elektronik sigara

সুখবর! সুখবর!! সুখবর!!! হযরতওয়ালা দা.বা. এর গুরত্বপূর্ণ ২ টি নতুন কিতাব বেড়িয়েছে। “নবীজীর (সা.) নামায” এবং “খ্রিষ্টধর্ম কিছু জিজ্ঞাসা ও পর্যালোচনা”।  আজই সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা দা.বা. এর কিতাব অনলাইনের মাধ্যমে কিনতে চাইলে ভিজিট করুনঃ www.maktabatunnoor.com

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. এর সমস্ত কিতাব, বয়ান, প্রবন্ধ, মালফুযাত পেতে   ইসলামী যিন্দেগী  App টি সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

আল্লাহ তা‘আলা পবিত্র কুরআন মাজীদে ইরশাদ করেন: ‘তোমরা আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দিব। নিশ্চয় যারা অহংকার বশত: আমার ইবাদত (অর্থাৎ আমার কাছে দু‘আ করা) থেকে বিমুখ হয় বা মুখ ফিরিয়ে নেয় তারা অবশ্যই লাঞ্ছিত হয়ে জাহান্নামে প্রবেশ করবে।’ (সুরা মুমিনঃ৬০, তাফসীরে ইবনে কাছীর:৭/১৫৩)

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন: ‘নিশ্চয় দু‘আ ইবাদত।’  (মুসনাদে আহমাদ হা. নং ১৮৪১৬)

রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেন: ‘দু‘আ হলো ইবাদতের মূল।’ (সুনানে তিরমিযী হা.নং ৩৩৭১)

নবী কারীম সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম  বলেন: ‘যে ব্যক্তি আল্লাহ তা‘আলার নিকট দু‘আ করে না আল্লাহ তা‘আলা তার উপর নারাজ হন ।’ (সুনানে ইবনে মাজাহ:হা. নং ৩৮২৭ , তিরমিযী হা.নং ৩৩৭৩)

উপরোক্ত আয়াত ও হাদীসগুলো থেকে বুঝা গেল যে, সকলের জন্য দু‘আ করা অপরিহার্য । চাই উহা ফরয নামাযের পরে হোক বা অন্য সময় হোক । যারা দু‘আ করবে না তারা আল্লাহ তা‘আলার ক্রোধের পাত্র হবে।

নামাযের পর বা ফরয নামাযের পর কোন প্রকার বাড়াবাড়ি ব্যতিরেকে আমাদের দেশে যে মুনাজাত চালু আছে তা মুস্তাহাব আমল, বিদ‘আত নয় । কারণ, বিদআত বলা হয় ঐ আমলকে, শরী‘আতে যার কোন ভিত্তি খুঁজে পাওয়া যায় না । অথচ উক্ত মুনাজাত বহু নির্ভরযোগ্য রিওয়ায়েত দ্বারা সু-প্রমাণিত।

সম্মিলিত মুনাজাত দুইভাবে হতে পারে । এক. সমবেত লোকদের মধ্যে একজন দু‘আ করবে এবং অন্যরা আমীন বলবে। দুই. একস্থানে সমবেত হয়ে সবাই নিজস্বভাবে দু‘আ করবে । এই উভয় সূরত জায়িয । এ ব্যাপারে নবী কারীম সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম  এর আমল ও নির্দেশ বিদ্যমান । তাই যারা মুনাজাতকে একেবারেই অস্বীকার করে তারা ভুলের মধ্যে আছে । যারা ইমাম-মুক্তাদির সম্মিলিত মুনাজাতকে বিদ‘আত বলে তাদের দাবিও ভিত্তিহীন। আবার যারা মুনাজাতকে জরুরি মনে করে বাড়াবাড়ি করে অর্থাৎ কেউ না করলে তাকে কটাক্ষ করে গালি দেয় তারাও ভুলের মধ্যে আছে ।

হাদীসে সম্মিলিত মুনাজাতের গুরুত্বের বহু প্রমাণ পাওয়া যায় । ফিকহের কিতাবসমূহেও ইমাম-মুক্তাদির সম্মিলিত মুনাজাতকে মুস্তাহাব বলা হয়েছে । অসংখ্য হাদীস বিশারদগণের রায়ও সম্মিলিত মুনাজাতের স্বপথে স্পষ্ট বিদ্যমান । এমতাবস্থায় প্রচলিত সম্মিলিত মুনাজাতকে বিদ‘আত বলা হঠকারিতা ছাড়া কিছুই নয় ।  (বিস্তারিত জানার জন্য দেখুন: ফরয নামাযের পর সম্মিলিত মুনাজাত এর শরয়ী বিধান-মুফতী মনসূরুল হক দা.বা.)

