান, প্রবন্ধ, মালফুযাত পেতে   ইসলামী যিন্দেগী  App টি সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেন- আল্লাহ তা‘আলার (ঘর) মসজিদ আবাদ তারাই করবে, যারা আল্লাহ তা‘আলা ও পরকালের উপর ঈমান আনে, নামায কায়েম করে, যাকাত আদায় করে এবং আল্লাহ তা‘আলা ছাড়া কাউকেই ভয় করে না। তাদের ব্যাপারে আশা করা যায়, এরা হেদায়াত প্রাপ্ত বান্দাদের অন্তর্ভূক্ত হবে। (সূরায়ে তাওবা আয়াত নং ১৮)

মসজিদ হল হেদায়াতের মারকায । কোন এলাকার মসজিদ যদি পুরাপুরী শরী‘আত মুতাবেক পরিচালিত হয় তাহলে পুরা এলাকায় এক দীনী হাওয়া বিরাজ করবে। বরং ধীরে ধীরে তার আলোকে উক্ত এলাকা তথা পুরা দেশ থেকে অন্ধকার দূরীভূত হয়ে ইসলামের শাশ্বত বিধান প্রতিষ্ঠিত হবে। মসজিদে নববী তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

মসজিদে নববীর মসজিদ কেন্দ্রীক মেহনতের উসীলায় শুধু মদীনা নয় গোটা আরবের সেই বরবর জাতিও স্বর্ণ মানবে পরিণত হয়ে ছিল।

দুঃখের বিষয় হল বর্তমানে পূর্বের তুলনায় মসজিদ তো বেশী হচ্ছে এবং শানদারও হচ্ছে। কিন্তু হেদায়াত দিন দিন বিদায় নিতে চলছে। রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর চির সত্য বাণী আজ বাস্তবায়িত হচ্ছে, ইরশাদ করেনঃ অচিরেই মানুষের মাঝে এমন একটি যুগ আসবে যখন ইসলাম বলতে থাকবে শুধু নাম, আর কুরআন বলতে থাকবে কিছু প্রথা। ঐ সময়কার মসজিদগুরো তো হবে বড় শানদার। কিন্তু তা হবে হেদায়াত শূন্য।  (বাইহাকী শুয়াবুল ঈমান, হাঃ নং ৩/১৭৬৩)

তাই হেদায়াত শূন্য মসজিদগুলোকে হেদায়াত ওয়ালা বানানো মুসলিম উম্মাহর উপর বিরাট এক যিম্মাদারী। এজন্য মুহিউস সুন্নাহ হযরত মাওলানা শাহ আবরারুল হক (রাহ.) বলতেন যেঃ তোমরা মসজিদ ও মাদরাসাকে সুন্নী বানাও তাহলে পুরা মহল্লা সুন্নী হয়ে যাবে।

উক্ত যিম্মাদারী পালনে আলহা্মদুলিল্লাহ অতীত ও বর্তমানের অনেক উলামায়ে কিরাম এগিয়ে এসেছেন। আলোচ্য গ্রন্থখানা সে ধারাবাহিকতারই এক শর‘ঈ রূপ রেখা

আমরা আশা করব বইয়ের এ কথাগুলো যদি প্রত্যেকটি মসজিদে বাস্তবায়ন করা হয়, তাহলে আমাদের সমাজে আবারো সেই মসজিদে নববীর সেই হেদায়াত ফিরে আসবে।

আল্লাহ তা‘আলা লেখক-পাঠক সবাইকে কবুল করুন। আমীন।