নিম্নে মুনাজাত স্বপক্ষে কয়েকটি হাদীস উল্লেখ করা হলো:

১. হযরত হাবীব ইবনে মাসলামা রা. বর্ণনা করেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম  বলেছেন: ‘যদি কোন দল একত্রিত হয়ে তাদের একজন দু‘আ করে থাকে আর অপররা ‘আমীন, আমীন’ বলে থাকে তাহলে আল্লাহ তা‘আলা তাদের দু‘আ অবশ্যই কবুল করেন।’ (মুস্তাদরাক হাকেম: ৫৪৭৮)

২. হযরত সালমান রা. বলেন, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম  ইরশাদ করেছেন: ‘যদি কোন জামা‘আত কোন বিষয় প্রার্থনা করার জন্য আল্লাহ তা‘আলার দরবারে হাত তুলে আল্লাহ তা‘আলার উপর ওয়াজিব হয়ে যায় যে, তিনি তাদের প্রার্থিত বস্তু তাদের হাতে দিয়ে দিবেন ।’ (সুনানে আবূ দাউদ: হা. নং ১৪৮৮)

৩. ইতিহাসে হযরত আলা আল-হাযরামী রা. এর ঘটনা সুপ্রসিদ্ধ। বাহরাইনের মুরতাদদের বিরুদ্ধে ১১ হিজরীতে যে লড়াই হয়েছিল তাতে তিনি সিপাহসালার ছিলেন। এই ঘটনার মধ্যে আছে যে, মুসলিম বাহিনী একস্থানে যাত্রা বিরতি করলে কাফেলার সকল উট রসদপত্রসহ পলায়ন করলো । ঘটনার শেষে আছে যে যখন ফজরের আযান হলো। তখন হযরত আলা আল-হাযরামী রা.নামাযের ইমামতি করলেন । নামাযের পর দুজানু হয়ে বসে অত্যন্ত বিনয় ও কাতরতার সঙ্গে দু‘আয় মশগুল হয়ে গেলেন । কাফেলার সকলেই তার সাথে সম্মিলিতভাবে দু‘আ করতে লাগলেন । এ অবস্থায় সূর্য উদিত হলো তবুও তারা দু‘আয় মশগুল রইলেন । এক পর্যায়ে আল্লাহ তা‘আলা তাদের সন্নিকটে একটি বড় জলাশয় সৃষ্টি করে দিলেন । সবাই সেখানে গিয়ে তৃষ্ণা নিবারণ করলেন এবং গোসল করলেন । বেলা কিছু চড়ার পর একে একে সকল উট সমস্ত রসদপত্রসহ ফিরে আসতে লাগলো । আরবী মূল পাঠ নিম্নরূপ:

 فلما قضي الصلوة جثي علي ركبتيه وجثا الناس و نصب في الدعاء و رفع يديه وفعل الناس مثله (আল-বিদায়া ওয়ান নেহায়াঃ৬/৩২৪)         (তারীখে তাবারী ২য় খণ্ড ২৮৭ পৃষ্ঠায়)     فلما قضي صلوته جثي  لركبتيه وجثا الناس فنصب في الدعاء ونصبوا معه  -مكتبة دار الكتب العلمية

৪. আসওয়াদ আমেরী তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সাথে ফজরের নামায আদায় করলাম, যখন তিনি সালাম ফিরিয়ে ঘুরে বসলেন তখন উভয় হাত উঠিয়ে দু‘আ করলেন । (ইলাউস সুনান হা.নং ৯৩৭ )

৫. হযরত আবূ উমামা বাহেলী রা. বর্ণনা করেন যে, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হলো যে, কোন দু‘আ কবুল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি? ইরশাদ হলো, শেষ রাত্রে (তাহাজ্জুদের পর ) এবং ফরয নামাযের পর । (সুনানে তিরমিযী হা.নং ৩৪৯৯)

৬. ইয়া‘লা বিন শাদ্দাদ রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, একবার আমরা নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নিকট ছিলাম। তিনি বললেন, তোমাদের মাঝে কি কোন অপরিচিত ব্যক্তি আছে, অর্থাৎ আহলে কিতাব? আমরা বললাম, না ইয়া রাসূলাল্লাহ! তিনি দরজা বন্ধ করার আদেশ দিলেন এবং বললেন, ‘তোমরা সকলেই হাত উত্তোলন করো এবং বলো, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু!’ আমরা সকলেই এক সাথে হাত উত্তোলন করলাম। অতঃপর তিনি বললেন, ‘হে আল্লাহ! আপনি আমাকে এই কালেমা দিয়ে প্রেরণ করেছেন এবং এর উপর জান্নাতের ওয়াদা করেছেন আর আপনি ওয়াদা খেলাফ করেন না। অতঃপর তিনি বললেন, তোমরা সুসংবাদ গ্রহণ করো ,তোমাদের মাফ করে দেয়া হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমাদঃ হা.নং১৭১২৬)

উল্লেখিত হাদীসসমূহ থেকে প্রমাণিত হয় যে, একজন দু‘আ করবে আর অন্যরা সবাই আমীন বলবে, এভাবে সকলের দু‘আ বা সম্মিলিত মুনাজাতের কবুল হওয়া অবশ্যম্ভাবী।

হযরত আলা আল-হাযরামী রা. তার জামা‘আতের সকলকে নিয়ে ফজরের নামাযের পর যে  সম্মিলিত মুনাজাত করেছেন, সাহাবাগণ রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে যদি এমনটি করতে না দেখতেন তাহলে তারা কখনো এমনটি করতেন না।

ফরয নামাযের পর দুআ কবুল হওয়ার সম্ভাবনা বেশী:

রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফজরের নামাযের পর হাত উঠিয়ে দু‘আ করলেন। আর নবী কারীম সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর দু‘আ সর্বদা কবুল হতো । তাই হুযুর সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম  নামাযের পর হাত উঠিয়ে দু‘আ করবেন আর সাহাবাগণ তার বিরুদ্ধাচরণ করনার্থে হাত না উঠিয়ে বসে থাকবেন এটা কল্পনাই করা যায় না ।

বিধায় উল্লেখিত হাদীসসমূহ দ্বারা ফরয নামাযের পরে ইমাম মুক্তাদি সকলের জন্য সম্মিলিতভাবে মুনাজাত করা দিবালোকের ন্যায় স্পষ্ট হয়ে গেল । অতএব, সম্মিলিত মুনাজাত মুস্তাহাব হওয়াই হাদীসসমূহের মর্ম ও সমষ্টিগত সারকথা ।

যারা ফরয নামাযের পর সম্মিলিত মুনাজাতকে বিদ‘আত বলে থাকেন তারা বলেন, হাদীসের মাঝে ফরয নামাযের পর সম্মিলিত মুনাজাতের কথা পাওয়া যায় না, কিছু হাদীসে শুধু দু‘আর কথা পাওয়া যায়, কিন্তু তাতে হাত তোলার কথা নেই। আবার কোন জায়গায় হাত তোলার কথা আছে, কিন্তু একাকিভাবে সম্মিলিতভাবে নয় । আবার কোনটিতে সম্মিলিত হওয়ার কথা আছে, কিন্তু ফরয নামাযের পরে  হওয়ার কথা উল্লেখ নেই। অতএব, এ সকল হাদীস দ্বারা ফরয নামাযের পরে সম্মিলিত মুনাজাত প্রমাণিত হয় না ।

তাদের কথা ঠিক নয়। কারণ, আমরা ইতিপূর্বে আলা আল-হাযরামী রা. এর সকল সাথীকে নিয়ে ফজরের ফরয নামাযের পরে সম্মিলিতভাবে মুনাজাত করার কথা উল্লেখ করেছি।

তাদের অভিযোগের ভিত্তিই সহীহ নয়। কারণ শরী‘আতে এমন কোন বিধান নেই যে, প্রত্যেক ইবাদতের সকল অংশ কোন একটি আয়াত বা হাদীস দ্বারা প্রমাণিত হতে হবে। এটা তেমনি যেমন নামাযের বিস্তারিত নিয়ম, আযানের সুন্নাত তরীকা, উযূর সুন্নাত তরিকা ইত্যাদি একত্রে কোন হাদীসে বর্ণিত নেই। বিভিন্ন হাদীসের সমষ্টিতে তা ছাবিত হয়, তারপরেও তা সকল উলামায়ে কেরামের নিকট গ্রহণযোগ্য ।

যারা ফরয নামাযের পরে সর্বাবস্থায় ইজতেমায়ী মুনাজাতের বিরোধী এবং সালাম ফিরানোর সাথে সাথেই উঠে পড়েন, তাদের এ কর্ম-কাণ্ড দ্বারা নামাযের পর যে মাসনূন ও জিকির দু‘আ ইত্যাদি রয়েছে তা তরক করা হয় এবং ফরয ও সুন্নাতের মাঝখানে কিছু সময়ের ব্যবধান করার যে হুকুম হাদীস শরীফে এসেছে তাও লঙ্ঘন করা হয় ।

তাদের জন্য নিম্নের হাদীসটি বিশেষভাবে প্রণিধান যোগ্য, আবু মিরছা রা. বর্ণনা করেন, একবার আমি নবী কারীম সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম  এর সাথে নামায পড়ছিলাম। হযরত আবু বকর ও উমর রা. ঐ নামাযে উপস্থিত ছিলেন। তারা  প্রথম কাতারে নবী কারীম সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম  এর সাথে দাঁড়াতেন। আমাদের সাথে এক ব্যক্তি ছিল, যে উক্ত নামাযে তাকবীরে উলা থেকেই উপস্থিত ছিল। নবী কারীম সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম  নামায শেষ করে সালাম ফিরালেন এমনভাবে যে, উভয়দিকে আমরা তার গণ্ডদয় দেখতে পেলাম । অতঃপর নবী কারীম সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম  ঘুরে বসলেন। তখন ঐ তাকবীরে উলায় উপস্থিত ব্যক্তি সুন্নাত নামায পড়ার জন্য দাঁড়িয়ে পড়লো। তৎক্ষণাৎ হযরত উমর রা. লাফিয়ে উঠলেন এবং ঐ ব্যক্তির কাঁধ ধরে ঝাঁকুনি দিয়ে বললেন, বসে পরো, পূর্ববর্তী কিতাবধারীদের ধর্মীয় পতন হয়েছে যখন তারা (ফরয ও সুন্নাত ) নামাযের মধ্যে ব্যবধান সৃষ্টি করতো না। নবী কারীম সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম  হযরত উমর রা. এর কাজ দেখে দৃষ্টি উঠালেন এবং বললেন, ‘হে খাত্তাবের পুত্র! আল্লাহ তোমাকে সঠিক পন্থী বানিয়েছেন।’ (সুনানে আবূ দাঊদ হা.নং ১০০৭)

এ সকল বর্ণনা দ্বারা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হল যে, নামাযের পর ইমাম মুক্তাদি সকলের জন্য ওয়াজিব মনে না করে সম্মিলিতভাবে মুনাজাত করা মুস্তাহাব ।

উল্লেখ্য, কোন আমল  মুস্তাহাব প্রমাণের জন্য নবীজীর আমল বিদ্যমান থাকা জরুরী নয় বরং মৌখিক হাদীস দ্বারাও মুস্তাহাব প্রমাণিত হয়। যেমন নবীজী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম  থেকে আযান দেয়া ইশরাক, চাশতের নামায পড়া তাহিয়্যাতুল উযূ ও তাহিয়্যাতুল মসজিদ পড়া প্রমাণিত নাই। তারপরেও মৌখিক হাদীস বিদ্যমান থাকায় উলামায়ে কেরাম  এ আমলগুলোকে মুস্তাহাব বলেছেন । (ফয়যুল বারী  ২/৩৫১)

আল্লাহ তা‘আলা আমাদের সকলকে সঠিক বিধান বুঝার এবং সুন্নাত মুতাবিক সহীহ আমল করার তাওফীক দান করুন । আমীন ।